Dhaka ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঠ্যপুস্তক ব্যবস্থাপনা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে হস্তান্তর সমাধান নয় : টিআইবি

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 82

পাঠ্যপুস্তক ব্যবস্থাপনার এখতিয়ার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে হস্তান্তর কোনো সমাধান নয় বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, বরং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কার্যকর স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করাই মূল সমাধান।

রোববার (১২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিদ্যমান আইন সংশোধন করে প্রাথমিক স্তরের বই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে মুদ্রণ ও বিতরণের উদ্যোগ এনসিটিবিকে আরও দুর্বল করবে, কিন্তু কোনো গুণগত পরিবর্তন আনবে না।

তিনি বলেন, “মূল সমস্যার সমাধান না করে এনসিটিবির অভিজ্ঞতাকে উপেক্ষা করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে নতুনভাবে দায়িত্ব দেওয়া হলে তা সমন্বয়হীনতা বাড়াবে। বাস্তবায়নকারী সংস্থা দুইটি হলেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা না থাকলে এই সিদ্ধান্ত ফলপ্রসূ হবে না, বরং এক প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম আরেক প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়বে।”

টিআইবি আরও জানায়, বই সরবরাহে বিলম্ব বা মানগত ত্রুটির দায় শুধু এনসিটিবির নয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরেরও দায় রয়েছে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বায়ত্তশাসনের পথে প্রতিবন্ধকতা এবং পেশাগত অবক্ষয়ের কারণে এনসিটিবি তার ভূমিকা যথাযথভাবে পালন করতে পারেনি। এখন সময় এসেছে প্রতিষ্ঠানটিকে সম্পূর্ণ স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়ার এবং দুর্নীতির জন্য দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার।”

তিনি আরও যোগ করেন, পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, দরপত্র প্রক্রিয়া, মুদ্রণ ও বিতরণে এনসিটিবি যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সে বিষয়ে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে অতীতের অনিয়ম ও ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করে দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানায় টিআইবি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পাঠ্যপুস্তক ব্যবস্থাপনা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে হস্তান্তর সমাধান নয় : টিআইবি

প্রকাশের সময় : ১০:১৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

পাঠ্যপুস্তক ব্যবস্থাপনার এখতিয়ার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে হস্তান্তর কোনো সমাধান নয় বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, বরং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কার্যকর স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করাই মূল সমাধান।

রোববার (১২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিদ্যমান আইন সংশোধন করে প্রাথমিক স্তরের বই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে মুদ্রণ ও বিতরণের উদ্যোগ এনসিটিবিকে আরও দুর্বল করবে, কিন্তু কোনো গুণগত পরিবর্তন আনবে না।

তিনি বলেন, “মূল সমস্যার সমাধান না করে এনসিটিবির অভিজ্ঞতাকে উপেক্ষা করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে নতুনভাবে দায়িত্ব দেওয়া হলে তা সমন্বয়হীনতা বাড়াবে। বাস্তবায়নকারী সংস্থা দুইটি হলেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা না থাকলে এই সিদ্ধান্ত ফলপ্রসূ হবে না, বরং এক প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম আরেক প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়বে।”

টিআইবি আরও জানায়, বই সরবরাহে বিলম্ব বা মানগত ত্রুটির দায় শুধু এনসিটিবির নয়, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরেরও দায় রয়েছে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বায়ত্তশাসনের পথে প্রতিবন্ধকতা এবং পেশাগত অবক্ষয়ের কারণে এনসিটিবি তার ভূমিকা যথাযথভাবে পালন করতে পারেনি। এখন সময় এসেছে প্রতিষ্ঠানটিকে সম্পূর্ণ স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়ার এবং দুর্নীতির জন্য দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার।”

তিনি আরও যোগ করেন, পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, দরপত্র প্রক্রিয়া, মুদ্রণ ও বিতরণে এনসিটিবি যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সে বিষয়ে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে অতীতের অনিয়ম ও ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করে দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানায় টিআইবি।