Dhaka ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সংসদের অধিবেশন বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মুলতবি লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত পাংশা : চাহিদার তুলনায় মিলছে অর্ধেকেরও বিদ্যুৎ সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় নেয়া হলো মির্জা আব্বাসকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কড়াইলে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ রাতে চীন সফরে যাচ্ছে বিএনপির প্রতিনিধিদল, ১৯ এপ্রিল যাবেন মির্জা ফখরুল তেহরানে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান : ওয়াশিংটনের বার্তা হাতে পরবর্তী আলোচনার ভাগ্য নির্ধারণে ইরান আবারো সক্রিয় তেহরান-ওয়াশিংটন বার্তা বিনিময় : নেপথ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা সেনাপ্রধানের সাথে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ টাইমের ২০২৬ সালের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান বনানীতে বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

রাজবাড়ীতে বানভাসি মানুষ এখন দিশেহারা

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০
  • / 583

জনতার আদালত অনলাইন ॥ প্রতিদিনই পানি বৃদ্ধির কারণে রাজবাড়ী জেলার বানভাসি মানুষ এখন দিশেহারা।  জেলার চার উপজেলার  ১৩ ইউনিয়নের ৬৫ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সদর উপজেলার মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে তিন সে.মি বেড়ে বিপদসীমার ৫০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে পাঁচ সে.মি বেড়ে প্রবাহিত হচ্ছে ৯৫ সে.মি উপর দিয়ে এবং দৌলতদিয়া পয়েন্টে এক সে.মি বেড়ে বিপদসীম্রা  ১১৯ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিন পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। তলিয়ে যাচ্ছে ক্ষেতের ফসল। টিউবয়েল ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটও তীব্র হয়েছে। বন্যা উপদ্রুত এলাকায় বিষধর সাপের আনাগোনাও বেড়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই এখনও ত্রাণ সহায়তা পাননি বলে জানা গেছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে ত্রাণ সহায়তার আওতায় আনা হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীতে বানভাসি মানুষ এখন দিশেহারা

প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০

জনতার আদালত অনলাইন ॥ প্রতিদিনই পানি বৃদ্ধির কারণে রাজবাড়ী জেলার বানভাসি মানুষ এখন দিশেহারা।  জেলার চার উপজেলার  ১৩ ইউনিয়নের ৬৫ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সদর উপজেলার মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে তিন সে.মি বেড়ে বিপদসীমার ৫০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে পাঁচ সে.মি বেড়ে প্রবাহিত হচ্ছে ৯৫ সে.মি উপর দিয়ে এবং দৌলতদিয়া পয়েন্টে এক সে.মি বেড়ে বিপদসীম্রা  ১১৯ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিন পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। তলিয়ে যাচ্ছে ক্ষেতের ফসল। টিউবয়েল ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটও তীব্র হয়েছে। বন্যা উপদ্রুত এলাকায় বিষধর সাপের আনাগোনাও বেড়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই এখনও ত্রাণ সহায়তা পাননি বলে জানা গেছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে ত্রাণ সহায়তার আওতায় আনা হবে।