Dhaka ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

চাকসু নির্বাচন : কালি উঠে যাওয়া-স্বাক্ষরবিহীন ব্যালট নিয়ে যা বললো নির্বাচন কমিশন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 86

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় ভোটারদের আঙুলে দেওয়া অমোচনীয় কালি মুছে যাওয়া এবং স্বাক্ষরবিহীন ব্যালটে ভোট নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সমর্থিতসহ বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা এসব অভিযোগ করেন।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দীন এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি বলেন, “জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত কালি জার্মানি থেকে আনা হয়, যা ব্যবহারের পর ধ্বংস করে দেওয়া হয়। আমরা সেই কালি সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পাইনি। নিয়ম রক্ষার জন্য কালি ব্যবহার করা হয়েছে। আসলে ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করা হচ্ছে আইডি কার্ড, ভোটার নম্বর ও তালিকায় থাকা ছবির মাধ্যমে—তাই অন্যের ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।”

স্বাক্ষরবিহীন ব্যালট নিয়ে তিনি বলেন, “রিটার্নিং অফিসার জানিয়েছেন, ভোটের শুরুতে এক কর্মকর্তা ভুলবশত ১২টি ব্যালটে স্বাক্ষর দেননি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি রেজুলেশনের মাধ্যমে সেটি নথিভুক্ত করার। এতে বোঝা যাবে, ওই বাক্সে কয়েকটি ব্যালট স্বাক্ষরবিহীন ছিল, ফলে পরে কোনো বিভ্রান্তি থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরা জীবনের প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছে, এটি আমাদের জন্য গর্বের। এখন পর্যন্ত ভোট ভালোভাবে চলছে, কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। আমরা নির্বিঘ্ন ভোট নিশ্চিত করতে কাজ করছি।”

এর আগে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় ও শিবিরের ভিপি প্রার্থী ইব্রাহিম হোসেন রনি অভিযোগ করেন, ভোটের কালি মুছে যাচ্ছে। সাজ্জাদ বলেন, “ভোট দিয়ে এসেছি, কিন্তু আঙুলের কালি উঠে গেছে—এটি ভোটের স্বচ্ছতায় প্রশ্ন তুলছে।”

অন্যদিকে ইব্রাহিম রনি বলেন, “প্রশাসন বলেছিল কালি কয়েক দিন থাকবে, কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তা উঠে যাচ্ছে। এটি উদ্বেগজনক।”

এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিবুর রহমান রনি অভিযোগ করেন, আইটি ভবনের ২১৪ নম্বর কক্ষে ১৫-২০টি স্বাক্ষরবিহীন ব্যালট বাক্সে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হওয়া চাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

চাকসু নির্বাচন : কালি উঠে যাওয়া-স্বাক্ষরবিহীন ব্যালট নিয়ে যা বললো নির্বাচন কমিশন

প্রকাশের সময় : ০৪:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় ভোটারদের আঙুলে দেওয়া অমোচনীয় কালি মুছে যাওয়া এবং স্বাক্ষরবিহীন ব্যালটে ভোট নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সমর্থিতসহ বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা এসব অভিযোগ করেন।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দীন এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি বলেন, “জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত কালি জার্মানি থেকে আনা হয়, যা ব্যবহারের পর ধ্বংস করে দেওয়া হয়। আমরা সেই কালি সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পাইনি। নিয়ম রক্ষার জন্য কালি ব্যবহার করা হয়েছে। আসলে ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করা হচ্ছে আইডি কার্ড, ভোটার নম্বর ও তালিকায় থাকা ছবির মাধ্যমে—তাই অন্যের ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।”

স্বাক্ষরবিহীন ব্যালট নিয়ে তিনি বলেন, “রিটার্নিং অফিসার জানিয়েছেন, ভোটের শুরুতে এক কর্মকর্তা ভুলবশত ১২টি ব্যালটে স্বাক্ষর দেননি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি রেজুলেশনের মাধ্যমে সেটি নথিভুক্ত করার। এতে বোঝা যাবে, ওই বাক্সে কয়েকটি ব্যালট স্বাক্ষরবিহীন ছিল, ফলে পরে কোনো বিভ্রান্তি থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরা জীবনের প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছে, এটি আমাদের জন্য গর্বের। এখন পর্যন্ত ভোট ভালোভাবে চলছে, কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। আমরা নির্বিঘ্ন ভোট নিশ্চিত করতে কাজ করছি।”

এর আগে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় ও শিবিরের ভিপি প্রার্থী ইব্রাহিম হোসেন রনি অভিযোগ করেন, ভোটের কালি মুছে যাচ্ছে। সাজ্জাদ বলেন, “ভোট দিয়ে এসেছি, কিন্তু আঙুলের কালি উঠে গেছে—এটি ভোটের স্বচ্ছতায় প্রশ্ন তুলছে।”

অন্যদিকে ইব্রাহিম রনি বলেন, “প্রশাসন বলেছিল কালি কয়েক দিন থাকবে, কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তা উঠে যাচ্ছে। এটি উদ্বেগজনক।”

এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিবুর রহমান রনি অভিযোগ করেন, আইটি ভবনের ২১৪ নম্বর কক্ষে ১৫-২০টি স্বাক্ষরবিহীন ব্যালট বাক্সে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হওয়া চাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।