Dhaka ১২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজার ৬ বছর পর ওজন করা হচ্ছে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া সোনা-রুপা আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, তিনদিনে বাতিল মোট ৯টি নাটোরে কাপড়ের দোকানে মিললো সেই জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ সৌদি বিমানবন্দরে নতুন হামলায় আরও এক বিদেশি নিহত প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে চুয়েটে প্রবেশ নতুন উপাচার্যের দিল্লিতে নারী ও তৃতীয় লিঙ্গের চালকদের জন্য চালু হচ্ছে গোলাপি ই-অটো রাজধানী থেকে সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 149

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক জয় লাভের পর তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পথে রয়েছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। দলটির নেতৃত্বে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিকতা শিগগিরই সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ফলাফল ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শেষে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে দলীয় সূত্রে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

দীর্ঘ ১৭ বছর বিদেশে অবস্থানের পর দেশে ফিরে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নেওয়া তারেক রহমান এবার ৬০ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। এ বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় তিনি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথমবার দায়িত্ব নেওয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রেকর্ড গড়তে পারেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে তুলনামূলক কম বয়সেই সরকারপ্রধান হওয়ার নজির রয়েছে। ১৯৭১ সালে অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় তাজউদ্দীন আহমদ-এর বয়স ছিল ৪৬ বছর। ১৯৭২ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় শেখ মুজিবুর রহমান-এর বয়স ছিল ৫২ বছর।

১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া; তখন তার বয়স ছিল ৪৬ বছর। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা; তখন তার বয়স ছিল ৪৯ বছর।

সে তুলনায় ৬০ বছর বয়সে প্রথমবার সরকারপ্রধান হওয়া একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, কারাবরণ ও প্রবাসজীবনের অভিজ্ঞতা তার নেতৃত্বকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পুঁজিবাজার ও আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন নতুন সরকারের নীতিগত অবস্থান, বিশেষ করে অর্থনীতি, প্রশাসনিক সংস্কার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে সম্ভাব্য দিকনির্দেশনার দিকে কেন্দ্রীভূত।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক জয় লাভের পর তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পথে রয়েছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। দলটির নেতৃত্বে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিকতা শিগগিরই সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ফলাফল ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শেষে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে দলীয় সূত্রে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

দীর্ঘ ১৭ বছর বিদেশে অবস্থানের পর দেশে ফিরে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ নেওয়া তারেক রহমান এবার ৬০ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। এ বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় তিনি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথমবার দায়িত্ব নেওয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রেকর্ড গড়তে পারেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে তুলনামূলক কম বয়সেই সরকারপ্রধান হওয়ার নজির রয়েছে। ১৯৭১ সালে অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় তাজউদ্দীন আহমদ-এর বয়স ছিল ৪৬ বছর। ১৯৭২ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় শেখ মুজিবুর রহমান-এর বয়স ছিল ৫২ বছর।

১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া; তখন তার বয়স ছিল ৪৬ বছর। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা; তখন তার বয়স ছিল ৪৯ বছর।

সে তুলনায় ৬০ বছর বয়সে প্রথমবার সরকারপ্রধান হওয়া একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, কারাবরণ ও প্রবাসজীবনের অভিজ্ঞতা তার নেতৃত্বকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর পুঁজিবাজার ও আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন নতুন সরকারের নীতিগত অবস্থান, বিশেষ করে অর্থনীতি, প্রশাসনিক সংস্কার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে সম্ভাব্য দিকনির্দেশনার দিকে কেন্দ্রীভূত।