Dhaka ০৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

কালুখালীতে ফেয়ার প্রাইজ ও ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম, দুই কেন্দ্র বন্ধ

কালুখালী (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ০৯:১৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • / 51

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় ফেয়ার প্রাইজ ও ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে দুটি বিতরণ কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (১৬ মার্চ) মেজবাহ উদ্দিন অনিয়ম হাতে-নাতে ধরার পর এ সিদ্ধান্ত নেন। বন্ধ করে দেওয়া কেন্দ্র দুটি হলো মদাপুর ইউনিয়ন পরিষদ-এর ভিজিএফ চাল বিতরণ কেন্দ্র এবং বোয়ালিয়া ইউনিয়ন-এর মনিরুজ্জামানের ফেয়ার প্রাইজ চাল বিতরণ কেন্দ্র।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল আলীম মদাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চাল বিতরণ কেন্দ্রে পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মদন কুমার প্রামাণিক ভিজিএফ কার্ডধারী দুস্থদের ১০ কেজির পরিবর্তে ৫ কেজি করে চাল বিতরণ করছেন। বিষয়টি ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে ওই কেন্দ্রের বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ করে গুদামে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে ওই ইউনিয়নে ১ হাজার ২১৫টি দুস্থ পরিবারের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণের কথা ছিল।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বোয়ালিয়া ইউনিয়নে মনিরুজ্জামানের ফেয়ার প্রাইজ চাল বিতরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি জানতে পারেন, ৩০ কেজির পরিবর্তে ২৩ থেকে ২৪ কেজি করে চাল দেওয়া হলেও ৩০ কেজির পুরো দাম নেওয়া হচ্ছে। কয়েকজন ভুক্তভোগীর চাল ওজন করে এর সত্যতাও পাওয়া যায়। এরপর ওই কেন্দ্রের বিতরণ কার্যক্রমও বন্ধ করে গুদামে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই কেন্দ্র থেকে ৫১১ জন ব্যক্তি ফেয়ার প্রাইজের সুবিধা ভোগ করেন। প্রতিবারই ভুক্তভোগীরা প্রায় ২ হাজার ৫৫৫ কেজি চাল কম পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কালুখালীতে ফেয়ার প্রাইজ ও ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম, দুই কেন্দ্র বন্ধ

প্রকাশের সময় : ০৯:১৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় ফেয়ার প্রাইজ ও ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে দুটি বিতরণ কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (১৬ মার্চ) মেজবাহ উদ্দিন অনিয়ম হাতে-নাতে ধরার পর এ সিদ্ধান্ত নেন। বন্ধ করে দেওয়া কেন্দ্র দুটি হলো মদাপুর ইউনিয়ন পরিষদ-এর ভিজিএফ চাল বিতরণ কেন্দ্র এবং বোয়ালিয়া ইউনিয়ন-এর মনিরুজ্জামানের ফেয়ার প্রাইজ চাল বিতরণ কেন্দ্র।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল আলীম মদাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চাল বিতরণ কেন্দ্রে পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মদন কুমার প্রামাণিক ভিজিএফ কার্ডধারী দুস্থদের ১০ কেজির পরিবর্তে ৫ কেজি করে চাল বিতরণ করছেন। বিষয়টি ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে ওই কেন্দ্রের বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ করে গুদামে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে ওই ইউনিয়নে ১ হাজার ২১৫টি দুস্থ পরিবারের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণের কথা ছিল।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বোয়ালিয়া ইউনিয়নে মনিরুজ্জামানের ফেয়ার প্রাইজ চাল বিতরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি জানতে পারেন, ৩০ কেজির পরিবর্তে ২৩ থেকে ২৪ কেজি করে চাল দেওয়া হলেও ৩০ কেজির পুরো দাম নেওয়া হচ্ছে। কয়েকজন ভুক্তভোগীর চাল ওজন করে এর সত্যতাও পাওয়া যায়। এরপর ওই কেন্দ্রের বিতরণ কার্যক্রমও বন্ধ করে গুদামে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই কেন্দ্র থেকে ৫১১ জন ব্যক্তি ফেয়ার প্রাইজের সুবিধা ভোগ করেন। প্রতিবারই ভুক্তভোগীরা প্রায় ২ হাজার ৫৫৫ কেজি চাল কম পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।