সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকদের লাগাতার ধর্মঘট প্রত্যাহার
- প্রকাশের সময় : ০৪:৫৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 8
পূর্বঘোষিত লাগাতার ধর্মঘট কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটি আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে লাগাতার বন্ধের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল।
শনিবার এক বিবৃতিতে ধর্মঘট বাস্তবায়নে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান চৌধুরী কর্মসূচি প্রত্যাহারের কথা জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সঙ্গে সংগঠনের নেতাদের বৈঠক হয়। এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সঙ্গেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকগুলোতে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেওয়ায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত লাগাতার বন্ধ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।
সংগঠনটি জানায়, ২৩ জুলাই প্রতীকী ধর্মঘট এবং ২৩ আগস্ট থেকে লাগাতার বন্ধ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হলেও সরকারকে সহযোগিতার অংশ হিসেবে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তারা আশা করছে, সরকার যৌক্তিক দাবি ও সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রতি ঘনমিটারে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩ টাকা ৯৬ পয়সা করার দাবি জানিয়ে আসছে। সংগঠনটির দাবি, ২০১৩ সাল থেকে কমিশন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
সংগঠনটির ভাষ্য, বিদ্যুতের দাম সাত দফায় বাড়লেও তাদের কমিশন বাড়ানো হয়নি। এতে পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায় লোকসান গুনতে হচ্ছে।
তাদের দাবি, ২০১৩ সালের ধর্মঘটের পর গঠিত কমিটি কমিশন ১ টাকা ৯৮ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করলেও পরে মাত্র ১ টাকা বাড়ানো হয়। এরপর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়নসহ বিভিন্ন কারণে পরিচালন ব্যয় আরও বেড়েছে। বিদ্যুতের সমন্বয় বাবদ ২ টাকা ৪৬ পয়সা এবং অন্যান্য খরচ বাবদ ৩ টাকা ৫০ পয়সাসহ মোট ৫ টাকা ৯৬ পয়সা কমিশন বাড়ানো প্রয়োজন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।






















