Dhaka ০৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অননুমোদিত কারখানায় এলসি গুড় জ্বাল দিয়ে চালানো হতো দোজালি বলে

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 113

 অননুমোদিত কারখানায় এলসি গুড় জ¦াল দিয়ে চালানো হতো দোজালি গুড় বলে। রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়ায় সুরুজ দোজালী গুড় কারখানায় উৎপাদন করা হতো এ গুড়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজবাড়ী জেলা কার্যালয়ের সদস্যরা বুধবার সেখানে অভিযান চালিয়ে কারখানার মালিক সুরুজ প্রামানিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করে। একই সাথে কারখানায় থাকা সকল গুড় ধ্বংস করা হয়। দন্ডপ্রাপ্ত সুরুজ একই গ্রামের বাসিন্দা।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজবাড়ী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী রকিবুল হাসান জানান, প্রতিষ্ঠানটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে করেনি। যে গুড় উৎপাদন করা হচ্ছিল এটিকে ‘দোজালি গুড়’ বলা হলেও আদতে তা নয়। এলসি গুড় বাইরে থেকে কিনে এনে জ¦াল দিয়ে বিক্রি করা হতো। এলসি গুড় দোজালি গুড় হিসেবে বিক্রি করার সুযোগ নেই। একারণে ভোক্তা অধিকার আইনের ৪৫ ধারায় ৫০ হাজার টাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন করায় ৪৩ ধারায় আরও ৫০ হাজার টাকা মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। কারখানার সকল গুড় ধ্বংস করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

অননুমোদিত কারখানায় এলসি গুড় জ্বাল দিয়ে চালানো হতো দোজালি বলে

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

 অননুমোদিত কারখানায় এলসি গুড় জ¦াল দিয়ে চালানো হতো দোজালি গুড় বলে। রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের কাচারীপাড়ায় সুরুজ দোজালী গুড় কারখানায় উৎপাদন করা হতো এ গুড়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজবাড়ী জেলা কার্যালয়ের সদস্যরা বুধবার সেখানে অভিযান চালিয়ে কারখানার মালিক সুরুজ প্রামানিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করে। একই সাথে কারখানায় থাকা সকল গুড় ধ্বংস করা হয়। দন্ডপ্রাপ্ত সুরুজ একই গ্রামের বাসিন্দা।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজবাড়ী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী রকিবুল হাসান জানান, প্রতিষ্ঠানটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে করেনি। যে গুড় উৎপাদন করা হচ্ছিল এটিকে ‘দোজালি গুড়’ বলা হলেও আদতে তা নয়। এলসি গুড় বাইরে থেকে কিনে এনে জ¦াল দিয়ে বিক্রি করা হতো। এলসি গুড় দোজালি গুড় হিসেবে বিক্রি করার সুযোগ নেই। একারণে ভোক্তা অধিকার আইনের ৪৫ ধারায় ৫০ হাজার টাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন করায় ৪৩ ধারায় আরও ৫০ হাজার টাকা মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। কারখানার সকল গুড় ধ্বংস করা হয়েছে।