Dhaka ০৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মোহাম্মদপুর থানার ৩ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, যে কারণ দেখানো হলো উত্তরায় বাবার সামনে থেকেই মেয়েকে অপহরণ, ৯ দিন পর মূলহোতা গ্রেফতার বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী পাংশায় পুলিশের অভিযানে দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার শৈলকুপায় প্রস্তাবিত মেডিকেল-নার্সিং কলেজের স্থান পরিদর্শনে আইনমন্ত্রী দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা বাল্যবিবাহ ঠেকালেন ইউএনও, কনের মাকে জরিমানা ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, দেশে ভরি কত? জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি, এ সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে: আইনমন্ত্রী

লঞ্চের কেবিনে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রীকে ধর্ষণ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:২০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 59

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে লঞ্চের কেবিনে আটকে রেখে দুই দফা ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ভাইয়ের দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজধানীর কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন (২৬) ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২)। বর্তমানে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ রবিবার দুপুরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী (১৭) নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ‘ফারহান-০৪’ লঞ্চে ওঠেন। তার বাবা তাকে লঞ্চের ৩২৮ নম্বর কেবিনে তুলে দিয়ে আসেন। একই লঞ্চে অভিযুক্ত সাকিব ও মিঠুও ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। লঞ্চ ছাড়ার কিছু সময় পর অভিযুক্তরা ওই শিক্ষার্থীর কেবিনের দরজায় নক করে এবং নিজেদের তার বাবার পরিচিত হিসেবে পরিচয় দেয়। এরপর নিরাপত্তার খাতিরে মোটরসাইকেল কেনার কিছু টাকা ওই শিক্ষার্থীর কেবিনে রাখার অনুরোধ করলে সরল বিশ্বাসে তিনি তাদের ভেতরে আসতে দেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, কৌশলে কেবিনে প্রবেশ করে অভিযুক্তরা শিক্ষার্থীর বেডে বসে পড়ে এবং তাকে কু-প্রস্তাব দেয়। এতে ওই শিক্ষার্থী রাজি না হলে তারা তার গলা ও মুখ চেপে ধরে। এ সময় মিঠু শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়ে কেবিন থেকে বেরিয়ে যায় এবং সাকিব দরজা বন্ধ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। শিক্ষার্থী চিৎকার করার চেষ্টা করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে রাত ৮টার দিকে সাকিব ও মিঠু পুনরায় কেবিনে প্রবেশ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে আবারও ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন, ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

লঞ্চের কেবিনে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রীকে ধর্ষণ

প্রকাশের সময় : ০৮:২০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে লঞ্চের কেবিনে আটকে রেখে দুই দফা ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ভাইয়ের দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজধানীর কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন (২৬) ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২)। বর্তমানে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ রবিবার দুপুরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী (১৭) নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ‘ফারহান-০৪’ লঞ্চে ওঠেন। তার বাবা তাকে লঞ্চের ৩২৮ নম্বর কেবিনে তুলে দিয়ে আসেন। একই লঞ্চে অভিযুক্ত সাকিব ও মিঠুও ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। লঞ্চ ছাড়ার কিছু সময় পর অভিযুক্তরা ওই শিক্ষার্থীর কেবিনের দরজায় নক করে এবং নিজেদের তার বাবার পরিচিত হিসেবে পরিচয় দেয়। এরপর নিরাপত্তার খাতিরে মোটরসাইকেল কেনার কিছু টাকা ওই শিক্ষার্থীর কেবিনে রাখার অনুরোধ করলে সরল বিশ্বাসে তিনি তাদের ভেতরে আসতে দেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, কৌশলে কেবিনে প্রবেশ করে অভিযুক্তরা শিক্ষার্থীর বেডে বসে পড়ে এবং তাকে কু-প্রস্তাব দেয়। এতে ওই শিক্ষার্থী রাজি না হলে তারা তার গলা ও মুখ চেপে ধরে। এ সময় মিঠু শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়ে কেবিন থেকে বেরিয়ে যায় এবং সাকিব দরজা বন্ধ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। শিক্ষার্থী চিৎকার করার চেষ্টা করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে রাত ৮টার দিকে সাকিব ও মিঠু পুনরায় কেবিনে প্রবেশ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে আবারও ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন, ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।