Dhaka ০৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কলকাতায় হোটেলে আগুনে স্ত্রী-সন্তান-শ্বশুরসহ সাংবাদিক নিহত, বাড়ি কুষ্টিয়া কলকাতার হোটেলে নিহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত পাংশায় চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, পরিবারের দাবি ‘পরিকল্পিত হত্যা’ গোপালগঞ্জে ৬৪ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হান্নান মাসউদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট জানা গেল ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘লোয়ার ডেপথ’ নাটকের প্রদর্শনী ‘ড্রপ আউট সরোয়ার তুষার’ আমার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে: রাশেদ খাঁন কলকাতার নিউ মার্কেটের হোটেলে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৯ জাবিতে গাঁজাসহ বহিরাগত আটক, কর্মচারীদের সম্পৃক্ততার দাবি জাকসু সদস্যের

কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসি সচিবের কক্ষের সামনে হট্টগোল

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:২৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 183

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মাঠ পর্যায়ের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ড্রাইভারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কক্ষের সামনে হট্টগোল করেছেন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ড্রাইভারসহ কর্মচারীরা জড়ো হতে থাকেন।

পরে সাড়ে ১২টার দিকে মিটিং শেষে সচিব ও অতিরিক্ত সচিব এসে তাদের বিচারের আশ্বাস দিলে সেখান থেকে সবাই চলে যান।

এর আগে মঙ্গলবার ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে খুলনা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে অফিসটির গাড়ি চালক রবিন ইসলাম মদুদ লিখিত অভিযোগ করেন।

সচিবের কাছে জমা দেওয়া অভিযোগে রবিন ইসলাম মদুদ জানান, মঙ্গলবার আনুমানিক ৩টা ৩৫ মিনিটের সময় তাকে অফিস সহায়ক উশা আফরিনকে দিয়ে অফিসে ডেকে নেন হুমায়ুন কবির। ওই সময় দুজন কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা গাড়ি চালকের কাছে গাড়ির চাবি ও গাড়ি চাইলে তিনি লিখিত আকারে বুঝে নিতে বলেন। তখন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা তার দিকে তেরে আসেন। সেখানে উপস্থিত থাকা খুলনা সদর থানার নির্বাচন কর্মকর্তা মনোরঞ্জন বিশ্বাস ইশারা করে চাবি দিয়ে দিতে বলেন। তখন তিনি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে চাবি দিয়ে দেন।

তখন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা চাবি নিয়ে উত্তেজিত হয়ে তার মুখের উভয় পাশে এলোপাতাড়ি চড় ও ঘুষি মারেন। এ সময় পায়ের স্যান্ডেল দিয়ে মাথায়ও বাড়ি মারেন। মনোরঞ্জন বিশ্বাস তার হাত ধরে ঠেকাতে গেলে মনোরঞ্জন বিশ্বাসের উপরও চড়াও হন এবং তাকেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

অভিযোগে তিনি আরও বলেন, পরে দরজা খুলে বের হতে গেলে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এতে আঘাত পেয়ে দাঁত ভেঙে যায়। তখন রুমে থাকা উচ্চমান সহকারী অভিনাশ কুমার শার্ট লিপিকার শহিদুল ইসলাম রুমে ঢুকেন। আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা তাদের সামনে গালিগালাজ করেন। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।

পরবর্তীতে অফিসে গেলে বদলির চিঠি ও অবমুক্তের আদেশ দেওয়া হয়। লিখিত অভিযোগে তিনি সুবিচারের দাবি করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসি সচিবের কক্ষের সামনে হট্টগোল

প্রকাশের সময় : ০৪:২৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মাঠ পর্যায়ের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ড্রাইভারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কক্ষের সামনে হট্টগোল করেছেন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ড্রাইভারসহ কর্মচারীরা জড়ো হতে থাকেন।

পরে সাড়ে ১২টার দিকে মিটিং শেষে সচিব ও অতিরিক্ত সচিব এসে তাদের বিচারের আশ্বাস দিলে সেখান থেকে সবাই চলে যান।

এর আগে মঙ্গলবার ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের কাছে খুলনা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে অফিসটির গাড়ি চালক রবিন ইসলাম মদুদ লিখিত অভিযোগ করেন।

সচিবের কাছে জমা দেওয়া অভিযোগে রবিন ইসলাম মদুদ জানান, মঙ্গলবার আনুমানিক ৩টা ৩৫ মিনিটের সময় তাকে অফিস সহায়ক উশা আফরিনকে দিয়ে অফিসে ডেকে নেন হুমায়ুন কবির। ওই সময় দুজন কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা গাড়ি চালকের কাছে গাড়ির চাবি ও গাড়ি চাইলে তিনি লিখিত আকারে বুঝে নিতে বলেন। তখন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা তার দিকে তেরে আসেন। সেখানে উপস্থিত থাকা খুলনা সদর থানার নির্বাচন কর্মকর্তা মনোরঞ্জন বিশ্বাস ইশারা করে চাবি দিয়ে দিতে বলেন। তখন তিনি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে চাবি দিয়ে দেন।

তখন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা চাবি নিয়ে উত্তেজিত হয়ে তার মুখের উভয় পাশে এলোপাতাড়ি চড় ও ঘুষি মারেন। এ সময় পায়ের স্যান্ডেল দিয়ে মাথায়ও বাড়ি মারেন। মনোরঞ্জন বিশ্বাস তার হাত ধরে ঠেকাতে গেলে মনোরঞ্জন বিশ্বাসের উপরও চড়াও হন এবং তাকেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

অভিযোগে তিনি আরও বলেন, পরে দরজা খুলে বের হতে গেলে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এতে আঘাত পেয়ে দাঁত ভেঙে যায়। তখন রুমে থাকা উচ্চমান সহকারী অভিনাশ কুমার শার্ট লিপিকার শহিদুল ইসলাম রুমে ঢুকেন। আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা তাদের সামনে গালিগালাজ করেন। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।

পরবর্তীতে অফিসে গেলে বদলির চিঠি ও অবমুক্তের আদেশ দেওয়া হয়। লিখিত অভিযোগে তিনি সুবিচারের দাবি করেন।