Dhaka ০৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বালিয়াকান্দিতে এসিআর স্বাক্ষর না করায় শিক্ষা কর্মকর্তা অবরুদ্ধ ‘ডিবি’ হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে দুদক দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু ১২ সেপ্টেম্বর ছয় মাসে রেলওয়ের আয় বেড়েছে ২২৫ কোটি টাকা : রেলমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরো ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৬৩ শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ আইন নির্ধারণ করবে : আইনমন্ত্রী ভোলাতে গড়ে তোলা হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানা : সংসদে প্রধানমন্ত্রী রাজবাড়ীর পাংশায় দুই হত্যা মামলার আসামি অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার দাপ্তরিক নথিতে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহার না করার নির্দেশ মান্দায় ২৫০ লিটার ওয়াশ চোলাই মদসহ যুবক গ্রেফতার

রাজবাড়ীতে বানভাসি মানুষ এখন দিশেহারা

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০
  • / 638

জনতার আদালত অনলাইন ॥ প্রতিদিনই পানি বৃদ্ধির কারণে রাজবাড়ী জেলার বানভাসি মানুষ এখন দিশেহারা।  জেলার চার উপজেলার  ১৩ ইউনিয়নের ৬৫ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সদর উপজেলার মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে তিন সে.মি বেড়ে বিপদসীমার ৫০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে পাঁচ সে.মি বেড়ে প্রবাহিত হচ্ছে ৯৫ সে.মি উপর দিয়ে এবং দৌলতদিয়া পয়েন্টে এক সে.মি বেড়ে বিপদসীম্রা  ১১৯ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিন পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। তলিয়ে যাচ্ছে ক্ষেতের ফসল। টিউবয়েল ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটও তীব্র হয়েছে। বন্যা উপদ্রুত এলাকায় বিষধর সাপের আনাগোনাও বেড়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই এখনও ত্রাণ সহায়তা পাননি বলে জানা গেছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে ত্রাণ সহায়তার আওতায় আনা হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীতে বানভাসি মানুষ এখন দিশেহারা

প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২০

জনতার আদালত অনলাইন ॥ প্রতিদিনই পানি বৃদ্ধির কারণে রাজবাড়ী জেলার বানভাসি মানুষ এখন দিশেহারা।  জেলার চার উপজেলার  ১৩ ইউনিয়নের ৬৫ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সদর উপজেলার মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে তিন সে.মি বেড়ে বিপদসীমার ৫০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে পাঁচ সে.মি বেড়ে প্রবাহিত হচ্ছে ৯৫ সে.মি উপর দিয়ে এবং দৌলতদিয়া পয়েন্টে এক সে.মি বেড়ে বিপদসীম্রা  ১১৯ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিন পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। তলিয়ে যাচ্ছে ক্ষেতের ফসল। টিউবয়েল ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটও তীব্র হয়েছে। বন্যা উপদ্রুত এলাকায় বিষধর সাপের আনাগোনাও বেড়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই এখনও ত্রাণ সহায়তা পাননি বলে জানা গেছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে ত্রাণ সহায়তার আওতায় আনা হবে।