Dhaka ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

বেনাপোলে ৩০০ গ্রাম হেরোইনের মামলায় মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন

বেনাপোল প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / 130

বেনাপোলে ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারের মামলায় মাদক ব্যবসায়ী জামাল হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন যশোরের একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (৪র্থ) আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত জামাল হোসেন বেনাপোল পোর্ট থানার স্বরবাংহুদা গ্রামের জামাত আলী মোড়লের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ শার্শা উপজেলার বাঁগআচড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পশ্চিমকোটা গ্রামের কালীবাড়ি মোড়ে অভিযান চালিয়ে জামাল হোসেনকে আটক করে। পরে তার দেহ তল্লাশি করে তিনটি পলিথিনের প্যাকেটে রাখা ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বাঁগআচড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) শরীফ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শার্শা থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে শার্শা থানার এসআই মুরাদ হোসেন জামাল হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

বর্তমানে দণ্ডপ্রাপ্ত জামাল হোসেন কারাগারে রয়েছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বেনাপোলে ৩০০ গ্রাম হেরোইনের মামলায় মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন

প্রকাশের সময় : ০৬:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

বেনাপোলে ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধারের মামলায় মাদক ব্যবসায়ী জামাল হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন যশোরের একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (৪র্থ) আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত জামাল হোসেন বেনাপোল পোর্ট থানার স্বরবাংহুদা গ্রামের জামাত আলী মোড়লের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ শার্শা উপজেলার বাঁগআচড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পশ্চিমকোটা গ্রামের কালীবাড়ি মোড়ে অভিযান চালিয়ে জামাল হোসেনকে আটক করে। পরে তার দেহ তল্লাশি করে তিনটি পলিথিনের প্যাকেটে রাখা ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বাঁগআচড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) শরীফ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শার্শা থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে শার্শা থানার এসআই মুরাদ হোসেন জামাল হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

বর্তমানে দণ্ডপ্রাপ্ত জামাল হোসেন কারাগারে রয়েছেন।