Dhaka ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘এই জার্সি ছিল আমার স্বপ্ন, গর্ব ও জীবন’, বিদায়ের বার্তা মেসির স্বামীর দাফনের এক ঘণ্টা পরই স্ত্রীর মৃত্যু প্রিজনভ্যানের গেট খুলে পিচ্চি রাজাকে বোনের প্রাইভেটকারে তুলে দেয় পুলিশ! (ভিডিও) কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় তেলবাহী জাহাজে আগুন, সব নাবিক ভারতীয় এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ রাঙালেন মেসি মেসির শেষ ম্যাচের আগে নেইমারের আবেগঘন বার্তা, স্মরণ করলেন পুরোনো দিন দীর্ঘদিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন মার্ভেল তারকা সিমু লিউ পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া বিভাগের নতুন এআইজি মুনিরা বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা ভবিষ্যতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সরাতে গণভোট লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিরামচিহ্ন দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 82

আজ বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে জাতীয় বিরামচিহ্ন দিবস (National Punctuation Day)। ভাষার শুদ্ধতা রক্ষা ও লিখিত যোগাযোগকে পরিষ্কার ও বোধগম্য করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হয়।

ভাষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরামচিহ্ন সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে বাক্যের অর্থ বদলে যেতে পারে কিংবা দ্ব্যর্থতা তৈরি হয়। তাই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম দিবসটি পালিত হয়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে অন্যান্য দেশেও দিনটি গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমানে ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি বাড়লেও বিরামচিহ্ন ব্যবহারে শৈথিল্য দেখা যাচ্ছে বলে মনে করেন গবেষকরা।

জাতীয় বিরামচিহ্ন দিবস সম্পর্কে কিছু তথ্য:
উদ্দেশ্য:
এই দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো বিরামচিহ্নের সঠিক ও কার্যকর ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

প্রতিষ্ঠাতা:
জেফ রুবিন নামক ব্যক্তি ২০০৪ সালে এই দিবসটি প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রচলন:
বিরামচিহ্ন ছাড়া কোনো লেখা পড়লে বা বোঝার ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে, তাই এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিরামচিহ্নের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

বাংলা ভাষায় বিরামচিহ্ন:
বাংলা ভাষাতেও বিভিন্ন বিরামচিহ্ন রয়েছে, যেমন – দাঁড়ি (। ), কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), প্রশ্ন চিহ্ন (?) এবং বিস্ময় চিহ্ন (!)। এই চিহ্নগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে লেখার অর্থ পরিবর্তিত হতে পারে।

ভাষাবিদরা বলছেন, শুধু ইংরেজি নয়—বাংলাসহ সব ভাষায় বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার শেখানো ও প্রয়োগে জোর দেওয়া উচিত। দিবসটি তাই শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও লিখিত ভাষা চর্চায় যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানায়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিরামচিহ্ন দিবস আজ

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আজ বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে জাতীয় বিরামচিহ্ন দিবস (National Punctuation Day)। ভাষার শুদ্ধতা রক্ষা ও লিখিত যোগাযোগকে পরিষ্কার ও বোধগম্য করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হয়।

ভাষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরামচিহ্ন সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে বাক্যের অর্থ বদলে যেতে পারে কিংবা দ্ব্যর্থতা তৈরি হয়। তাই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম দিবসটি পালিত হয়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে অন্যান্য দেশেও দিনটি গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমানে ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি বাড়লেও বিরামচিহ্ন ব্যবহারে শৈথিল্য দেখা যাচ্ছে বলে মনে করেন গবেষকরা।

জাতীয় বিরামচিহ্ন দিবস সম্পর্কে কিছু তথ্য:
উদ্দেশ্য:
এই দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো বিরামচিহ্নের সঠিক ও কার্যকর ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

প্রতিষ্ঠাতা:
জেফ রুবিন নামক ব্যক্তি ২০০৪ সালে এই দিবসটি প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রচলন:
বিরামচিহ্ন ছাড়া কোনো লেখা পড়লে বা বোঝার ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে, তাই এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিরামচিহ্নের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

বাংলা ভাষায় বিরামচিহ্ন:
বাংলা ভাষাতেও বিভিন্ন বিরামচিহ্ন রয়েছে, যেমন – দাঁড়ি (। ), কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), প্রশ্ন চিহ্ন (?) এবং বিস্ময় চিহ্ন (!)। এই চিহ্নগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে লেখার অর্থ পরিবর্তিত হতে পারে।

ভাষাবিদরা বলছেন, শুধু ইংরেজি নয়—বাংলাসহ সব ভাষায় বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার শেখানো ও প্রয়োগে জোর দেওয়া উচিত। দিবসটি তাই শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও লিখিত ভাষা চর্চায় যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানায়।