Dhaka ১০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা! জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাতের প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশ সীমান্তে পড়ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘মানবতাবিরোধী অপরাধ হলে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার ট্রাইব্যুনালে হবে’

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 90

 

বিডিআর হত্যাকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়লে এর বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসিকিউশনের কাছে এসেছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে যে অভিযোগ এসেছে, প্রসিকিউশন সেগুলো পর্যালোচনা করবে। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনও আমরা পড়ব। যদি মনে হয় ঘটনাটি মানবতাবিরোধী অপরাধ বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার উপযুক্ত, তবে এখানে বিচার হবে। নইলে দেশের প্রচলিত অন্য আইনেও বিচার হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কে অপরাধী, কে পরিকল্পনাকারী, কারা মদদদাতা বা সুবিধাভোগী এসব বিষয় উদঘাটন হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হয়েছে।

তাজুল ইসলাম বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, একটি ‘অসাধারণ কাজ’ হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানীতে এতগুলো সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা, যা সেনাবাহিনীর মনোবল ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় আঘাত ছিল… তার সঠিক তদন্ত এতদিন আলোর মুখ দেখেনি। এই সরকার সেই বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরেছে, কারা মাস্টারমাইন্ড, কারা হত্যাকারী, কারা বেনিফিশিয়ারি সবই স্পষ্ট হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এর মাধ্যমে যারা এতদিন বিচারের বাইরে ছিলেন তাদের বিচার নিশ্চিতের সুযোগ তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে আগের বিচার-প্রক্রিয়ায় কেউ যদি অন্যায়ের শিকার হয়ে থাকেন, সেটিও প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে।

তাজুল ইসলাম এটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘মানবতাবিরোধী অপরাধ হলে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার ট্রাইব্যুনালে হবে’

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

 

বিডিআর হত্যাকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়লে এর বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসিকিউশনের কাছে এসেছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে যে অভিযোগ এসেছে, প্রসিকিউশন সেগুলো পর্যালোচনা করবে। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনও আমরা পড়ব। যদি মনে হয় ঘটনাটি মানবতাবিরোধী অপরাধ বা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার উপযুক্ত, তবে এখানে বিচার হবে। নইলে দেশের প্রচলিত অন্য আইনেও বিচার হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কে অপরাধী, কে পরিকল্পনাকারী, কারা মদদদাতা বা সুবিধাভোগী এসব বিষয় উদঘাটন হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হয়েছে।

তাজুল ইসলাম বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, একটি ‘অসাধারণ কাজ’ হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানীতে এতগুলো সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা, যা সেনাবাহিনীর মনোবল ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় আঘাত ছিল… তার সঠিক তদন্ত এতদিন আলোর মুখ দেখেনি। এই সরকার সেই বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরেছে, কারা মাস্টারমাইন্ড, কারা হত্যাকারী, কারা বেনিফিশিয়ারি সবই স্পষ্ট হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এর মাধ্যমে যারা এতদিন বিচারের বাইরে ছিলেন তাদের বিচার নিশ্চিতের সুযোগ তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে আগের বিচার-প্রক্রিয়ায় কেউ যদি অন্যায়ের শিকার হয়ে থাকেন, সেটিও প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে।

তাজুল ইসলাম এটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেন।