Dhaka ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন পত্নীতলায় ১৩০ ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার রাণীনগরে সরকারি চাল জব্দের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হুমকি-লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাজবাড়ীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে পাঁচ গুণী শিক্ষক সংবর্ধিত রাজবাড়ীতে বিশ্ব বসতি দিবসে আলোচনা সভা শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

অনেক দলের তো ব্যাংকও আছে, তাই ঋণখেলাপি হওয়ার সুযোগ নাই: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 140

অনেক দলের তো ব্যাংকও আছে, তাই ঋণখেলাপি হওয়ার সুযোগ নাই বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আজ বৃহস্পতিবার আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছর কঠিন হবে। অনেকগুলো ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যেগুলো জনপ্রিয় না-ও হতে পারে। একটা কঠিন অবস্থা থেকে বের হতে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এসময় দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সহায়তা চেয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি একেবারে ‘লো লেভেল ইকুইলিব্রিয়ামে (স্থবির অবস্থায়)’ চলে গেছে। এখান থেকে তুলে আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।এখন দেশের অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, তা বোঝাতে বেশ কিছু ক্ষেত্রের সূচক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। বিএনপি সরকারের আগের আমলের সঙ্গে সেগুলো তুলনা করে দেখান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশের বেশি। যখন কোনো দেশে ৩০ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ হয়, তখন অর্থনীতির গতি ‘অলমোস্ট (প্রায়) থেমে যাওয়ার’ অবস্থায় চলে যায়। ২০০৫ সালে এটা (খেলাপি ঋণ) ছিল ১৩ শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লিডারশিপ (নেতৃত্ব) ঠিক আছে। আমাদের ক্যাপ্টেন ঠিক আছে। আমি মনে করি, ক্যাপ্টেনের ভিশন (লক্ষ্য) ঠিক আছে, ন্যায়নীতির অবস্থান থেকে কাজ করছেন, সততার অবস্থান থেকে কাজ করছেন। সুতরাং এখান থেকে আমরা খুব সহজে বের না হলেও আমরা বেরিয়ে আসতে পারবো। এটা কঠিন একটা কাজ। কিন্তু আমরা বেরিয়ে আসতে পারব এবং আপনাদের সবার সহযোগিতা দরকার।’

বিএনপির নেতাদের ঋণ পুনঃ তফসিলিকরণ নিয়ে বিরোধী দলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুনঃতফসিলিকরণ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ব্যাংকিং ব্যবস্থার শুরু থেকে এ ব্যবস্থা আছে, থাকবে। এটা বিএনপির আবিষ্কার নয়। ১৭ বছর বিএনপির কেউ ব্যবসা করতে পারেননি। অনেকের ঋণ অনুমোদিত ছিল কিন্তু দেওয়া হয়নি। যত ধরনের বাধা দেওয়া সম্ভব, সব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির ব্যবসায়ীদের গ্যাস, বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতাদের যাদের খেলাপি বলা হচ্ছে, তারা বাড়িতে থাকতে পারেননি। অনেকে জেলে ছিলেন। অনেকের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

অনেক দলের তো ব্যাংকও আছে, তাই ঋণখেলাপি হওয়ার সুযোগ নাই: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৮:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

অনেক দলের তো ব্যাংকও আছে, তাই ঋণখেলাপি হওয়ার সুযোগ নাই বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আজ বৃহস্পতিবার আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছর কঠিন হবে। অনেকগুলো ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যেগুলো জনপ্রিয় না-ও হতে পারে। একটা কঠিন অবস্থা থেকে বের হতে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এসময় দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সহায়তা চেয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি একেবারে ‘লো লেভেল ইকুইলিব্রিয়ামে (স্থবির অবস্থায়)’ চলে গেছে। এখান থেকে তুলে আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।এখন দেশের অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, তা বোঝাতে বেশ কিছু ক্ষেত্রের সূচক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। বিএনপি সরকারের আগের আমলের সঙ্গে সেগুলো তুলনা করে দেখান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশের বেশি। যখন কোনো দেশে ৩০ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ হয়, তখন অর্থনীতির গতি ‘অলমোস্ট (প্রায়) থেমে যাওয়ার’ অবস্থায় চলে যায়। ২০০৫ সালে এটা (খেলাপি ঋণ) ছিল ১৩ শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লিডারশিপ (নেতৃত্ব) ঠিক আছে। আমাদের ক্যাপ্টেন ঠিক আছে। আমি মনে করি, ক্যাপ্টেনের ভিশন (লক্ষ্য) ঠিক আছে, ন্যায়নীতির অবস্থান থেকে কাজ করছেন, সততার অবস্থান থেকে কাজ করছেন। সুতরাং এখান থেকে আমরা খুব সহজে বের না হলেও আমরা বেরিয়ে আসতে পারবো। এটা কঠিন একটা কাজ। কিন্তু আমরা বেরিয়ে আসতে পারব এবং আপনাদের সবার সহযোগিতা দরকার।’

বিএনপির নেতাদের ঋণ পুনঃ তফসিলিকরণ নিয়ে বিরোধী দলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুনঃতফসিলিকরণ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ব্যাংকিং ব্যবস্থার শুরু থেকে এ ব্যবস্থা আছে, থাকবে। এটা বিএনপির আবিষ্কার নয়। ১৭ বছর বিএনপির কেউ ব্যবসা করতে পারেননি। অনেকের ঋণ অনুমোদিত ছিল কিন্তু দেওয়া হয়নি। যত ধরনের বাধা দেওয়া সম্ভব, সব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির ব্যবসায়ীদের গ্যাস, বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতাদের যাদের খেলাপি বলা হচ্ছে, তারা বাড়িতে থাকতে পারেননি। অনেকে জেলে ছিলেন। অনেকের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।