Dhaka ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট, ভোগান্তি চরমে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫
  • / 99

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঈদযাত্রার শেষ দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছেন উত্তরবঙ্গগামী ঘরমুখো মানুষ। শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী যাত্রীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।

শুক্রবার (৬ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে সরেজমিন দেখা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু করে করটিয়া করাতিপাড়া বাইপাস পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদযাত্রীদের ব্যাপক চাপ, সেতুর ওপর যানবাহন বিকল হওয়া এবং মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচলের কারণে বুধবার (৪ জুন) ভোর থেকে যানজট শুরু হয়, যা শুক্রবার দুপুর পর্যন্তও অব্যাহত রয়েছে।

মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট—এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস ঘুরে দেখা গেছে, বাসের পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপভ্যান, লেগুনা এমনকি বাসের ছাদেও করে যাত্রীরা বাড়ি ফিরছেন। অনেকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে আবার কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা পরিবহনে গন্তব্যে ছুটছেন।

যাত্রীরা জানান, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে দুই ঘণ্টায় পৌঁছানো সম্ভব, সেখানে এখন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা লাগছে। দীর্ঘ সময় গাড়িতে আটকে থেকে পানিশূন্যতা ও অসুস্থতায় ভুগছেন অনেকে। গণপরিবহনের সংকটের পাশাপাশি বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে যাত্রীদের।

ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। যানজট কমাতে যমুনা সেতুর সীমিত সক্ষমতার কারণে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী গাড়িগুলোকে ভূঞাপুর হয়ে ঘুরপথে পাঠানো হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ শরীফুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কে একাধিক বাস বিকল হওয়ায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। আশা করছি দ্রুতই স্বাভাবিক হবে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, যানজট নিরসনে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি উন্নয়নের চেষ্টা চলছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ভয়াবহ যানজট, ভোগান্তি চরমে

প্রকাশের সময় : ০৪:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঈদযাত্রার শেষ দিনেও ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছেন উত্তরবঙ্গগামী ঘরমুখো মানুষ। শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী যাত্রীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।

শুক্রবার (৬ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে সরেজমিন দেখা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু করে করটিয়া করাতিপাড়া বাইপাস পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদযাত্রীদের ব্যাপক চাপ, সেতুর ওপর যানবাহন বিকল হওয়া এবং মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচলের কারণে বুধবার (৪ জুন) ভোর থেকে যানজট শুরু হয়, যা শুক্রবার দুপুর পর্যন্তও অব্যাহত রয়েছে।

মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট—এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস ঘুরে দেখা গেছে, বাসের পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপভ্যান, লেগুনা এমনকি বাসের ছাদেও করে যাত্রীরা বাড়ি ফিরছেন। অনেকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে আবার কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা পরিবহনে গন্তব্যে ছুটছেন।

যাত্রীরা জানান, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে দুই ঘণ্টায় পৌঁছানো সম্ভব, সেখানে এখন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা লাগছে। দীর্ঘ সময় গাড়িতে আটকে থেকে পানিশূন্যতা ও অসুস্থতায় ভুগছেন অনেকে। গণপরিবহনের সংকটের পাশাপাশি বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে যাত্রীদের।

ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। যানজট কমাতে যমুনা সেতুর সীমিত সক্ষমতার কারণে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী গাড়িগুলোকে ভূঞাপুর হয়ে ঘুরপথে পাঠানো হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ শরীফুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কে একাধিক বাস বিকল হওয়ায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। আশা করছি দ্রুতই স্বাভাবিক হবে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, যানজট নিরসনে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি উন্নয়নের চেষ্টা চলছে।