Dhaka ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোটালীপাড়ায় অবৈধ দখলমুক্ত হলো খাল, অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 34

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় অবৈধভাবে দখল করা একটি খাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (৬ এপ্রিল) উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে কুশলা বাজারের পশ্চিম পাশের খালটি দখলমুক্ত করা হয়।

জানা গেছে, ফারুক শেখ, ইউছুপ শেখ, মিলন ফকির, মিজান শেখ ও সামচুল শেখসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বাঁশের বেড়া দিয়ে খালটির একটি অংশ দখল করে রেখেছিলেন। বিষয়টি জানার পর প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ওই অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে খালটি উদ্ধার করে।

তবে এলাকাবাসী জানিয়েছেন, খালটির বিভিন্ন স্থানে এখনো পাকা স্থাপনা ও দোকান রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে পুরো খালটি দখলমুক্ত করে খননের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে দখলদারদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান চৌধুরী সুলতান মাহমুদ কালু বলেন, খালটির বিভিন্ন অংশ এখনো দখল হয়ে আছে। সম্পূর্ণ খালটি দখলমুক্ত করে পুনঃখনন করা জরুরি।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, “এটি একটি প্রবাহমান খাল। কিছু ব্যক্তি অবৈধভাবে বাঁশের বেড়া দিয়ে দখল করে রেখেছিল। খালটি ভরাট বা দখল হয়ে গেলে আশপাশের ৭-৮টি গ্রামের কৃষিকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। তাই আমরা আজ খালটি দখলমুক্ত করেছি।”

তিনি আরও জানান, এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কোটালীপাড়ায় অবৈধ দখলমুক্ত হলো খাল, অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় অবৈধভাবে দখল করা একটি খাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (৬ এপ্রিল) উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুম বিল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে কুশলা বাজারের পশ্চিম পাশের খালটি দখলমুক্ত করা হয়।

জানা গেছে, ফারুক শেখ, ইউছুপ শেখ, মিলন ফকির, মিজান শেখ ও সামচুল শেখসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বাঁশের বেড়া দিয়ে খালটির একটি অংশ দখল করে রেখেছিলেন। বিষয়টি জানার পর প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ওই অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে খালটি উদ্ধার করে।

তবে এলাকাবাসী জানিয়েছেন, খালটির বিভিন্ন স্থানে এখনো পাকা স্থাপনা ও দোকান রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে পুরো খালটি দখলমুক্ত করে খননের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে দখলদারদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান চৌধুরী সুলতান মাহমুদ কালু বলেন, খালটির বিভিন্ন অংশ এখনো দখল হয়ে আছে। সম্পূর্ণ খালটি দখলমুক্ত করে পুনঃখনন করা জরুরি।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, “এটি একটি প্রবাহমান খাল। কিছু ব্যক্তি অবৈধভাবে বাঁশের বেড়া দিয়ে দখল করে রেখেছিল। খালটি ভরাট বা দখল হয়ে গেলে আশপাশের ৭-৮টি গ্রামের কৃষিকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। তাই আমরা আজ খালটি দখলমুক্ত করেছি।”

তিনি আরও জানান, এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।