Dhaka ০২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
চীন-ভারত-জাপানসহ এশিয়ার বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী সাবেক এমপি নাইমুজ্জামান মুক্তা গ্রেফতার ৪৯তম বিসিএস থেকে আরও ৪০ জনকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ শিশু অধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি সক্রিয়, সৌদিতে সেনা পাঠাবে পাকিস্তান ও তুরস্ক বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে

বাংলা নববর্ষ এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা: তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:০০:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 113

তারেক রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। এই দিনটি প্রতি বছর নতুনের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে এবং পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলা ১৪৩৩ সনকে স্বাগত জানান।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ এ উৎসবের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বৈশাখি মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো আয়োজন আমাদের ঐক্যবোধকে শক্তিশালী করে এবং সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে। বাংলা নববর্ষ নতুন আশা ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে, যা মানুষের জীবনে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সহনশীলতা, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। নতুন বছরে সংকীর্ণতা পরিহার করে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

শেষে তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বাংলা নববর্ষ এনেছে নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা: তারেক রহমান

প্রকাশের সময় : ১০:০০:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

তারেক রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। এই দিনটি প্রতি বছর নতুনের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে এবং পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলা ১৪৩৩ সনকে স্বাগত জানান।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ এ উৎসবের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বৈশাখি মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো আয়োজন আমাদের ঐক্যবোধকে শক্তিশালী করে এবং সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে। বাংলা নববর্ষ নতুন আশা ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে, যা মানুষের জীবনে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সহনশীলতা, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা দেশের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। নতুন বছরে সংকীর্ণতা পরিহার করে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

শেষে তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।