বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি
- প্রকাশের সময় : ০৮:২৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
- / 105
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড় জেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৮ মে) খলিহরিয়াতের ডেপুটি কমিশনার কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সীমান্ত (শূন্যরেখা) থেকে ৫০০ মিটার এলাকাজুড়ে নাইট কারফিউ থাকবে। এই সময়সীমায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
আন্তর্জাতিক সীমান্তে যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, বিশেষ করে যারা অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করবে।
পাঁচ বা তার বেশি মানুষের কোনো ধরনের মিছিল, জমায়েত কিংবা অস্ত্র বা অস্ত্রসদৃশ বস্তু (যেমন লাঠি, রড, পাথর) বহন নিষিদ্ধ।
গবাদি পশু পাচার, চোরাচালান ও নিষিদ্ধ পণ্যের আমদানি-রফতানি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এর মধ্যে রয়েছে সুপারি, পান, শুটকি মাছ, বিড়ি, সিগারেট, চা ইত্যাদি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এলাকাগুলোর মধ্যে ডাউকি, তামাবিল, নলজুড়ি, শ্রীপুর, ডিবির হাওর, লালাখাল ও সুরাইঘাট উল্লেখযোগ্য, যেখানে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কড়া নজরদারিতে রয়েছে।
বিশেষ করে ওইসব সীমান্ত এলাকা যেখানে এখনো পুরোপুরি বেড়া দেয়া হয়নি, সেখানে জঙ্গি গোষ্ঠী, চোরাকারবারি ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের তৎপরতা বেড়েছে। প্রশাসনের দাবি, রাতের বেলায় এইসব গোষ্ঠী সীমান্তে জড়ো হয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করছে।
এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে অনিয়ন্ত্রিত অনুপ্রবেশের মাধ্যমে পুরো জেলা, এমনকি রাজ্য ও দেশের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হতে পারে বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই রেড অ্যালার্ট ও নাইট কারফিউ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। নিরাপত্তা বাহিনী সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার এবং প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড় জেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৮ মে) খলিহরিয়াতের ডেপুটি কমিশনার কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সীমান্ত (শূন্যরেখা) থেকে ৫০০ মিটার এলাকাজুড়ে নাইট কারফিউ থাকবে। এই সময়সীমায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
আন্তর্জাতিক সীমান্তে যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, বিশেষ করে যারা অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করবে।
পাঁচ বা তার বেশি মানুষের কোনো ধরনের মিছিল, জমায়েত কিংবা অস্ত্র বা অস্ত্রসদৃশ বস্তু (যেমন লাঠি, রড, পাথর) বহন নিষিদ্ধ।
গবাদি পশু পাচার, চোরাচালান ও নিষিদ্ধ পণ্যের আমদানি-রফতানি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এর মধ্যে রয়েছে সুপারি, পান, শুটকি মাছ, বিড়ি, সিগারেট, চা ইত্যাদি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এলাকাগুলোর মধ্যে ডাউকি, তামাবিল, নলজুড়ি, শ্রীপুর, ডিবির হাওর, লালাখাল ও সুরাইঘাট উল্লেখযোগ্য, যেখানে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কড়া নজরদারিতে রয়েছে।
বিশেষ করে ওইসব সীমান্ত এলাকা যেখানে এখনো পুরোপুরি বেড়া দেয়া হয়নি, সেখানে জঙ্গি গোষ্ঠী, চোরাকারবারি ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের তৎপরতা বেড়েছে। প্রশাসনের দাবি, রাতের বেলায় এইসব গোষ্ঠী সীমান্তে জড়ো হয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করছে।
এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে অনিয়ন্ত্রিত অনুপ্রবেশের মাধ্যমে পুরো জেলা, এমনকি রাজ্য ও দেশের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হতে পারে বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই রেড অ্যালার্ট ও নাইট কারফিউ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। নিরাপত্তা বাহিনী সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার এবং প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।




















