Dhaka ১০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১০৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১০৮৮ ভরি রুপা চালুর এক দিন পরই ফের বন্ধ ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ রুটে ফেরি চলাচল ঢাকা থেকে বিভিন্ন রুটে ৫১ ফ্লাইট বিঘ্নিত, ভোগান্তিতে ৫ সহস্রাধিক যাত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড ও বিনামূল্যে শিক্ষার মতো উদ্যোগ নারীদের সম্ভাবনা ও সুযোগ বাড়াচ্ছে’ ‘সংস্কারে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের সঙ্গে নীতিগত ঐকমত্য, বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে সরকার’ দুর্গাপূজায় ৫ দিন ব্যাংক বন্ধ কালীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীদের মধ্যে ট্যাব বিতরণ নওগাঁয় জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত লংমার্চ উপলক্ষে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের সঙ্গে জামায়াত নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আমার বাসস্থানে এসে শপথ পড়ানোর প্রস্তাব দিলেও লাভ নাই: ইশরাক হোসেন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • / 108

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, তার বাসস্থানে গিয়ে শপথ পড়ানোর প্রস্তাব দিলেও কোনো লাভ হবে না। মঙ্গলবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দুটি মূল দাবি তুলে ধরেন। প্রথমত, তিনি বলেন— অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বে থাকা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আদালতের যে রায়ই হোক না কেন, তা আইনানুগভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

এদিকে, ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে গত ছয়দিন ধরে টানা বিক্ষোভ করছে তার সমর্থকরা। তারা জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কোনো সিদ্ধান্ত না এলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যেই, ইশরাককে ডিএসসিসির মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে বুধবার আদেশের দিন নির্ধারণ করেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে পরাজিত হন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। কিন্তু গত ২৭ মার্চ ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম নির্বাচন ফল বাতিল করে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করেন।

রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর ২২ এপ্রিল আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ চায় নির্বাচন কমিশন। এরপর ২৭ এপ্রিল ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে ইসি। তবে এখনও তিনি শপথ গ্রহণ করেননি এবং পুরো বিষয়টি নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আমার বাসস্থানে এসে শপথ পড়ানোর প্রস্তাব দিলেও লাভ নাই: ইশরাক হোসেন

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, তার বাসস্থানে গিয়ে শপথ পড়ানোর প্রস্তাব দিলেও কোনো লাভ হবে না। মঙ্গলবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দুটি মূল দাবি তুলে ধরেন। প্রথমত, তিনি বলেন— অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বে থাকা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আদালতের যে রায়ই হোক না কেন, তা আইনানুগভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

এদিকে, ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে গত ছয়দিন ধরে টানা বিক্ষোভ করছে তার সমর্থকরা। তারা জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কোনো সিদ্ধান্ত না এলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যেই, ইশরাককে ডিএসসিসির মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে বুধবার আদেশের দিন নির্ধারণ করেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে পরাজিত হন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। কিন্তু গত ২৭ মার্চ ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম নির্বাচন ফল বাতিল করে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করেন।

রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর ২২ এপ্রিল আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ চায় নির্বাচন কমিশন। এরপর ২৭ এপ্রিল ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে ইসি। তবে এখনও তিনি শপথ গ্রহণ করেননি এবং পুরো বিষয়টি নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে।