‘আসামি ছিনতাই’ ঠেকাতে এসি প্রিজন ভ্যানে সিসি ক্যামেরা-জিপিএস
- প্রকাশের সময় : ০১:১৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
- / 107
আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঠেকাতে প্রিজন ভ্যানে যুক্ত করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা, জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম ও উন্নতমানের এসি।
গত বছরের শুরুতে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস থেকে বাংলাদেশ সরকারকে পাঁচটি অত্যাধুনিক প্রিজন ভ্যান উপহার দেওয়া হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় জটিলতার কারণে সেগুলো দীর্ঘদিন কেরানীগঞ্জ কারাগারে অচল অবস্থায় ছিল।
সূত্র জানায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর অনুদান কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় এসব গাড়ির রেজিস্ট্রেশন বিলম্বিত হয়। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসে এবং রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন সম্পন্ন হয়। বর্তমানে পাঁচটি গাড়ির রেজিস্ট্রেশন শেষ হলেও বেশিরভাগ এখনো কেরানীগঞ্জ কারাগারে রাখা রয়েছে।
কারা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মাঝে মাঝে এসব ভ্যানের দুই-তিনটি আসামি পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে—বিশেষ করে কাশিমপুর কারাগারে বন্দি স্থানান্তর ও আদালতে হাজিরার সময়।
কারা অধিদপ্তরের এআইজি (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ জানান, এসব প্রিজন ভ্যান কেবল ভিআইপি বন্দিদের জন্য নয়, প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো আসামি স্থানান্তরে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে দুটি গাড়ি কাশিমপুর কারাগারে, দুটি কেরানীগঞ্জে এবং একটি চট্টগ্রাম কারাগারে রয়েছে।
তিনি বলেন, “গাড়িগুলোতে উন্নতমানের এসি, জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।”
কারা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, প্রিজন ভ্যানের ভেতরে ও বাইরে থাকা সিসি ক্যামেরা এবং জিপিএসের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে প্রতিটি গাড়ির অবস্থান রিয়েল টাইমে দেখা যায়। দরজা বা জানালা খোলার চেষ্টাও মনিটরে দেখা সম্ভব। এতে আসামি ছিনতাইয়ের আশঙ্কা অনেক কমে গেছে।
তবে এসব ভ্যান শুধুমাত্র অকটেনে চলায় পরিচালন ব্যয় তুলনামূলক বেশি। ঢাকা থেকে কাশিমপুর কারাগার পর্যন্ত একবার যাতায়াতে সাত থেকে আট হাজার টাকার তেল খরচ হয় বলে জানা গেছে।





















