Dhaka ০২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
চীন-ভারত-জাপানসহ এশিয়ার বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী সাবেক এমপি নাইমুজ্জামান মুক্তা গ্রেফতার ৪৯তম বিসিএস থেকে আরও ৪০ জনকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ শিশু অধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয়, সৌদিতে সেনা পাঠাবে পাকিস্তান ও তুরস্ক বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে

‘কৃষককে পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করে কার্ড বিতরণ তিন ধাপে বাস্তবায়ন হবে’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৫২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 119

 

আগামী ১৪ এপ্রিল ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে প্রি-পাইলট কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেদিন সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে।

এ উপলক্ষে আজ রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে আসেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি জানিয়েছেন, কৃষকদের জন্য আধুনিক ও ডিজিটাল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কৃষকদের একটি সর্বজনীন ডিজিটাল ইউনিক পরিচয়পত্র প্রদানের মাধ্যমে তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতে স্বচ্ছতা আনাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। কার্যক্রমটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে দেশের কৃষকদের পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও প্রকল্পের উদ্দেশ্য:

কৃষিমন্ত্রী জানান, সরকার গঠনের পরপরই প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের জন্য নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পেমেন্ট উপযোগী এই ডিজিটাল কার্ড চালুর নির্দেশনা প্রদান করেন। এর মাধ্যমে কৃষকদের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করা এবং কৃষি সেবায় যেকোনো ধরনের দুর্নীতি রোধ করে একটি আধুনিক সমাজব্যবস্থা গঠন করা সম্ভব হবে।

পাঁচটি শ্রেণিতে কৃষক বিভাজন:

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, জমির মালিকানার ভিত্তিতে দেশের সকল কৃষককে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো: ১. ভূমিহীন কৃষক, ২. প্রান্তিক কৃষক, ৩. ক্ষুদ্র কৃষক, ৪. মাঝারি কৃষক, ৫. বড় কৃষক।

বাস্তবায়নের তিন ধাপ: কার্ড বিতরণ কার্যক্রমটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে তিনটি ধাপ নির্ধারণ করা হয়েছে: ১. প্রি-পাইলটিং (প্রাথমিক যাচাই), ২. পাইলটিং (পরীক্ষামূলক কার্যক্রম), ৩. দেশব্যাপী চূড়ান্ত কার্যক্রম।

প্রি-পাইলটিং ও অন্তর্ভুক্তির আওতা:

কৃষিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লককে প্রি-পাইলটিংয়ের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এই কার্ডের আওতায় শুধু ফসল উৎপাদনকারী কৃষকরাই নন, বরং মৎস্য চাষি, গবাদিপশু ও দুগ্ধ খামারি এবং উপকূলীয় অঞ্চলের লবণ চাষিদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নির্বাচিত এলাকা ও পরবর্তী পরিকল্পনা:

কৃষিমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই পঞ্চগড়ের কমলাপুর ব্লক, বগুড়ার উথলি ব্লক, ঝিনাইদহের কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুরের রাজাবাড়ি ব্লক, কক্সবাজারের রাজারছড়া ব্লক, কুমিল্লার অরণ্যপুর ব্লক এবং টাঙ্গাইল সদরসহ বেশ কিছু এলাকাকে প্রাথমিক কার্যক্রমের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কৃষককে এই ডিজিটাল কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘কৃষককে পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করে কার্ড বিতরণ তিন ধাপে বাস্তবায়ন হবে’

প্রকাশের সময় : ০২:৫২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

 

আগামী ১৪ এপ্রিল ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে প্রি-পাইলট কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেদিন সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে।

এ উপলক্ষে আজ রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে আসেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি জানিয়েছেন, কৃষকদের জন্য আধুনিক ও ডিজিটাল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কৃষকদের একটি সর্বজনীন ডিজিটাল ইউনিক পরিচয়পত্র প্রদানের মাধ্যমে তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতে স্বচ্ছতা আনাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। কার্যক্রমটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে দেশের কৃষকদের পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও প্রকল্পের উদ্দেশ্য:

কৃষিমন্ত্রী জানান, সরকার গঠনের পরপরই প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের জন্য নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পেমেন্ট উপযোগী এই ডিজিটাল কার্ড চালুর নির্দেশনা প্রদান করেন। এর মাধ্যমে কৃষকদের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করা এবং কৃষি সেবায় যেকোনো ধরনের দুর্নীতি রোধ করে একটি আধুনিক সমাজব্যবস্থা গঠন করা সম্ভব হবে।

পাঁচটি শ্রেণিতে কৃষক বিভাজন:

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, জমির মালিকানার ভিত্তিতে দেশের সকল কৃষককে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো: ১. ভূমিহীন কৃষক, ২. প্রান্তিক কৃষক, ৩. ক্ষুদ্র কৃষক, ৪. মাঝারি কৃষক, ৫. বড় কৃষক।

বাস্তবায়নের তিন ধাপ: কার্ড বিতরণ কার্যক্রমটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে তিনটি ধাপ নির্ধারণ করা হয়েছে: ১. প্রি-পাইলটিং (প্রাথমিক যাচাই), ২. পাইলটিং (পরীক্ষামূলক কার্যক্রম), ৩. দেশব্যাপী চূড়ান্ত কার্যক্রম।

প্রি-পাইলটিং ও অন্তর্ভুক্তির আওতা:

কৃষিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লককে প্রি-পাইলটিংয়ের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এই কার্ডের আওতায় শুধু ফসল উৎপাদনকারী কৃষকরাই নন, বরং মৎস্য চাষি, গবাদিপশু ও দুগ্ধ খামারি এবং উপকূলীয় অঞ্চলের লবণ চাষিদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নির্বাচিত এলাকা ও পরবর্তী পরিকল্পনা:

কৃষিমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই পঞ্চগড়ের কমলাপুর ব্লক, বগুড়ার উথলি ব্লক, ঝিনাইদহের কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুরের রাজাবাড়ি ব্লক, কক্সবাজারের রাজারছড়া ব্লক, কুমিল্লার অরণ্যপুর ব্লক এবং টাঙ্গাইল সদরসহ বেশ কিছু এলাকাকে প্রাথমিক কার্যক্রমের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল কৃষককে এই ডিজিটাল কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে।