শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
রহস্যময় প্রেমিককে নিয়ে পার্টিতে হাজির মালাইকা, কে এই হর্ষ মেহতা আজ টিভিতে যা দেখবেন (৭ নভেম্বর ২০২৬) ১ লাখ ডলারের বেশি বিদেশি বিনিয়োগ পেল বাংলাদেশি ব্লু-টেক স্টার্টআপ সিকুয়া শাহরুখ খান: প্রেম নয়, পুরুষের চোখের জলও সুন্দর হতে পারে হাসান ইতিহাস গড়ার পর বাংলাদেশের ৩ উইকেট হারানোর অস্বস্তি তাসকিন-হাসানের ঝাঁজের পর তিন পেসার না খেলানোর আক্ষেপ বিয়ে ঘিরে ট্রল, রাশমিকাকে নিয়ে সুখে আছেন জানালেন বিজয় এআই প্রযুক্তির সুফল পেতে কিছু ঝুঁকি মেনে নেওয়া যায়: স্যাম অল্টম্যান রিয়ালকে জেতালেন ভালভার্দে, ফেনারবাচের কাছে হেরে গেল লিভারপুল মান্না ও নিশোর ‘খলনায়ক’, ৩০ বছরের ব্যবধানে একই নামে সিনেমার দুই প্রজন্ম

পাল্টা আক্রমণে ইরান : বাহরাইন-কুয়েতে অবস্থিত ৮৫ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:২৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • / 72

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে এখন বড় ধরনের সংঘাত শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার জবাবে এবার পাল্টা আঘাত হেনেছে ইরান। বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় একযোগে বিশাল হামলা চালিয়েছে তারা।

ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের নৌ এবং বিমান বাহিনী যৌথভাবে এই অপারেশন চালিয়েছে। এই হামলায় প্রচুর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। আইআরজিসি বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে সুনির্দিষ্ট আঘাত হানার দাবি করেছে।

ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি তাদের ‘প্রাথমিক জবাব’। এর আগে ইরানের হরমুজগন ও মাহশাহর এলাকার উপকূলীয় ঘাঁটি এবং বেসামরিক স্টেশনে বিমান হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ইরান এই হামলাকে যুদ্ধবিরতি ও ইসলামাবাদ চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। এছাড়া ইরানের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানকে আড়াল করতেই ওয়াশিংটন এই সময়টি বেছে নিয়েছে বলে দাবি আইআরজিসির।

এদিকে ইরানের বুশেহর প্রদেশের খোরমুজ এলাকার আকাশে একটি অত্যাধুনিক মার্কিন ‘এমকিউ-৯’ ড্রোন গুলি করে নামানোর দাবি করেছে ইরান। আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেন মহবি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমা লঙ্ঘনের জবাবেই ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়।

মার্কিন নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হার্লান উলম্যান আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি খুবই আশঙ্কাজনক। যেকোনো সময় এটি পুরো অঞ্চলে একটি বড় যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। তবে একটি বড় আঞ্চলিক যুদ্ধ কোনো পক্ষের জন্যই ভালো হবে না। তাই পরিস্থিতি শান্ত রাখা দুই দেশের স্বার্থেরই অনুকূল।

উল্লেখ্য, গত ১৮ জুন দুই দেশ যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে সই করেছিল। কিন্তু মাত্র ২০ দিনের মাথায় হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার ইরানে প্রথম হামলা চালায় আমেরিকা। সেই হামলার পরই ইরান এই ভয়াবহ পাল্টা জবাব দিল।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পাল্টা আক্রমণে ইরান : বাহরাইন-কুয়েতে অবস্থিত ৮৫ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা

প্রকাশের সময় : ১০:২৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে এখন বড় ধরনের সংঘাত শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার জবাবে এবার পাল্টা আঘাত হেনেছে ইরান। বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় একযোগে বিশাল হামলা চালিয়েছে তারা।

ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের নৌ এবং বিমান বাহিনী যৌথভাবে এই অপারেশন চালিয়েছে। এই হামলায় প্রচুর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। আইআরজিসি বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে সুনির্দিষ্ট আঘাত হানার দাবি করেছে।

ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি তাদের ‘প্রাথমিক জবাব’। এর আগে ইরানের হরমুজগন ও মাহশাহর এলাকার উপকূলীয় ঘাঁটি এবং বেসামরিক স্টেশনে বিমান হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ইরান এই হামলাকে যুদ্ধবিরতি ও ইসলামাবাদ চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। এছাড়া ইরানের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানকে আড়াল করতেই ওয়াশিংটন এই সময়টি বেছে নিয়েছে বলে দাবি আইআরজিসির।

এদিকে ইরানের বুশেহর প্রদেশের খোরমুজ এলাকার আকাশে একটি অত্যাধুনিক মার্কিন ‘এমকিউ-৯’ ড্রোন গুলি করে নামানোর দাবি করেছে ইরান। আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেন মহবি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমা লঙ্ঘনের জবাবেই ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়।

মার্কিন নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হার্লান উলম্যান আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি খুবই আশঙ্কাজনক। যেকোনো সময় এটি পুরো অঞ্চলে একটি বড় যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। তবে একটি বড় আঞ্চলিক যুদ্ধ কোনো পক্ষের জন্যই ভালো হবে না। তাই পরিস্থিতি শান্ত রাখা দুই দেশের স্বার্থেরই অনুকূল।

উল্লেখ্য, গত ১৮ জুন দুই দেশ যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে সই করেছিল। কিন্তু মাত্র ২০ দিনের মাথায় হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার ইরানে প্রথম হামলা চালায় আমেরিকা। সেই হামলার পরই ইরান এই ভয়াবহ পাল্টা জবাব দিল।