Dhaka ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ী জেলা বার নির্বাচন : সভাপতি সা. সম্পাদক ছাড়া অন্য পদগুলোতে ব্যবধান অনেক

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • / 344

জনতার আদালত অনলাইন অসাধারণ চমক দেখিয়েছে সাধারণ আইনজীবী পরিষদ। রাজবাড়ী জেলা বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে মোস্তফা-বাচ্চু-বিজন পরিষদ পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করেছে।

ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সভাপতি সম্পাদক ছাড়া আর কোনো পদেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি অন্য দুটি প্যানেলের কেউ। সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে জয় পরাজয়ের ব্যবধান মাত্র ছয় ভোট। বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম শুধুমাত্র সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পেরেছে। অন্য পদগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিল বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ।

সভাপতি পদে এটিএম মোস্তফা মিঠু ৮২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। এ পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭৬ এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মোসলেম উদ্দিন পেয়েছেন ৪০ ভোট।

৯৩ ভোট পেয়ে সহ সভাপতি পদে হাবিবুর রহমান বাচ্চু জয়লাভ করেছেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রার্থী আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন ৫২ এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাইফুজ্জামান পেয়েছেন ৪৪ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে বিজন কুমার বোস ৭৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রার্থী নিরঞ্জন কুমার বাড়ৈ পেয়েছেন ৪৬ এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন ৭২ ভোট।

দুটি যুগ্ম সম্পাদক পদে জহুরুল হক ৮৭ ও তসলিম আহমেদ তপন ৮৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের আশরাফুল ইসলাম আশা৬৯, গৌতম কুমার বসু ৫৩, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের রহিমা খাতুন লিলি ৪৮ এবং আসাদুজ্জামান ৩৩ ভোট পেয়েছেন।

ক্রীড়া সাংস্কৃতি সম্পাদক পদে বিপ্লব কুমার রায় ৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের জাহিদ হোসেন ৫৭ এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মাজেদুর রহমান ৪৩ ভোট পেয়েছেন।

কার্যনির্বাহী সদস্যরা পদে সর্বোচ্চ সংখ্যক ১০৬ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন অভিজিৎ সোম অভি। এছাড়া মনোয়ারা খাতুন ৯১, রেহেনাজ পারভীন সালমা ৯০, আল আমিন মিয়া ৬৯ এবং রফিকুল ইসলাম ৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এই পদে অনুপ কুমার দাস ৬৭ ভোট পেয়েছিলেন। লটারীতে রফিকুল ইসলাম বিজয়ী হন।

কার্যনির্বাহী সদস্য পদে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী হেদায়েতউল্লাহ মিয়া ৩১, আবুল বাশার শরীফ ৬৫, আরিফ উদ্দিন দিপু ৪২, আজিজুল ইসলাম ৫৪, নাজিরুল ইসলাম ৫৪, তুহিন শেখ ৬৫, ছানোয়ার হোসেন ৬৬, মাহফুজুর রহমান ৪৫ এবং শহিদুল ইসলাম ৩৫ ভোট পেয়েছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ী জেলা বার নির্বাচন : সভাপতি সা. সম্পাদক ছাড়া অন্য পদগুলোতে ব্যবধান অনেক

প্রকাশের সময় : ১২:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

জনতার আদালত অনলাইন অসাধারণ চমক দেখিয়েছে সাধারণ আইনজীবী পরিষদ। রাজবাড়ী জেলা বার এসোসিয়েশন নির্বাচনে মোস্তফা-বাচ্চু-বিজন পরিষদ পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করেছে।

ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সভাপতি সম্পাদক ছাড়া আর কোনো পদেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি অন্য দুটি প্যানেলের কেউ। সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে জয় পরাজয়ের ব্যবধান মাত্র ছয় ভোট। বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম শুধুমাত্র সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পেরেছে। অন্য পদগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিল বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ।

সভাপতি পদে এটিএম মোস্তফা মিঠু ৮২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। এ পদে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭৬ এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মোসলেম উদ্দিন পেয়েছেন ৪০ ভোট।

৯৩ ভোট পেয়ে সহ সভাপতি পদে হাবিবুর রহমান বাচ্চু জয়লাভ করেছেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রার্থী আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন ৫২ এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাইফুজ্জামান পেয়েছেন ৪৪ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে বিজন কুমার বোস ৭৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রার্থী নিরঞ্জন কুমার বাড়ৈ পেয়েছেন ৪৬ এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন ৭২ ভোট।

দুটি যুগ্ম সম্পাদক পদে জহুরুল হক ৮৭ ও তসলিম আহমেদ তপন ৮৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের আশরাফুল ইসলাম আশা৬৯, গৌতম কুমার বসু ৫৩, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের রহিমা খাতুন লিলি ৪৮ এবং আসাদুজ্জামান ৩৩ ভোট পেয়েছেন।

ক্রীড়া সাংস্কৃতি সম্পাদক পদে বিপ্লব কুমার রায় ৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের জাহিদ হোসেন ৫৭ এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মাজেদুর রহমান ৪৩ ভোট পেয়েছেন।

কার্যনির্বাহী সদস্যরা পদে সর্বোচ্চ সংখ্যক ১০৬ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন অভিজিৎ সোম অভি। এছাড়া মনোয়ারা খাতুন ৯১, রেহেনাজ পারভীন সালমা ৯০, আল আমিন মিয়া ৬৯ এবং রফিকুল ইসলাম ৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এই পদে অনুপ কুমার দাস ৬৭ ভোট পেয়েছিলেন। লটারীতে রফিকুল ইসলাম বিজয়ী হন।

কার্যনির্বাহী সদস্য পদে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী হেদায়েতউল্লাহ মিয়া ৩১, আবুল বাশার শরীফ ৬৫, আরিফ উদ্দিন দিপু ৪২, আজিজুল ইসলাম ৫৪, নাজিরুল ইসলাম ৫৪, তুহিন শেখ ৬৫, ছানোয়ার হোসেন ৬৬, মাহফুজুর রহমান ৪৫ এবং শহিদুল ইসলাম ৩৫ ভোট পেয়েছেন।