নারীর ঘরে ধরা পড়া সেই পুলিশের এএসআই বরখাস্ত
- প্রকাশের সময় : ০২:০৯:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / 191
রাজশাহীতে এক মাদককারবারির স্ত্রীর ঘরে স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়া পুলিশের এএসআই সোহেল রানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে গতকাল বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নগরের সাতবাড়িয়া মহল্লায় এক নারীর ঘরে পুলিশের এএসআই সোহেল রানাকে পেয়ে আটকে রাখেন স্থানীয়রা। এ সময় তাকে লাঠিপেটা করে থানায় খবর দেওয়া হয়।
পরে মতিহার থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এএসআই সোহেল রানা আরএমপির চন্দ্রিমা থানায় কর্মরত ছিলেন।
মতিহার থানার ওসি আবদুল মালেক বলেন, ‘রাতে ওই নারীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করে এনে এএসআই সোহেল রানাকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছিল। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজ করে। তখন তাকে চন্দ্রিমা থানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকে এএসআই সোহেল পুলিশ লাইনসে চলে যান।’
আরএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘এএসআই সোহেলকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করার পাশাপাশি সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছে। এখন তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত হবে। তারপর সে অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জানা যায়, এএসআই সোহেল রানাকে যে নারীর ঘরে পাওয়া যায়, সে নারী থাকেন তার বাবার বাড়িতে। তার স্বামী একজন মাদককারবারি। বছর দেড়েক জেল খেটে তিনি সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। স্বামী কারাগারে থাকার সময় থেকেই ওই নারী থাকেন বাবার বাড়িতে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই নারীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছিলেন এএসআই সোহেল রানা। তবে পুলিশে দেওয়ার আগে স্থানীয়দের সোহেল জানান, তিনি ‘কলমা করে’ ওই নারীকে বিয়ে করেছেন। এদিকে ওই নারী দাবি করেন, তিনি তার আগের স্বামীকে তালাক দিয়েছেন।
থানায় বিয়ের প্রসঙ্গ এড়িয়ে সোহেল রানা পুলিশকে জানান, তার তিনটি অটোরিকশা আছে। সেগুলো ওই নারীর তত্ত্বাবধানেই থাকে। মাঝে মাঝে গিয়ে তিনি ভাড়ার টাকা আনেন। ওই রাতেই ভাড়ার টাকা আনতে গিয়েছিলেন। তখন ওই নারীর স্বামীসহ স্থানীয়রা তাকে আটকে রেখে মারধর করেন।






















