মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বাস্থ্যখাতের অগ্রযাত্রা শুরু করেছে সরকার: রাষ্ট্রপতি আসামে হোটেলের ইজারা নিয়ে বিরোধ, ৫ জনকে গুলি করে হত্যা নওগাঁ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৮৯ বোতল ভারতীয় ফায়ারডিল জব্দ ৪৪ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, গুরুত্ব পাবেন বিএনপির ত্যাগীরা টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ মৃত্যুতেও জামিনযোগ্য ধারায় মামলা, ওসিকে তলব ২২ বছরে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২৯৫৭ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম বদলে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সিপিবি কার্যালয়ে হামলা

অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন: প্রশংসায় ভাসছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 163

 নির্বাচনকে ঘিরে সারা দেশের মত রাজবাড়ীতেও উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা বিরাজ করে। প্রচারনা শুরু হওয়ার পর বিচ্ছিন্ন দু একটি ঘটনা ঘটলেও বড় কোনো অঘটন ঘটেনি। নির্বাচনের দিন সকাল থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। একটানা চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণকালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন তাদের পছন্দের ব্যালটে। নির্বাচন নিয়ে কারো কোনো অভিযোগ ছিলনা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সুলতানা আক্তার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোর্শেদ বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সুষ্ঠুভাবে ভোটগণনা শেষে রাতে যথারীতি ঘোষণা করা হয় ফলাফল।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় ব্যাপক প্রস্তুতি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয় শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থা। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে ছিল কঠোর নজরদারি। ফলে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে।

এই সফল আয়োজনের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন রাজবাড়ীর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, দক্ষ নেতৃত্ব ও নিরপেক্ষ অবস্থান নির্বাচনকে করেছে আরও বিশ্বাসযোগ্য। নির্বাচন পূর্ব প্রস্তুতি, প্রার্থীদের সঙ্গে সমন্বয় সভা এবং মাঠপর্যায়ে তদারকির মাধ্যমে তিনি একটি অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকার ফলেই রাজবাড়ীতে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হয়েছে। এজন্য তারা জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তারকে আন্তরিক অভিনন্দন ও সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁর এমন পেশাদারিত্ব ভবিষ্যতেও জেলার গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে প্রত্যাশা সবার।

সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলস কাজ করেছে বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন: প্রশংসায় ভাসছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা

প্রকাশের সময় : ০১:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 নির্বাচনকে ঘিরে সারা দেশের মত রাজবাড়ীতেও উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা বিরাজ করে। প্রচারনা শুরু হওয়ার পর বিচ্ছিন্ন দু একটি ঘটনা ঘটলেও বড় কোনো অঘটন ঘটেনি। নির্বাচনের দিন সকাল থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। একটানা চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণকালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন তাদের পছন্দের ব্যালটে। নির্বাচন নিয়ে কারো কোনো অভিযোগ ছিলনা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সুলতানা আক্তার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোর্শেদ বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সুষ্ঠুভাবে ভোটগণনা শেষে রাতে যথারীতি ঘোষণা করা হয় ফলাফল।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় ব্যাপক প্রস্তুতি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয় শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থা। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে ছিল কঠোর নজরদারি। ফলে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে।

এই সফল আয়োজনের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন রাজবাড়ীর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, দক্ষ নেতৃত্ব ও নিরপেক্ষ অবস্থান নির্বাচনকে করেছে আরও বিশ্বাসযোগ্য। নির্বাচন পূর্ব প্রস্তুতি, প্রার্থীদের সঙ্গে সমন্বয় সভা এবং মাঠপর্যায়ে তদারকির মাধ্যমে তিনি একটি অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকার ফলেই রাজবাড়ীতে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হয়েছে। এজন্য তারা জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তারকে আন্তরিক অভিনন্দন ও সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁর এমন পেশাদারিত্ব ভবিষ্যতেও জেলার গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে প্রত্যাশা সবার।

সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলস কাজ করেছে বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।