Dhaka ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ডেটা সেন্টারের জন্য ৪২০ ফুটবল মাঠের সমান বন উজাড় করল গুগল, তদন্ত শুরু ‘এই জার্সি ছিল আমার স্বপ্ন, গর্ব ও জীবন’, বিদায়ের বার্তা মেসির স্বামীর দাফনের এক ঘণ্টা পরই স্ত্রীর মৃত্যু প্রিজনভ্যানের গেট খুলে পিচ্চি রাজাকে বোনের প্রাইভেটকারে তুলে দেয় পুলিশ! (ভিডিও) কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় তেলবাহী জাহাজে আগুন, সব নাবিক ভারতীয় এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ রাঙালেন মেসি মেসির শেষ ম্যাচের আগে নেইমারের আবেগঘন বার্তা, স্মরণ করলেন পুরোনো দিন দীর্ঘদিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন মার্ভেল তারকা সিমু লিউ পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া বিভাগের নতুন এআইজি মুনিরা বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রাণ গিয়েছে ৪৯ ফায়ার ফাইটারের

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:২৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 84

গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন নেভাতে গিয়ে বিস্ফোরণে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের লিডার শামীম আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের অগ্নিনির্বাপণ কাজে প্রাণ উৎসর্গ করা ফায়ার ফাইটারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শামীমের মৃত্যু হয়। তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল।

মারা যাওয়া শামীমের বড় ভাই রুহুল আমিন জানান, শামীমের বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পিজাহাতী গ্রামে। বাবা আব্দুল হামিদ, স্ত্রী মনি আক্তার ও তিন সন্তান নিয়ে টঙ্গীতে বসবাস করতেন। প্রায় ২০ বছর ধরে ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত শামীম সম্প্রতি লিডার পদে পদোন্নতি পান।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, শামীমের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ১৯৬৬ সাল থেকে ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৪৯ জন ফায়ার ফাইটারের মৃত্যু হয়েছে। এরা বিভিন্ন সময়ে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার তৎপরতা, দুর্ঘটনা এবং অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জীবন উৎসর্গ করেছেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে টঙ্গী বিসিক এলাকায় সাহারা সুপার মার্কেটের পাশে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট সেখানে আগুন নেভাতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে চারজন ফায়ার ফাইটারসহ কয়েকজন দগ্ধ হন। শামীমের মৃত্যু ছাড়াও তিনজন ফায়ার সার্ভিস সদস্যের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে সব ধরনের চিকিৎসা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, এবং শামীম আহমেদের ত্যাগকে দেশের অগ্নিনির্বাপণ সম্প্রদায়ের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন নেভাতে গিয়ে বিস্ফোরণে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের লিডার শামীম আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের অগ্নিনির্বাপণ কাজে প্রাণ উৎসর্গ করা ফায়ার ফাইটারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শামীমের মৃত্যু হয়। তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল।

মারা যাওয়া শামীমের বড় ভাই রুহুল আমিন জানান, শামীমের বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পিজাহাতী গ্রামে। বাবা আব্দুল হামিদ, স্ত্রী মনি আক্তার ও তিন সন্তান নিয়ে টঙ্গীতে বসবাস করতেন। প্রায় ২০ বছর ধরে ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত শামীম সম্প্রতি লিডার পদে পদোন্নতি পান।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, শামীমের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ১৯৬৬ সাল থেকে ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৪৯ জন ফায়ার ফাইটারের মৃত্যু হয়েছে। এরা বিভিন্ন সময়ে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার তৎপরতা, দুর্ঘটনা এবং অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জীবন উৎসর্গ করেছেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে টঙ্গী বিসিক এলাকায় সাহারা সুপার মার্কেটের পাশে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট সেখানে আগুন নেভাতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে চারজন ফায়ার ফাইটারসহ কয়েকজন দগ্ধ হন। শামীমের মৃত্যু ছাড়াও তিনজন ফায়ার সার্ভিস সদস্যের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রাণ গিয়েছে ৪৯ ফায়ার ফাইটারের

প্রকাশের সময় : ০৮:২৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন নেভাতে গিয়ে বিস্ফোরণে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের লিডার শামীম আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের অগ্নিনির্বাপণ কাজে প্রাণ উৎসর্গ করা ফায়ার ফাইটারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শামীমের মৃত্যু হয়। তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল।

মারা যাওয়া শামীমের বড় ভাই রুহুল আমিন জানান, শামীমের বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পিজাহাতী গ্রামে। বাবা আব্দুল হামিদ, স্ত্রী মনি আক্তার ও তিন সন্তান নিয়ে টঙ্গীতে বসবাস করতেন। প্রায় ২০ বছর ধরে ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত শামীম সম্প্রতি লিডার পদে পদোন্নতি পান।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, শামীমের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ১৯৬৬ সাল থেকে ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৪৯ জন ফায়ার ফাইটারের মৃত্যু হয়েছে। এরা বিভিন্ন সময়ে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার তৎপরতা, দুর্ঘটনা এবং অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জীবন উৎসর্গ করেছেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে টঙ্গী বিসিক এলাকায় সাহারা সুপার মার্কেটের পাশে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট সেখানে আগুন নেভাতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে চারজন ফায়ার ফাইটারসহ কয়েকজন দগ্ধ হন। শামীমের মৃত্যু ছাড়াও তিনজন ফায়ার সার্ভিস সদস্যের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে সব ধরনের চিকিৎসা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, এবং শামীম আহমেদের ত্যাগকে দেশের অগ্নিনির্বাপণ সম্প্রদায়ের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন নেভাতে গিয়ে বিস্ফোরণে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের লিডার শামীম আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের অগ্নিনির্বাপণ কাজে প্রাণ উৎসর্গ করা ফায়ার ফাইটারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শামীমের মৃত্যু হয়। তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল।

মারা যাওয়া শামীমের বড় ভাই রুহুল আমিন জানান, শামীমের বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পিজাহাতী গ্রামে। বাবা আব্দুল হামিদ, স্ত্রী মনি আক্তার ও তিন সন্তান নিয়ে টঙ্গীতে বসবাস করতেন। প্রায় ২০ বছর ধরে ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত শামীম সম্প্রতি লিডার পদে পদোন্নতি পান।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, শামীমের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ১৯৬৬ সাল থেকে ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৪৯ জন ফায়ার ফাইটারের মৃত্যু হয়েছে। এরা বিভিন্ন সময়ে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার তৎপরতা, দুর্ঘটনা এবং অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জীবন উৎসর্গ করেছেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে টঙ্গী বিসিক এলাকায় সাহারা সুপার মার্কেটের পাশে একটি কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট সেখানে আগুন নেভাতে গেলে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে চারজন ফায়ার ফাইটারসহ কয়েকজন দগ্ধ হন। শামীমের মৃত্যু ছাড়াও তিনজন ফায়ার সার্ভিস সদস্যের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।