Dhaka ০২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘জনগণের মতামত ছাড়াই হয়েছে রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্ট’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:১০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 105

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে জনগণের মতামত ছাড়াই রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এসময় বন মন্ত্রণালয়কে চাপ প্রয়োগ করে বনভূমি ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রোববার (৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর গুলশানের হোটেল লেক ক্যাসলে রিজনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার মনিটরিং অ্যালায়েন্স কনফারেন্সে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্ট আলোচনা ছাড়াই, জনগণের মতামত ছাড়াই হয়েছে। সরকার বনভূমি ছাড়াতে বন মন্ত্রণালয়কে চাপ দিয়েছে। এটা কি গণতন্ত্র? আমাদের কি ‘না’ বলার অধিকারও নেই?”

রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, গত এক দশকে ঋণ, মুদ্রাস্ফীতি ও ভুল বিনিয়োগের বোঝা জনগণের কাঁধে চাপানো হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ আনা হলেও জনগণের সঙ্গে আলোচনা হয়নি, ফলে দেশের নিরাপত্তা ও পরিবেশ অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমরা বিদ্যুৎ চাই, কিন্তু পরিবেশ ধ্বংস করে নয়। বিনিয়োগ চাই, তবে জনগণের মতামতের মর্যাদা দিয়ে। উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন জনগণের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকে।”

তার মতে, বিনিয়োগ মানে কেবল অর্থ নয়, বরং ক্ষমতার ভারসাম্যও। যারা ক্ষমতার বাইরে, তাদের কাছে এ ধরনের একতরফা উন্নয়ন মানে ভয় ও অনিশ্চয়তা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘জনগণের মতামত ছাড়াই হয়েছে রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্ট’

প্রকাশের সময় : ০২:১০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে জনগণের মতামত ছাড়াই রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এসময় বন মন্ত্রণালয়কে চাপ প্রয়োগ করে বনভূমি ছাড়তে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রোববার (৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর গুলশানের হোটেল লেক ক্যাসলে রিজনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার মনিটরিং অ্যালায়েন্স কনফারেন্সে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্ট আলোচনা ছাড়াই, জনগণের মতামত ছাড়াই হয়েছে। সরকার বনভূমি ছাড়াতে বন মন্ত্রণালয়কে চাপ দিয়েছে। এটা কি গণতন্ত্র? আমাদের কি ‘না’ বলার অধিকারও নেই?”

রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, গত এক দশকে ঋণ, মুদ্রাস্ফীতি ও ভুল বিনিয়োগের বোঝা জনগণের কাঁধে চাপানো হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ আনা হলেও জনগণের সঙ্গে আলোচনা হয়নি, ফলে দেশের নিরাপত্তা ও পরিবেশ অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমরা বিদ্যুৎ চাই, কিন্তু পরিবেশ ধ্বংস করে নয়। বিনিয়োগ চাই, তবে জনগণের মতামতের মর্যাদা দিয়ে। উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন জনগণের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকে।”

তার মতে, বিনিয়োগ মানে কেবল অর্থ নয়, বরং ক্ষমতার ভারসাম্যও। যারা ক্ষমতার বাইরে, তাদের কাছে এ ধরনের একতরফা উন্নয়ন মানে ভয় ও অনিশ্চয়তা।