মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা বদলে নতুন অধ্যাদেশ জারি, বাতিল ‘মুজিব বাহিনী’
- প্রকাশের সময় : ১০:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
- / 149
সরকার জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন সংশোধন করে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সহযোগীদের নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে। এ সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ মঙ্গলবার (৩ জুন) রাতে জারি করা হয়েছে। এতে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় যুক্ত করা হয়েছে কিছু নতুন শ্রেণিকে, আবার বাদও পড়েছে কিছু নাম ও গোষ্ঠী।
নতুন সংজ্ঞায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের পাশাপাশি মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী, বীরাঙ্গনা, এবং যুদ্ধে আহতদের সেবায় নিয়োজিত ফিল্ড হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সহকারীরা।
অন্যদিকে, যারা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি কিন্তু প্রবাসে বা দেশে মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন দিয়েছেন, যেমন—সংগঠক, সাংবাদিক, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ও কলাকুশলী, কূটনীতিক, এমএনএ/এমপিএ, এবং ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’-এর সদস্যদের ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় বিদেশে থেকে যারা বিশ্বজনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন, তাদের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট শ্রেণিকে মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তবে এই সংশোধিত সংজ্ঞা থেকে বাদ পড়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নাম। যেমন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে গঠিত বাহিনীর তালিকা থেকে ‘মুজিব বাহিনী’-র নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনীর এ দেশীয় সহযোগীদের তালিকা থেকেও ‘মুজাহিদ বাহিনী’-র নামও বাদ পড়েছে।
এছাড়া পূর্বের আইনে যতবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ ছিল, সংশোধিত এই অধ্যাদেশে তা সবই বাদ দেওয়া হয়েছে।
এই পরিবর্তন নিয়ে ইতোমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন বঙ্গবন্ধুর নাম বাদ দেওয়া এবং মুজিব বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত না থাকার যৌক্তিকতা নিয়ে।






















