Dhaka ০৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 84

সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। তবে দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় দুটি মৎস্যবন্দর আলীপুর ও মহিপুরে অধিকাংশ ট্রলার এখনো ফেরেনি। ফলে ঘাটজুড়ে নেই কোনো ব্যস্ততা কিংবা মাছ বেচাকেনার কার্যক্রম।

মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ট্রলারগুলো দেশের বিভিন্ন ঘাটে অবস্থান করছে—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বাঁশখালী, বরগুনা, পাথরঘাটা, ভোলা ও মোংলায়। এতে স্থানীয় ঘাটে ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়েছে এবং হাজারো শ্রমিক যেমন বরফকল কর্মী, বস্তাবাহক ও পরিবহন শ্রমিকরা দুশ্চিন্তায় আছেন।

আলীপুরের বরফকল মালিকরা জানান, প্রতিবছর নিষেধাজ্ঞার আগে ঘাটে ভিড় বাড়লেও এবার ঘাট প্রায় ফাঁকা। মহিপুর আড়তদাররাও বলেছেন, বাইরে থেকে আসা ট্রলারগুলো নিজ এলাকায় ফিরে যাওয়ায় ব্যবসা থমকে গেছে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই এবং ৪ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। এ সময়ে জেলেদের বিকল্প আয় ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে সমুদ্রে অভিযান চালানো হবে এবং কেউ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ট্রলার না ফেরায় স্থানীয় শ্রমজীবীরা বিপাকে পড়েছেন।

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু

প্রকাশের সময় : ১০:৩২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। তবে দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় দুটি মৎস্যবন্দর আলীপুর ও মহিপুরে অধিকাংশ ট্রলার এখনো ফেরেনি। ফলে ঘাটজুড়ে নেই কোনো ব্যস্ততা কিংবা মাছ বেচাকেনার কার্যক্রম।

মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ট্রলারগুলো দেশের বিভিন্ন ঘাটে অবস্থান করছে—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বাঁশখালী, বরগুনা, পাথরঘাটা, ভোলা ও মোংলায়। এতে স্থানীয় ঘাটে ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়েছে এবং হাজারো শ্রমিক যেমন বরফকল কর্মী, বস্তাবাহক ও পরিবহন শ্রমিকরা দুশ্চিন্তায় আছেন।

আলীপুরের বরফকল মালিকরা জানান, প্রতিবছর নিষেধাজ্ঞার আগে ঘাটে ভিড় বাড়লেও এবার ঘাট প্রায় ফাঁকা। মহিপুর আড়তদাররাও বলেছেন, বাইরে থেকে আসা ট্রলারগুলো নিজ এলাকায় ফিরে যাওয়ায় ব্যবসা থমকে গেছে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই এবং ৪ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। এ সময়ে জেলেদের বিকল্প আয় ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে সমুদ্রে অভিযান চালানো হবে এবং কেউ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ট্রলার না ফেরায় স্থানীয় শ্রমজীবীরা বিপাকে পড়েছেন।