Dhaka ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রথম দিনে টাইফয়েডের টিকা নিলো ১০ লাখ শিশু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:৪২:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 100

প্রথমবারের মতো সারা দেশে টাইফয়েডের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রবিবার (১২ অক্টোবর) প্রথম দিনেই প্রায় ১০ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আগামী ১৮ কর্মদিবসে পাঁচ কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ইপিআই) ডা. মো. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, বিকেল ৪টা পর্যন্ত নিবন্ধিত সাত লাখের বেশি শিশু টিকা পেয়েছে। নিবন্ধনবিহীন শিশুর তথ্য রাতের মধ্যে সিস্টেমে হালনাগাদ করা হবে।

রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানায় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। তিনি বলেন, “টাইফয়েডে এখনও শিশুমৃত্যু ঘটে—এটা দুঃখজনক। সচেতনতা ও টিকাদানের মাধ্যমে আমরা এই রোগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব।”

প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এক ডোজ করে টিকা দেওয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিকাদান চলবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপর ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়া হবে। পথশিশুদের টিকাদানে সহায়তা করবে বেসরকারি সংস্থাগুলো।

এটি দেশের প্রথম জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে টিকাটি, যা সরকার পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির সহায়তায়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

প্রথম দিনে টাইফয়েডের টিকা নিলো ১০ লাখ শিশু

প্রকাশের সময় : ১০:৪২:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

প্রথমবারের মতো সারা দেশে টাইফয়েডের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রবিবার (১২ অক্টোবর) প্রথম দিনেই প্রায় ১০ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আগামী ১৮ কর্মদিবসে পাঁচ কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ইপিআই) ডা. মো. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, বিকেল ৪টা পর্যন্ত নিবন্ধিত সাত লাখের বেশি শিশু টিকা পেয়েছে। নিবন্ধনবিহীন শিশুর তথ্য রাতের মধ্যে সিস্টেমে হালনাগাদ করা হবে।

রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানায় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। তিনি বলেন, “টাইফয়েডে এখনও শিশুমৃত্যু ঘটে—এটা দুঃখজনক। সচেতনতা ও টিকাদানের মাধ্যমে আমরা এই রোগ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব।”

প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এক ডোজ করে টিকা দেওয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিকাদান চলবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপর ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়া হবে। পথশিশুদের টিকাদানে সহায়তা করবে বেসরকারি সংস্থাগুলো।

এটি দেশের প্রথম জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে টিকাটি, যা সরকার পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির সহায়তায়।