Dhaka ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
রানীনগরে কমিউনিটি পুলিশিং ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস জাবিতে ‘পলাশী থেকে বাংলাদেশ: ইতিহাসের শিক্ষা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‘আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে কেপ ভার্দে’, ঘানার সেই তান্ত্রিকের ভবিষ্যদ্বাণী র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি বাংলাদেশের মারুফা-নাহিদাদের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জবি ছাত্রশিবিরের তিন দিনব্যাপী নবীনবরণ সম্পন্ন ঢাকাকে বাঁচাতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই : ডিসি ফরিদা গণমাধ্যমে প্রচার করা যাবে না তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন লেবানন থেকে দেশে ফেরার সুযোগ; আরও ১৭০ বাংলাদেশির এক্সিট ভিসা অনুমোদন

জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে নারী ইউএনওর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৭:২৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 78

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনে এক অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশ বা মতামতের সঙ্গে একমত না হলে কর্মকর্তাদের বদলির মুখে পড়তে হচ্ছে। সম্প্রতি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনে আরা তার কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে বিধিবহির্ভূতভাবে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। এ ঘটনার একটি অডিও ক্লিপ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে আবারও জেলাব্যাপী নানান আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে জেলা প্রশাসকের এহেন কর্মকাণ্ডে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা এ জেলা প্রশাসকের বদলিসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ছড়িয়ে পড়া অডিওতে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা ইউএনও হোসনে আরাকে স্থানীয় এক সাংবাদিকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলতে শোনা গেছে। সেখানে তিনি সাংবাদিককে বলেন, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাসউদ তাকে (ইউএনও) টাকাসহ বিভিন্ন অনৈতিক প্রস্তাব দেন। তাতে রাজি না হওয়ায় বিধিবহির্ভূতভাবে বদলি করিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাসউদ ঝিনাইদহে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। তিনি জেলার প্রতিটি ইটভাটা থেকে কমিশন গ্রহণসহ জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঘুষ বাণিজ্যের রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলেন। সরকারি এমন কোনো খাত নেই যে, তিনি কমিশন খান না। তার বিরুদ্ধে অফিসে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। মুখ খুললেই তার ওপর নেমে আসে শাস্তির খড়গ।

এর মধ্যে ২৮ মার্চ ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাসউদের আগে সব অনিয়ম-দুর্নীতিসহ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সখ্যতার প্রমাণাদিসহ কয়েকটি ফেসবুক আইডি ভাইরাল করা হয়। এসব ঘটনা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে জেলা প্রশাসক ওইদিন রাতে ঝিনাইদহ সদর থানায় জিডি করেন। তিনি জিডিতে পাঁচটি আইডি অ্যাকসেস দিয়ে উল্লেখ করেন- তার মানহানি করার জন্য একটি গোষ্ঠী উঠেপড়ে লেগেছে। তবে ওই আইডিতে ডিসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় থাকা অবস্থায় দুর্নীতি ও বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সখ্যতার ছবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাসউদের কাছে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে নারী ইউএনওর অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৭:২৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনে এক অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশ বা মতামতের সঙ্গে একমত না হলে কর্মকর্তাদের বদলির মুখে পড়তে হচ্ছে। সম্প্রতি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনে আরা তার কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে বিধিবহির্ভূতভাবে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। এ ঘটনার একটি অডিও ক্লিপ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে আবারও জেলাব্যাপী নানান আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে জেলা প্রশাসকের এহেন কর্মকাণ্ডে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা এ জেলা প্রশাসকের বদলিসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ছড়িয়ে পড়া অডিওতে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা ইউএনও হোসনে আরাকে স্থানীয় এক সাংবাদিকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলতে শোনা গেছে। সেখানে তিনি সাংবাদিককে বলেন, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাসউদ তাকে (ইউএনও) টাকাসহ বিভিন্ন অনৈতিক প্রস্তাব দেন। তাতে রাজি না হওয়ায় বিধিবহির্ভূতভাবে বদলি করিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাসউদ ঝিনাইদহে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। তিনি জেলার প্রতিটি ইটভাটা থেকে কমিশন গ্রহণসহ জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঘুষ বাণিজ্যের রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলেন। সরকারি এমন কোনো খাত নেই যে, তিনি কমিশন খান না। তার বিরুদ্ধে অফিসে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। মুখ খুললেই তার ওপর নেমে আসে শাস্তির খড়গ।

এর মধ্যে ২৮ মার্চ ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাসউদের আগে সব অনিয়ম-দুর্নীতিসহ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সখ্যতার প্রমাণাদিসহ কয়েকটি ফেসবুক আইডি ভাইরাল করা হয়। এসব ঘটনা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে জেলা প্রশাসক ওইদিন রাতে ঝিনাইদহ সদর থানায় জিডি করেন। তিনি জিডিতে পাঁচটি আইডি অ্যাকসেস দিয়ে উল্লেখ করেন- তার মানহানি করার জন্য একটি গোষ্ঠী উঠেপড়ে লেগেছে। তবে ওই আইডিতে ডিসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় থাকা অবস্থায় দুর্নীতি ও বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সখ্যতার ছবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাসউদের কাছে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন