Dhaka ১১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বালিয়াকান্দিতে এতিম শিশুর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন হেলাল

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১২৮০ জন সংবাদটি পড়েছেন

জনতার আদালত অনলাইন ॥ মোবারক মীর (১২), পিতাঃ মৃত মনু মীর, মাতাঃ মৃত তাছলিমা বেগম, গ্রামঃ হবিদপুর, উপজেল ও জেলা নাটোর। বর্তমান ঠিকানাঃ খালকুলা মধ্যপাড়া, পোস্টঃ বহরপুর, ইউনিয়নঃ ইসলাপুর, উপজেলাঃ বালিয়াকান্দি, জেলাঃ রাজবাড়ি। ৭ বৎসর বয়সে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রথমে মা এবং ৮ বৎসর বয়সে একই রোগে আক্রান্ত হলে বাবাকে হারায় এতিম মোবারক মীর। বাবা মা হারানোর পরে কোনো ভাই, বোনা, চাচা,  ফুপু এবং দাদ না থাকার কারনে বর্তমানে নানা তোফাজ্জেল মন্ডলের বাড়ীতে অসহায় ও নিদারুণ কষ্টে জীবন অতিবাহি করছে এতিম মোবারক। নানার বয়স  ৭০ এবং নানির বয়স ৬০ হওয়াও দু’জনই কর্মহীন হয়ে পরাতে ভালো পোশাক পড়াতো দুরের কথা ৩ বেলা সঠিক মতো খাবারও জোটে না এতিম মোবারকের ভাগ্যে। সম্পদ বলতে ১২ শতাংশ জমি, একটি গরু ও ছোট্র একটা ভাঙ্গাচোরা দোচালা টিনের ঘড় আছে মোবারকের নানার। সরকারি সহায়তার মধ্যে কেবলমাত্র বয়স্ক ভাতা পাই মোবারকের নানা। বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র মোবারক। ১৪ ফেব্রোয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে মোবারককে নতুন জামা, প্যান্ট  এবং স্যান্ডেল কিনে দিয়েছিলা বহরপুরের তরুন সমাজকর্মী সোনার বাংলা সমাজকল্যান ও ক্রিড়া সংস্থার আহবায়ক হেলাল খন্দকার।

মঙ্গলবার বিকালে মোবারকের পড়ালেখার সম্পুর্ণ খরচ বহন করার ঘোষণা করেছেন এ তরুন সমাজকর্মী।

হেলাল খন্দকার বলেন, বিশ্ব ভালবাসা দিবসে একজন এতিম ছাত্রের পোশাক কিনে দিতে পেরে নিজের কাছে আনন্দবোধ করেছি। পরে ভাবলাম তার জন্য কিছু একটা করার দরকার এ কারণে তার লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছি। এ ধরণের অসহায় ও মেধাবীদের সহযোগিতায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বালিয়াকান্দিতে এতিম শিশুর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন হেলাল

প্রকাশের সময় : ০৬:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১

জনতার আদালত অনলাইন ॥ মোবারক মীর (১২), পিতাঃ মৃত মনু মীর, মাতাঃ মৃত তাছলিমা বেগম, গ্রামঃ হবিদপুর, উপজেল ও জেলা নাটোর। বর্তমান ঠিকানাঃ খালকুলা মধ্যপাড়া, পোস্টঃ বহরপুর, ইউনিয়নঃ ইসলাপুর, উপজেলাঃ বালিয়াকান্দি, জেলাঃ রাজবাড়ি। ৭ বৎসর বয়সে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রথমে মা এবং ৮ বৎসর বয়সে একই রোগে আক্রান্ত হলে বাবাকে হারায় এতিম মোবারক মীর। বাবা মা হারানোর পরে কোনো ভাই, বোনা, চাচা,  ফুপু এবং দাদ না থাকার কারনে বর্তমানে নানা তোফাজ্জেল মন্ডলের বাড়ীতে অসহায় ও নিদারুণ কষ্টে জীবন অতিবাহি করছে এতিম মোবারক। নানার বয়স  ৭০ এবং নানির বয়স ৬০ হওয়াও দু’জনই কর্মহীন হয়ে পরাতে ভালো পোশাক পড়াতো দুরের কথা ৩ বেলা সঠিক মতো খাবারও জোটে না এতিম মোবারকের ভাগ্যে। সম্পদ বলতে ১২ শতাংশ জমি, একটি গরু ও ছোট্র একটা ভাঙ্গাচোরা দোচালা টিনের ঘড় আছে মোবারকের নানার। সরকারি সহায়তার মধ্যে কেবলমাত্র বয়স্ক ভাতা পাই মোবারকের নানা। বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র মোবারক। ১৪ ফেব্রোয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে মোবারককে নতুন জামা, প্যান্ট  এবং স্যান্ডেল কিনে দিয়েছিলা বহরপুরের তরুন সমাজকর্মী সোনার বাংলা সমাজকল্যান ও ক্রিড়া সংস্থার আহবায়ক হেলাল খন্দকার।

মঙ্গলবার বিকালে মোবারকের পড়ালেখার সম্পুর্ণ খরচ বহন করার ঘোষণা করেছেন এ তরুন সমাজকর্মী।

হেলাল খন্দকার বলেন, বিশ্ব ভালবাসা দিবসে একজন এতিম ছাত্রের পোশাক কিনে দিতে পেরে নিজের কাছে আনন্দবোধ করেছি। পরে ভাবলাম তার জন্য কিছু একটা করার দরকার এ কারণে তার লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছি। এ ধরণের অসহায় ও মেধাবীদের সহযোগিতায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।