Dhaka ০২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
চীন-ভারত-জাপানসহ এশিয়ার বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী সাবেক এমপি নাইমুজ্জামান মুক্তা গ্রেফতার ৪৯তম বিসিএস থেকে আরও ৪০ জনকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ শিশু অধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয়, সৌদিতে সেনা পাঠাবে পাকিস্তান ও তুরস্ক বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে

কালুখালীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

ইমরান খান
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • / 117

‘উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় ‘জাতীয় পল্লীউন্নয়ন দিবস–২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও বিআরডিবির আয়োজনে দিবসটি পালিত হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টায় কালুখালী উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। ​

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহউদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,কালুখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামস সাদাত মাহমুদ উল্লাহ্।

এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ, অন্যদের মধ্যে ছিলেন কালুখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম রতন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তা বুশরা বিনতে জাফর, ই উ সি সি এ লি: সভাপতি (বিআরডিবি) মোহাম্মদ আবু সাঈদ খান, উপজেলা সহকারী সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল জব্বার, উপজেলা বিএনপির নেতা আজমীর হোসেন খান,মাজবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়নের জুনিয়র অফিসার আকমল হোসেন প্রমুখ।

এ সময় উপজেলার সকল দপ্তরের প্রধানগণ ও উপজেলার সকল সুফলভোগীরা ও সমিতির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সমিতির সদস্যের মাঝে চেক ও বিভিন্ন জাতের ফলজগাছের চারা বিতরণ করা হয়।

“পল্লীর উন্নয়নই দেশের উন্নয়নের ভিত্তি।” টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মনির্ভরশীলতা এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এ ধরনের উদ্যোগ অনন্য ভূমিকা রাখবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।

​গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর গ্রাম গঠনে সকলে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে কাজ করবে।
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করেন। কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প এবং গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ফলে টেকসই জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পল্লী উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, ডিজিটাল সেবার বিস্তার, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ পল্লী উন্নয়ন অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং দারিদ্র্য হ্রাসে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গ্রাম ও শহরের বৈষম্য কমিয়ে সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ, প্রযুক্তি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারলেই একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কালুখালীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

প্রকাশের সময় : ০১:৩১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

‘উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় ‘জাতীয় পল্লীউন্নয়ন দিবস–২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও বিআরডিবির আয়োজনে দিবসটি পালিত হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টায় কালুখালী উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। ​

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালুখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহউদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,কালুখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামস সাদাত মাহমুদ উল্লাহ্।

এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ, অন্যদের মধ্যে ছিলেন কালুখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম রতন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তা বুশরা বিনতে জাফর, ই উ সি সি এ লি: সভাপতি (বিআরডিবি) মোহাম্মদ আবু সাঈদ খান, উপজেলা সহকারী সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল জব্বার, উপজেলা বিএনপির নেতা আজমীর হোসেন খান,মাজবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, উপজেলা পল্লী উন্নয়নের জুনিয়র অফিসার আকমল হোসেন প্রমুখ।

এ সময় উপজেলার সকল দপ্তরের প্রধানগণ ও উপজেলার সকল সুফলভোগীরা ও সমিতির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সমিতির সদস্যের মাঝে চেক ও বিভিন্ন জাতের ফলজগাছের চারা বিতরণ করা হয়।

“পল্লীর উন্নয়নই দেশের উন্নয়নের ভিত্তি।” টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আত্মনির্ভরশীলতা এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এ ধরনের উদ্যোগ অনন্য ভূমিকা রাখবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।

​গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর গ্রাম গঠনে সকলে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে কাজ করবে।
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করেন। কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প এবং গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ফলে টেকসই জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পল্লী উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, ডিজিটাল সেবার বিস্তার, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ পল্লী উন্নয়ন অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং দারিদ্র্য হ্রাসে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গ্রাম ও শহরের বৈষম্য কমিয়ে সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ, প্রযুক্তি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারলেই একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।