Dhaka ১০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা! জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাতের প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশ সীমান্তে পড়ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজসাক্ষী আবজালুলের জেরা ঘিরে ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 80

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় রাজসাক্ষী এসআই শেখ আবজালুল হকের জেরাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে। জেরার এক প্রশ্নকে ঘিরে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাখানেক তর্ক হয়।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-২-এর দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই ঘটনা ঘটে। প্যানেলের নেতৃত্ব দেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং অন্য সদস্য ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

জেরার এক পর্যায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী রাজসাক্ষীকে প্রশ্ন করেন, গত বছরের ৫ আগস্ট থানার কোনো পুলিশ মারা গেছেন কিনা। রাজসাক্ষী উত্তর দেন, “না, তবে একজন মারা গেছেন, তিনি অন্য ইউনিটের, যার তদন্তে ছিলাম আমি, কিন্তু শেষ করতে পারিনি।” প্রসিকিউশন আপত্তি জানালে তর্ক প্রায় ঘণ্টাখানেক চলার পর ট্রাইব্যুনাল হস্তক্ষেপ করে বিষয়টি থামায়।

আশুলিয়ায় ছয় মরদেহ পোড়ানো ও সাতজন হত্যার দায়ে ১৬ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া শুরু হয়। আবজালুল জানিয়েছেন, ৫ আগস্ট লাশ নিজে দেখেননি, তবে পরে ১৫ আগস্ট অন্যের মুখে শুনেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, লাশ পোড়ানোর ঘটনায় ওসি সায়েদ ও এএসআই বিশ্বজিৎ জড়িত ছিলেন।

মামলায় ১৬ আসামির মধ্যে দোষ স্বীকার করেছেন এসআই শেখ আবজালুল হক। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয়ার পর বিচার শুরুর আদেশ হয়। আট আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন, অপর আটজন এখনও পলাতক।

গত বছরের ৫ আগস্ট সাভারের আশুলিয়ায় পুলিশের গুলিতে ছয় তরুণ প্রাণ হারান এবং তাদের লাশ পুলিশ ভ্যানে তুলে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। একজন বেঁচে থাকলেও পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়। এ ঘটনায় ১১ সেপ্টেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজসাক্ষী আবজালুলের জেরা ঘিরে ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল

প্রকাশের সময় : ০১:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় রাজসাক্ষী এসআই শেখ আবজালুল হকের জেরাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে। জেরার এক প্রশ্নকে ঘিরে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাখানেক তর্ক হয়।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-২-এর দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই ঘটনা ঘটে। প্যানেলের নেতৃত্ব দেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং অন্য সদস্য ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

জেরার এক পর্যায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী রাজসাক্ষীকে প্রশ্ন করেন, গত বছরের ৫ আগস্ট থানার কোনো পুলিশ মারা গেছেন কিনা। রাজসাক্ষী উত্তর দেন, “না, তবে একজন মারা গেছেন, তিনি অন্য ইউনিটের, যার তদন্তে ছিলাম আমি, কিন্তু শেষ করতে পারিনি।” প্রসিকিউশন আপত্তি জানালে তর্ক প্রায় ঘণ্টাখানেক চলার পর ট্রাইব্যুনাল হস্তক্ষেপ করে বিষয়টি থামায়।

আশুলিয়ায় ছয় মরদেহ পোড়ানো ও সাতজন হত্যার দায়ে ১৬ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া শুরু হয়। আবজালুল জানিয়েছেন, ৫ আগস্ট লাশ নিজে দেখেননি, তবে পরে ১৫ আগস্ট অন্যের মুখে শুনেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, লাশ পোড়ানোর ঘটনায় ওসি সায়েদ ও এএসআই বিশ্বজিৎ জড়িত ছিলেন।

মামলায় ১৬ আসামির মধ্যে দোষ স্বীকার করেছেন এসআই শেখ আবজালুল হক। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয়ার পর বিচার শুরুর আদেশ হয়। আট আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন, অপর আটজন এখনও পলাতক।

গত বছরের ৫ আগস্ট সাভারের আশুলিয়ায় পুলিশের গুলিতে ছয় তরুণ প্রাণ হারান এবং তাদের লাশ পুলিশ ভ্যানে তুলে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। একজন বেঁচে থাকলেও পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়। এ ঘটনায় ১১ সেপ্টেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়।