Dhaka ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

শেষ বলে ছক্কায় কোয়ালিফায়ারে সিলেট, রংপুরের বিদায়

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:১৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 173

শেষ ওভারের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে উঠে গেছে সিলেট টাইটান্স। এলিমিনেটর ম্যাচে শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে রংপুর রাইডার্সকে বিদায় করে দেন ক্রিস ওকস।

শেষ বলে জয়ের জন্য সিলেটের প্রয়োজন ছিল ৬ রান। ব্যাটিংয়ে ছিলেন ক্রিস ওকস, বোলিংয়ে রংপুরের ফাহিম আশরাফ। অফ স্টাম্পের বাইরের বল কভার অঞ্চলের ওপর দিয়ে সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেন ওকস। সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে মাতে সিলেট শিবির, আর এবারের বিপিএল শেষ হয়ে যায় রংপুরের।

আজ মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে শুরুতেই ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিলেট অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। শুরু থেকেই সেই সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করে সিলেটের বোলাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৯ রানের মধ্যেই তাওহীদ হৃদয়, ডেভিড মালান, লিটন দাস ও কাইল মেয়ার্সকে হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে রংপুর। চার ব্যাটারের সম্মিলিত অবদান ছিল মাত্র ১৭ রান।

এরপর খুশদিল শাহ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। ১৯ বলে ৩০ রান করেন তিনি, হাঁকান তিনটি ছক্কা। তাকে সঙ্গ দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে খুশদিল ফিরতেই আবার চাপে পড়ে রংপুর। রিয়াদ ২৬ বলে ৩৩ রান করলেও অপরপ্রান্তে নুরুল হাসান সোহান বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১১ রানেই থামে রংপুরের ইনিংস।

সিলেটের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন খালেদ আহমেদ। তিনি ১৫ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন। ক্রিস ওকস নেন ২ উইকেট, খরচ করেন ১৫ রান। নাসুম আহমেদও ১২ রানে নেন ২ উইকেট।

সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও সিলেটের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। দলীয় ২ রানে তৌফিক খান আউট হলে চাপ তৈরি হয়। পারভেজ হোসেন ইমন ১২ বলে ১৮ রান করে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। আরিফুল ইসলাম ও আফিফ হোসেন ধ্রুব দ্রুত ফিরে গেলে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় রংপুর।

এরপর অধিনায়ক মিরাজ ও স্যাম বিলিংস ধৈর্যের সঙ্গে ইনিংস সাজান। আঁটসাঁট বোলিংয়ে সহজে রান তুলতে পারেননি তারা। মিরাজ ২৩ বলে ১৮ রান করে ফিরলে সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। শেষদিকে বিলিংস ৪০ বলে ২৯ রান করে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে আউট হন।

শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। শেষ ওভারে সমীকরণ নেমে আসে ৯ রানে। মঈন আলী আউট হলে চাপ চরমে ওঠে। তবে শেষ বলের নাটকীয় ছক্কায় সব চাপ উড়িয়ে দিয়ে সিলেটকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ক্রিস ওকস।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

শেষ বলে ছক্কায় কোয়ালিফায়ারে সিলেট, রংপুরের বিদায়

প্রকাশের সময় : ০৫:১৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

শেষ ওভারের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে উঠে গেছে সিলেট টাইটান্স। এলিমিনেটর ম্যাচে শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে রংপুর রাইডার্সকে বিদায় করে দেন ক্রিস ওকস।

শেষ বলে জয়ের জন্য সিলেটের প্রয়োজন ছিল ৬ রান। ব্যাটিংয়ে ছিলেন ক্রিস ওকস, বোলিংয়ে রংপুরের ফাহিম আশরাফ। অফ স্টাম্পের বাইরের বল কভার অঞ্চলের ওপর দিয়ে সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেন ওকস। সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে মাতে সিলেট শিবির, আর এবারের বিপিএল শেষ হয়ে যায় রংপুরের।

আজ মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে শুরুতেই ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিলেট অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। শুরু থেকেই সেই সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করে সিলেটের বোলাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৯ রানের মধ্যেই তাওহীদ হৃদয়, ডেভিড মালান, লিটন দাস ও কাইল মেয়ার্সকে হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে রংপুর। চার ব্যাটারের সম্মিলিত অবদান ছিল মাত্র ১৭ রান।

এরপর খুশদিল শাহ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। ১৯ বলে ৩০ রান করেন তিনি, হাঁকান তিনটি ছক্কা। তাকে সঙ্গ দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে খুশদিল ফিরতেই আবার চাপে পড়ে রংপুর। রিয়াদ ২৬ বলে ৩৩ রান করলেও অপরপ্রান্তে নুরুল হাসান সোহান বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১১ রানেই থামে রংপুরের ইনিংস।

সিলেটের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন খালেদ আহমেদ। তিনি ১৫ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন। ক্রিস ওকস নেন ২ উইকেট, খরচ করেন ১৫ রান। নাসুম আহমেদও ১২ রানে নেন ২ উইকেট।

সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও সিলেটের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। দলীয় ২ রানে তৌফিক খান আউট হলে চাপ তৈরি হয়। পারভেজ হোসেন ইমন ১২ বলে ১৮ রান করে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। আরিফুল ইসলাম ও আফিফ হোসেন ধ্রুব দ্রুত ফিরে গেলে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় রংপুর।

এরপর অধিনায়ক মিরাজ ও স্যাম বিলিংস ধৈর্যের সঙ্গে ইনিংস সাজান। আঁটসাঁট বোলিংয়ে সহজে রান তুলতে পারেননি তারা। মিরাজ ২৩ বলে ১৮ রান করে ফিরলে সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। শেষদিকে বিলিংস ৪০ বলে ২৯ রান করে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে আউট হন।

শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। শেষ ওভারে সমীকরণ নেমে আসে ৯ রানে। মঈন আলী আউট হলে চাপ চরমে ওঠে। তবে শেষ বলের নাটকীয় ছক্কায় সব চাপ উড়িয়ে দিয়ে সিলেটকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ক্রিস ওকস।