Dhaka ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুনের ৫ বছরের জেল

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৩:১৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / 94

রাজসাক্ষী সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্যের বিচারকমণ্ডলীর নেতৃত্বে ছিলেন চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার, অন্য দু’জন বিচারপতি ছিলেন শফিউল আলম মাহমুদ ও মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

বিচারক সংস্টানের রায় ঘোষণা করার সময়, মামলার একমাত্র আসামি হিসেবে কারাগারে থাকা মামুনকে হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। তিনি গত ১৬ মার্চ আসামি হিসেবে যোগ দেয়ার আবেদন করেছিলেন এবং ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেছিল। পরে ১২ মে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন জমা দেয়া হয় এবং ১ জুন প্রসিকিউশন ঢিল-ভর্তি অভিযোগ দায়ের করেছিল, যেই অভিযোগে প্রধান আসামি ছিলেন শেখ হাসিনা সহ আরও দুই জন।

১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল formally অভিযোগ গঠন করে। ওই দিনই মামুন “রাজসাক্ষী” বা রাষ্ট্রের স্বীকারোক্তা হিসেবে যুক্ত হন। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনালে তার জবানবন্দিতে তিনি অভিযোগ স্বীকার করেন এবং বলেন যে, হত্যাযজ্ঞ দমনে সরাসরি “মারণাস্ত্র” ব্যবহারে শেখ হাসিনার নির্দেশনা ছিল। তিনি আরও জানান, ১৮ জুলাই ২০২৪-এ তিনি সেই নির্দেশনা গ্রহণ করেছিলেন আসাদুজ্জামান খান কামালের মাধ্যমে।

এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সরকারি পরিবর্তন ও বিচারব্যবস্থার পুনর্গঠন পর ট্রাইব্যুনালে তাঁর মামলা শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালে দায় স্বীকার করার পরকে অবশ্য বিচার প্রক্রিয়া থেকে পুরোপুরি মুক্তি দেয়া হয়নি। তাঁর রায় অনুযায়ী, “শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা” পেতে পারেন যদি তিনি পুরোপুরি সত্য প্রকাশ করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুনের ৫ বছরের জেল

প্রকাশের সময় : ০৩:১৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

রাজসাক্ষী সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্যের বিচারকমণ্ডলীর নেতৃত্বে ছিলেন চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার, অন্য দু’জন বিচারপতি ছিলেন শফিউল আলম মাহমুদ ও মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

বিচারক সংস্টানের রায় ঘোষণা করার সময়, মামলার একমাত্র আসামি হিসেবে কারাগারে থাকা মামুনকে হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। তিনি গত ১৬ মার্চ আসামি হিসেবে যোগ দেয়ার আবেদন করেছিলেন এবং ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেছিল। পরে ১২ মে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন জমা দেয়া হয় এবং ১ জুন প্রসিকিউশন ঢিল-ভর্তি অভিযোগ দায়ের করেছিল, যেই অভিযোগে প্রধান আসামি ছিলেন শেখ হাসিনা সহ আরও দুই জন।

১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল formally অভিযোগ গঠন করে। ওই দিনই মামুন “রাজসাক্ষী” বা রাষ্ট্রের স্বীকারোক্তা হিসেবে যুক্ত হন। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনালে তার জবানবন্দিতে তিনি অভিযোগ স্বীকার করেন এবং বলেন যে, হত্যাযজ্ঞ দমনে সরাসরি “মারণাস্ত্র” ব্যবহারে শেখ হাসিনার নির্দেশনা ছিল। তিনি আরও জানান, ১৮ জুলাই ২০২৪-এ তিনি সেই নির্দেশনা গ্রহণ করেছিলেন আসাদুজ্জামান খান কামালের মাধ্যমে।

এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সরকারি পরিবর্তন ও বিচারব্যবস্থার পুনর্গঠন পর ট্রাইব্যুনালে তাঁর মামলা শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালে দায় স্বীকার করার পরকে অবশ্য বিচার প্রক্রিয়া থেকে পুরোপুরি মুক্তি দেয়া হয়নি। তাঁর রায় অনুযায়ী, “শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা” পেতে পারেন যদি তিনি পুরোপুরি সত্য প্রকাশ করেন।