Dhaka ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
এসি বাসে থাকবে কাচ ভাঙার উপকরণ, নন-এসির জানালার রড সরানোর নির্দেশ মে মাসে জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে কি না, জানাল মন্ত্রণালয় কালীগঞ্জে রিকশা ও ভ্যান চালকদের মাঝে ছাতা বিতরণ ঢাকার ডিসি এসপি দুজনই প্রথম নারী দর্শক ভোগান্তি কমাতে মিরপুরে বসবে বিশেষ শেড, আসছে সোলার প্যানেলও সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ মহেশপুরে সিরামিকস কারখানার বর্জ্যে বিপন্ন কৃষি রক্ষায় মানববন্ধন দেশে-বিদেশে বসে কুৎসা রটনাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আইন মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজের প্রাক্তন কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকায় ভারতীয় দূতকে তলব

বালিয়াকান্দিতে সংখ্যালঘু মাঝি পরিবারের জমি দখল করে উচ্ছেদের চেষ্টা

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০
  • / 320

জনতার আদালত অনলাইন: রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের বাকসাডাঙ্গি গ্রামে সংখ্যালঘু মাঝি পরিবারের জমি দখল করে উচ্ছেদের চেষ্টা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে একই গ্রামের প্রভাবশালী তমছেল শেখের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী অসিত মাঝি জানান, এটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। কয়েক বছর আগে তমছেল শেখ কিছু কাগজপত্র সৃজন করে জমিটি দখলের চেষ্টা করে। বিষয়টি নিয়ে রাজবাড়ী অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৯ সালের ২৯ মে আদালত তার পক্ষে রায় দেন। গত শনিবার তমছেল শেখ দুইটি নসিমন বোঝাই লোকজন নিয়ে এসে বাঁশ, টিন, কাঠ দিয়ে জমি দখল করে তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা চালায়। এসময় স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে তারা দখলে ব্যর্থ হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা জাবেদ আলী জানান, তারা ছোটকাল থেকে মাঝি সম্প্রদায়কে এ  জমিতে বসবাস করতে দেখেছেন।

এদিকে জমি  দখলের খবর পেয়ে গত রোববার ঘটনাস্থলে ছুটে যান বালিয়াকান্দি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রাম গোপাল চ্যার্টাজী, সহসভাপতি সনজিৎ কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক নিতিশ চন্দ্র মন্ডলসহ নেতৃবৃন্দ।

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রাম গোপাল চ্যার্টাজী বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। বালিয়াকান্দি থানার ওসি ও নারুয়া ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। মাঝি পরিবারকে উচ্ছেদের চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

অভিযুক্ত তোমছেল শেখ সাংবাদিকদের জানান, অসিতের ভাগ্নের কাছ থেকে জমি কিনেছিলেন। ক্রয়সূত্রে এ জমির মালিক আমি। আদালতে রায় তারা পেয়েছে। তবে আমি হাইকোর্টে আপিল করেছি।

বালিয়াকান্দি থানার ওসি তারেকুজ্জামান জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এক পক্ষ মামলার রায় পেয়েছে। অপর পক্ষ আবার আপিল করেছে। আপীল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় পক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বালিয়াকান্দিতে সংখ্যালঘু মাঝি পরিবারের জমি দখল করে উচ্ছেদের চেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০৬:০৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২০

জনতার আদালত অনলাইন: রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের বাকসাডাঙ্গি গ্রামে সংখ্যালঘু মাঝি পরিবারের জমি দখল করে উচ্ছেদের চেষ্টা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে একই গ্রামের প্রভাবশালী তমছেল শেখের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী অসিত মাঝি জানান, এটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। কয়েক বছর আগে তমছেল শেখ কিছু কাগজপত্র সৃজন করে জমিটি দখলের চেষ্টা করে। বিষয়টি নিয়ে রাজবাড়ী অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৯ সালের ২৯ মে আদালত তার পক্ষে রায় দেন। গত শনিবার তমছেল শেখ দুইটি নসিমন বোঝাই লোকজন নিয়ে এসে বাঁশ, টিন, কাঠ দিয়ে জমি দখল করে তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা চালায়। এসময় স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে তারা দখলে ব্যর্থ হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা জাবেদ আলী জানান, তারা ছোটকাল থেকে মাঝি সম্প্রদায়কে এ  জমিতে বসবাস করতে দেখেছেন।

এদিকে জমি  দখলের খবর পেয়ে গত রোববার ঘটনাস্থলে ছুটে যান বালিয়াকান্দি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রাম গোপাল চ্যার্টাজী, সহসভাপতি সনজিৎ কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক নিতিশ চন্দ্র মন্ডলসহ নেতৃবৃন্দ।

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রাম গোপাল চ্যার্টাজী বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। বালিয়াকান্দি থানার ওসি ও নারুয়া ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। মাঝি পরিবারকে উচ্ছেদের চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

অভিযুক্ত তোমছেল শেখ সাংবাদিকদের জানান, অসিতের ভাগ্নের কাছ থেকে জমি কিনেছিলেন। ক্রয়সূত্রে এ জমির মালিক আমি। আদালতে রায় তারা পেয়েছে। তবে আমি হাইকোর্টে আপিল করেছি।

বালিয়াকান্দি থানার ওসি তারেকুজ্জামান জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এক পক্ষ মামলার রায় পেয়েছে। অপর পক্ষ আবার আপিল করেছে। আপীল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় পক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।