Dhaka ১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
১৫ বছর পর ১০০ টাকার পাওনা শোধ, সততায় মুগ্ধ আখাউড়াবাসী গঠনমূলক সমালোচনা করেন, কিন্তু মিথ্যা প্রচারণা চালাবেন না: রিজভী নেশাজাতীয় তরল পান করে ৫ জনের মৃত্যু, এলাকায় চাঞ্চল্য প্রতিমন্ত্রীকে ঘিরে ভাইরাল ভিডিওতে ছবি জুড়ে অপপ্রচারের অভিযোগ এলিনের জরিমানা দিয়ে দেশে ফিরতে পারবেন ভিয়েতনামে অবৈধ বাংলাদেশিরা জুলাই সনদের আলোকেই আইন সংস্কার বাস্তবায়ন হবে : আইনমন্ত্রী পাটওয়ারীকে ছাড়া যেখানেই যান, এনসিপির পাশে থাকবে বিএনপি: রাশেদ খান ‘তোমাকে ছাড়া এখনো বেঁচে আছি’, কার উদ্দেশ্যে লিখলেন প্রভা বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম, কেজি ৪০০ টাকা মুক্তিযোদ্ধার বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখলচেষ্টার অভিযোগ, কাজ বন্ধ করল পুলিশ

নেশাজাতীয় তরল পান করে ৫ জনের মৃত্যু, এলাকায় চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:১৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • / 2

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নেশাজাতীয় তরল পান করে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এনিয়ে ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার তাদের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে সুদেব দাস (৬০) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

সুদেব দাস উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও মৃত্যু হওয়া অন্যান্যরা হলেন- মোড়াকরি গ্রামের সুজিত দাস (৩৫), ভাদিকাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস (৫২), তার স্ত্রী সুবি রবিদাস (৪০) এবং হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার রঞ্জিত কুড়ি (৩৬)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- মারা যাওয়া ব্যক্তিরা উপজেলার মোড়াকড়ি বাজারের ‘হ্যানিম্যান হোমিও হল’ থেকে অ্যালকোহলজাতীয় তরল কিনে নিয়মিত নেশার উদ্দেশ্যে সেবন করতেন। গত মঙ্গলবার রাতে ওই তরল সেবনের পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তারা বুধবার ও বৃহস্পতিবার একে একে মৃত্যু বরণ করেন। এর মধ্যে এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় সুজিতের। আর হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে মারা যায় সুবেদ। রঞ্জিত মারা যান ঢাকায় নেওয়ার পথে। এছাড়াও নন্দলাল রবিদাস ও তার স্ত্রী সুবি রবিদাস মারা যায় নিজ গ্রামেই।

এ বিষয়ে মোড়াকড়ি বাজারের মাছ ব্যবসায়ী প্রদীপ দাস বলেন, মৃতরা নিয়মিত হোমিওপ্যাথিক দোকান থেকে অ্যালকোহলজাতীয় তরল কিনে নেশা করতেন। ধারণা করা হচ্ছে ওই তরল সেবনের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে লাখাই থানার ওসি শরীফ আহমেদ বলেন, খবর পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তারা পুলিশকে না জানিয়েই মরদেহগুলো দাহ করেছে। এর মধ্যে সুদেব দাস (৬০) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বলেন- মদের উৎস, এতে কোনো বিষাক্ত উপাদান ছিল কি না এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার বলেন, ময়না তদেন্ত বেরিয়ে আসবে মৃত্যুর সঠিক কারণ। রিপোর্ট পেলেই বুঝা যাবে কিভাবে মারা গেছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নেশাজাতীয় তরল পান করে ৫ জনের মৃত্যু, এলাকায় চাঞ্চল্য

প্রকাশের সময় : ০৯:১৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নেশাজাতীয় তরল পান করে ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এনিয়ে ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার তাদের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে সুদেব দাস (৬০) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

সুদেব দাস উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও মৃত্যু হওয়া অন্যান্যরা হলেন- মোড়াকরি গ্রামের সুজিত দাস (৩৫), ভাদিকাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস (৫২), তার স্ত্রী সুবি রবিদাস (৪০) এবং হবিগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার রঞ্জিত কুড়ি (৩৬)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- মারা যাওয়া ব্যক্তিরা উপজেলার মোড়াকড়ি বাজারের ‘হ্যানিম্যান হোমিও হল’ থেকে অ্যালকোহলজাতীয় তরল কিনে নিয়মিত নেশার উদ্দেশ্যে সেবন করতেন। গত মঙ্গলবার রাতে ওই তরল সেবনের পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তারা বুধবার ও বৃহস্পতিবার একে একে মৃত্যু বরণ করেন। এর মধ্যে এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় সুজিতের। আর হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে মারা যায় সুবেদ। রঞ্জিত মারা যান ঢাকায় নেওয়ার পথে। এছাড়াও নন্দলাল রবিদাস ও তার স্ত্রী সুবি রবিদাস মারা যায় নিজ গ্রামেই।

এ বিষয়ে মোড়াকড়ি বাজারের মাছ ব্যবসায়ী প্রদীপ দাস বলেন, মৃতরা নিয়মিত হোমিওপ্যাথিক দোকান থেকে অ্যালকোহলজাতীয় তরল কিনে নেশা করতেন। ধারণা করা হচ্ছে ওই তরল সেবনের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে লাখাই থানার ওসি শরীফ আহমেদ বলেন, খবর পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তারা পুলিশকে না জানিয়েই মরদেহগুলো দাহ করেছে। এর মধ্যে সুদেব দাস (৬০) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বলেন- মদের উৎস, এতে কোনো বিষাক্ত উপাদান ছিল কি না এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার বলেন, ময়না তদেন্ত বেরিয়ে আসবে মৃত্যুর সঠিক কারণ। রিপোর্ট পেলেই বুঝা যাবে কিভাবে মারা গেছে।