পদ্মায় নিখোঁজ বাবার পথ চেয়ে তিন কন্যা
- প্রকাশের সময় : ০৮:০৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মে ২০২১
- / 353
জনতার আদালত অনলাইন : পদ্মায় নিখোঁজ মাইক্রোবাস চালক মারুফের পরিবারে রয়েছে তিনটি কন্যা সন্তান, স্ত্রী,ভাইসহ অন্যান্য সদস্যরা। ঘটনার দিন মঙ্গলবার ওই রাতেই ঢাকা হতে দৌলতদিয়া ঘাটে ছুটে আসেন নিখোঁজ চালকের বড় ভাই ফারুক চৌধুরী, সেজ ভাই শাহিন চৌধুরী, ভাতিজা রিপন চৌধুরী, শ্যালক হুমায়ুন কবির, ইকবাল হোসেন খোকন,ভাস্তি জামাই নিজাম হোসেন ও বেয়াই শেখ বাচ্চু।
বুধবার দুপুরে ৫ নং ফেরি ঘাটে নিখোঁজ চালক মারুফের সন্ধানে অপেক্ষায় রয়েছে তার স্বজনেরা। সে সময় কথা হয় মারুফের শ্যালক হুমায়ুন কবিরের সাথে।
তিনি জানান, ২৪ ঘন্টা হয়ে গেলো এখনো মারুফের কোন সন্ধান নেই। জীবিত আছে না মারা গেছে সেটাও জানি না। জীবিত থাকলে মারুফ ভাইয়ের সন্ধান চাই। আর মারা গেলে তার লাশ চাই। আমরা আর পারছি না। মারুফ ভাইয়ের তিন মেয়ে অথাৎ আমার ভাগনিরা বার বার ফোন করে তাদের বাবার খবর নিচ্ছে আর বলছে মামা, তোমরা আমাদের বাবাকে ছাড়া বাসায় ফিরবা না। এখন আমরা কি করবো ভাই। গত রাত থেকে ঘাটেই রয়েছি কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের কোনো উদ্ধার তৎপরতা দেখছি না। এভাবেই আবেগাপ্লুত কন্ঠে জানান তিনি।
এবিষয়ে দৌলতদিয়া নৌ- পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ আব্দুল মোন্নাফ আলী জানান, ঘটনার পর থেকেই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ডুবে যাওয়া মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করতে পারলেও চালক মারুফ একনো নিখোঁজ রয়েছে। তাকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে ।
উল্লেখ্য,গত মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে ঘাট এলাকায় ঝড় শুরু হয়। এতে পল্টুন বেধে রাখা দড়ি ছিড়ে পল্টুন ঘাট থেকে একটু দূরে চলে যায়। এসময় পল্টুনে থাকা মাইক্রবাসটি নদীতে পরে সাথে সাথেই ডুবে যায়। সে সময় গাড়িতে থাকা চালক গাড়ি থেকে বেড় হওয়ার চেষ্টা করে। কিছু সময়ের মধ্যেই গাড়িটি চালকসহ ডুবে যায় তিনি।
পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুই ঘন্টা উদ্ধার চালিয়ে ডুবে যাওয়া নোহা গাড়ি ঢাকা মেট্রো চ- ১৪-২৬০৮ নাম্বারের গাড়িটি উদ্ধার করে।























