Dhaka ১২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালুখালীর মদাপুরে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতিই গড়ে তুলতে পারে শক্তিশালী বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী হুথিদের বিরুদ্ধে বিশাল হামলা শুরু করতে যাচ্ছে সৌদি ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ কী আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানছেন রোনালদো: পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যমের দাবি মাদকবিরোধী বার্তায় বালিয়াকান্দীতে বিবাহিত-অবিবাহিতদের ফুটবল লড়াই বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধে নারী আহত, দেবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ লন্ডনে বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি : ইন্টারনেট বন্ধ, আটক সাতশ’র বেশি

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর রায় যেকোনো দিন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:১৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / 103

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে করা মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। আদালত জানান, এখন যে কোনো দিন এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে প্ররোচনা ও উসকানি দিয়েছেন হাসানুল হক ইনু। তাদের দাবি, ইনুর প্ররোচনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং তা বাস্তবায়ন হয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের শীর্ষ নেতা হিসেবে তার ওপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়ও বর্তায় বলে রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করে।

রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে আরও দাবি করে যে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ইনুর টেলিফোন কথোপকথনের রেকর্ডে আন্দোলনকে ‘জঙ্গিবাদ’ আখ্যা দিয়ে দমন করার প্রসঙ্গ রয়েছে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলে, টেলিফোন কথোপকথনের কোথাও আন্দোলন দমনে গুলি, বোমা হামলা বা নির্যাতনের কোনো নির্দেশনা বা উসকানি নেই। তাদের দাবি, রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত নথিতেও এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যা ইনুর বিরুদ্ধে উসকানি বা ষড়যন্ত্রের অভিযোগকে সমর্থন করে।

মামলায় গত বছরের ১ ডিসেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন আটটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করে এবং সেদিনই আদালত ইনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়।

২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট ইনুকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জুলাই আন্দোলনে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি জোটের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে নিজ আসনে পরাজিত হন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর রায় যেকোনো দিন

প্রকাশের সময় : ০২:১৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে করা মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ যুক্তিতর্ক শেষে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। আদালত জানান, এখন যে কোনো দিন এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে প্ররোচনা ও উসকানি দিয়েছেন হাসানুল হক ইনু। তাদের দাবি, ইনুর প্ররোচনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং তা বাস্তবায়ন হয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের শীর্ষ নেতা হিসেবে তার ওপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়ও বর্তায় বলে রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করে।

রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে আরও দাবি করে যে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ইনুর টেলিফোন কথোপকথনের রেকর্ডে আন্দোলনকে ‘জঙ্গিবাদ’ আখ্যা দিয়ে দমন করার প্রসঙ্গ রয়েছে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলে, টেলিফোন কথোপকথনের কোথাও আন্দোলন দমনে গুলি, বোমা হামলা বা নির্যাতনের কোনো নির্দেশনা বা উসকানি নেই। তাদের দাবি, রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত নথিতেও এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যা ইনুর বিরুদ্ধে উসকানি বা ষড়যন্ত্রের অভিযোগকে সমর্থন করে।

মামলায় গত বছরের ১ ডিসেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন আটটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করে এবং সেদিনই আদালত ইনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়।

২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট ইনুকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জুলাই আন্দোলনে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি জোটের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে নিজ আসনে পরাজিত হন।