Dhaka ০৪:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল রেসে তরুণের মৃত্যু, লাশ ফেলে পালাল বন্ধুরা মধুখালীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার বালিয়াকান্দি প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিক, সাধারণ সম্পাদক লিটন নওগাঁর নাসরিন সিদ্দিকী বালিকা বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ অবস্থা, খোলা মাঠেই চলছে পাঠদান কালীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান র‍্যালি অনুষ্ঠিত নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : রিজভী সার নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই, মজুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে: ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বাধ্য হয়ে জনগণের অধিকার আদায়ে রাজপথে নেমেছি : শফিকুর রহমান

চলচ্চিত্রের কয়েকজন ছাড়া সবাই দুরবস্থার মধ্যে আছেন: ববিতা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:২৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / 141

বাংলাদেশের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার পপি ববিতা জানিয়েছেন, বর্তমানে চলচ্চিত্র অঙ্গনের অধিকাংশ মানুষ দুরবস্থার মধ্যে আছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চলচ্চিত্রের মানুষের সঙ্গে বর্তমানে আমার তেমন যোগাযোগ হয় না। তবে অনুমান করতে পারি, কয়েকজন ছাড়া সবাই আজ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

ববিতা উল্লেখ করেন, একসময় দেশে সিনেমা হলের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

কিন্তু ২০০০ সালের পর থেকে হলের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। বর্তমানে কতটি সিনেমা হল টিকে আছে, তা হল মালিকরাই ভালো জানেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমার কাছে মাঝেমধ্যে দু-একটি ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব আসে। কিন্তু সেগুলোর গল্প শুনে আর অভিনয়ের ইচ্ছা হয় না।

বিশ্বের অন্যান্য দেশে সিনিয়রদের কেন্দ্র করে সিনেমা নির্মাণ করা হয় এবং সেগুলো ভালোই চলে। কিন্তু আমাদের দেশে এমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না।
চলচ্চিত্রের সাম্প্রতিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত আমাদের মধ্যে একতাই তৈরি হয়নি। সবাই যার যার মতো ছবি নির্মাণ করছেন।

কিছু ছবি সফল হলেও বেশিরভাগই ব্যর্থ হচ্ছে।

ববিতা স্মরণ করেন, তাদের সময়ে জহির রায়হান, আমজাদ হোসেন, নারায়ণ ঘোষ মিতা এবং সুভাষ দত্তের মতো মেধাবী নির্মাতারা ছিলেন, যারা চলচ্চিত্রে সোনালি অধ্যায় রচনা করেছিলেন। তিনি বলেন, এখন সেই ধরনের মেধাবী নির্মাতা কোথায়? শাকিব খানের পর এমন আর একজন তারকার নাম বলুন, যার স্টারডমে মানুষ সিনেমা দেখতে যাবে।

তিনি মনে করেন, বর্তমান চলচ্চিত্রের এই ভগ্নদশা এক দিনে হয়নি। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা প্রথম থেকেই সচেতন না থাকার ফলেই আজকের এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

তবে ববিতা আশাবাদী, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ঘুরে দাঁড়াবে এবং সুদিন ফিরে আসবে। তিনি বলেন, জানি না, আমি সেই সুদিন দেখে যেতে পারব কি না, তবে আমার বিশ্বাস, ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকেই নতুন করে সব শুরু হবে।

চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এটি এক ধরনের আশার বাণী, যা হয়তো চলচ্চিত্রের নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে পারে।

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

চলচ্চিত্রের কয়েকজন ছাড়া সবাই দুরবস্থার মধ্যে আছেন: ববিতা

প্রকাশের সময় : ১২:২৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার পপি ববিতা জানিয়েছেন, বর্তমানে চলচ্চিত্র অঙ্গনের অধিকাংশ মানুষ দুরবস্থার মধ্যে আছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চলচ্চিত্রের মানুষের সঙ্গে বর্তমানে আমার তেমন যোগাযোগ হয় না। তবে অনুমান করতে পারি, কয়েকজন ছাড়া সবাই আজ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

ববিতা উল্লেখ করেন, একসময় দেশে সিনেমা হলের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

কিন্তু ২০০০ সালের পর থেকে হলের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। বর্তমানে কতটি সিনেমা হল টিকে আছে, তা হল মালিকরাই ভালো জানেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আমার কাছে মাঝেমধ্যে দু-একটি ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব আসে। কিন্তু সেগুলোর গল্প শুনে আর অভিনয়ের ইচ্ছা হয় না।

বিশ্বের অন্যান্য দেশে সিনিয়রদের কেন্দ্র করে সিনেমা নির্মাণ করা হয় এবং সেগুলো ভালোই চলে। কিন্তু আমাদের দেশে এমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না।
চলচ্চিত্রের সাম্প্রতিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত আমাদের মধ্যে একতাই তৈরি হয়নি। সবাই যার যার মতো ছবি নির্মাণ করছেন।

কিছু ছবি সফল হলেও বেশিরভাগই ব্যর্থ হচ্ছে।

ববিতা স্মরণ করেন, তাদের সময়ে জহির রায়হান, আমজাদ হোসেন, নারায়ণ ঘোষ মিতা এবং সুভাষ দত্তের মতো মেধাবী নির্মাতারা ছিলেন, যারা চলচ্চিত্রে সোনালি অধ্যায় রচনা করেছিলেন। তিনি বলেন, এখন সেই ধরনের মেধাবী নির্মাতা কোথায়? শাকিব খানের পর এমন আর একজন তারকার নাম বলুন, যার স্টারডমে মানুষ সিনেমা দেখতে যাবে।

তিনি মনে করেন, বর্তমান চলচ্চিত্রের এই ভগ্নদশা এক দিনে হয়নি। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা প্রথম থেকেই সচেতন না থাকার ফলেই আজকের এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

তবে ববিতা আশাবাদী, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ঘুরে দাঁড়াবে এবং সুদিন ফিরে আসবে। তিনি বলেন, জানি না, আমি সেই সুদিন দেখে যেতে পারব কি না, তবে আমার বিশ্বাস, ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকেই নতুন করে সব শুরু হবে।

চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য এটি এক ধরনের আশার বাণী, যা হয়তো চলচ্চিত্রের নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে পারে।