Dhaka ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন পত্নীতলায় ১৩০ ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার রাণীনগরে সরকারি চাল জব্দের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হুমকি-লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাজবাড়ীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে পাঁচ গুণী শিক্ষক সংবর্ধিত রাজবাড়ীতে বিশ্ব বসতি দিবসে আলোচনা সভা শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তারা কোন কারাগারে থাকবেন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 95

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সংঘটিত গুম, খুন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে ট্রাইব্যুনাল–১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অন্যান্য সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

সকালে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের একটি সবুজ প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে আনা হয়। ট্রাইব্যুনাল চত্বর ও আশপাশের এলাকায় বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়।

ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, আদালত শুনানি শেষে ১৫ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। তিনি বলেন, তাদের কোন কারাগারে রাখা হবে, তা সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কারা কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে।

এদিন আদালত তিনটি মামলার অগ্রগতি পর্যালোচনা করে, যেখানে মোট ৩২ জন অভিযুক্ত রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫ জন বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা।

যেসব কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে আছেন- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, কামরুল হাসান, মাহাবুব আলম, কে. এম. আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, লে. কর্নেল মশিউর রহমান, লে. কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম, লে. কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম, মেজর রাফাত-বিন-আলম, এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিন পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।

রাজধানীর কাকরাইল, পল্টন, মৎস্য ভবন ও হাইকোর্ট এলাকায় অভিযুক্তদের হাজিরা ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সকাল থেকেই মোতায়েন ছিল পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও সেনা সদস্যরা।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তারা কোন কারাগারে থাকবেন

প্রকাশের সময় : ০১:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সংঘটিত গুম, খুন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে ট্রাইব্যুনাল–১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। অন্যান্য সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

সকালে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের একটি সবুজ প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে আনা হয়। ট্রাইব্যুনাল চত্বর ও আশপাশের এলাকায় বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়।

ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, আদালত শুনানি শেষে ১৫ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। তিনি বলেন, তাদের কোন কারাগারে রাখা হবে, তা সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কারা কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে।

এদিন আদালত তিনটি মামলার অগ্রগতি পর্যালোচনা করে, যেখানে মোট ৩২ জন অভিযুক্ত রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫ জন বর্তমান ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা।

যেসব কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে আছেন- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, কামরুল হাসান, মাহাবুব আলম, কে. এম. আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, লে. কর্নেল মশিউর রহমান, লে. কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লে. কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম, লে. কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম, মেজর রাফাত-বিন-আলম, এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিন পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।

রাজধানীর কাকরাইল, পল্টন, মৎস্য ভবন ও হাইকোর্ট এলাকায় অভিযুক্তদের হাজিরা ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সকাল থেকেই মোতায়েন ছিল পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও সেনা সদস্যরা।