Dhaka ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
রানীনগরে কমিউনিটি পুলিশিং ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস জাবিতে ‘পলাশী থেকে বাংলাদেশ: ইতিহাসের শিক্ষা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‘আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে কেপ ভার্দে’, ঘানার সেই তান্ত্রিকের ভবিষ্যদ্বাণী র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি বাংলাদেশের মারুফা-নাহিদাদের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জবি ছাত্রশিবিরের তিন দিনব্যাপী নবীনবরণ সম্পন্ন ঢাকাকে বাঁচাতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই : ডিসি ফরিদা গণমাধ্যমে প্রচার করা যাবে না তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন লেবানন থেকে দেশে ফেরার সুযোগ; আরও ১৭০ বাংলাদেশির এক্সিট ভিসা অনুমোদন

দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে রয়েছেন : মির্জা ফখরুল

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:২১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • / 16

বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপ প্রতিবেদন মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০১৯ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ শতাংশ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছেন। আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসনে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি জানান, এক্ষেত্রে গভীর নলকূপ ছাড়াও পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পুকুর খনন ও পুনঃখননসহ সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে। এতে আশা করা যায়, বর্তমানে যারা আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে, ২০২৬ সালের মধ্যে তাদের হার শতকরা ৫-৬ শতাংশে নেমে আসবে।

গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে প্রাপ্ত সফলতা:

১। সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প: এ পর্যন্ত ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

২। উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প: এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

৩। পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্প (সমাপ্ত): এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

৪। পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্প (সমাপ্ত): এ পর্যন্ত ৮৮ হাজার ২৩৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

৫। অগ্রাধিকারমূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্প (সমাপ্ত): এ পর্যন্ত ১ লাখ ৩৮ হাজার ০৫৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে রয়েছেন : মির্জা ফখরুল

প্রকাশের সময় : ০৪:২১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপ প্রতিবেদন মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০১৯ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১১ শতাংশ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছেন। আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসনে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি জানান, এক্ষেত্রে গভীর নলকূপ ছাড়াও পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পুকুর খনন ও পুনঃখননসহ সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার স্থাপন করা হয়েছে। এতে আশা করা যায়, বর্তমানে যারা আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে, ২০২৬ সালের মধ্যে তাদের হার শতকরা ৫-৬ শতাংশে নেমে আসবে।

গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে প্রাপ্ত সফলতা:

১। সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প: এ পর্যন্ত ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

২। উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প: এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

৩। পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্প (সমাপ্ত): এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

৪। পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্প (সমাপ্ত): এ পর্যন্ত ৮৮ হাজার ২৩৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

৫। অগ্রাধিকারমূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্প (সমাপ্ত): এ পর্যন্ত ১ লাখ ৩৮ হাজার ০৫৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।