Dhaka ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে কোলা ইউনিয়ন বিএনপির মানবিক উদ্যোগ রূপপুর প্রকল্পে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়ার অনুমতি টিকটকে যুক্ত হলো নতুন দুই সুবিধা পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাঙ্ক করে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন ৬১ বছরের নারী শূন্য থেকে শিখরে: কত সম্পদ রেখে গেলেন নানা পাটেকার জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নিবন্ধন শুরু ১৫ অক্টোবর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে পণ্যের সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫

পাংশায় ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর পর পালিয়েছে ক্লিনিকের লোকেরা

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২১
  • / 697

জনতার আদালত অনলাইন ॥  রাজবাড়ীর পাংশায় মা ও শিশু ডায়াবেটিকস ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় হাসি বেগম নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর থেকে পালিয়েছে ক্লিনিকের লোকজন। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত হাসি বেগম রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের ঘি কমলা গ্রামের আবুল কাশেম মন্ডলের স্ত্রী।

জানা গেছে, সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য শুক্রবার সকালে পাংশা সর্দার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত মা ও শিশু ডায়াবেটিকস ক্লিনিকে হাসি বেগমকে ভর্তি করা হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তার পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। আকতার হোসেন নামে একজন ডাক্তার তার অপারেশন করেছিলেন। রাত সাতটার দিকে ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মারা যান হাসি বেগম। হাসি বেগমের মৃত্যুর খবর পেয়ে রোগীর স্বজনরা ছুটে আসেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ক্লিনিকের লোকজন পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পাংশা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্লিনিকের কাউকে না পেয়ে ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ করে দেন। সদ্যজাত পুত্র সন্তানটি সুস্থ আছে বলে জানা গেছে।

হাসি বেগমের স্বামী আবুল কাশেম জানান, সিজারিয়ান অপারশেনের কিছুক্ষণ পর তার স্ত্রীর অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকে। সে সময় তার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ক্লিনিকের কাউকে ডেকেও পাননি।

পাংশা থানার ওসি শাহাদত হোসেন জানান, প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় রোগীর স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে উঠেছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু সেখানে ক্লিনিকের কাউকে পাওয়া যায়নি। একারণে নিরাপত্তার স্বার্থে ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ করে চাবিটি স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর জিম্মায় রেখে আসা হয়েছে। এখন পর্যন্ত  ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

মা ও শিশু ডায়াবেটিকস ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল ইসলামের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে এক ব্যক্তি ফোন রিসিভ করে জানান, ফোন চার্জে রেখে তিনি বাইরে গেছেন। তার নাম জানতে চাইলে মিজান বলে জানান। আজিজুল ইসলামের সঙ্গে কী সম্পর্ক জানতে চাইলে জানান, কিছুই হয়না।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পাংশায় ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর পর পালিয়েছে ক্লিনিকের লোকেরা

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২১

জনতার আদালত অনলাইন ॥  রাজবাড়ীর পাংশায় মা ও শিশু ডায়াবেটিকস ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় হাসি বেগম নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর থেকে পালিয়েছে ক্লিনিকের লোকজন। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত হাসি বেগম রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের ঘি কমলা গ্রামের আবুল কাশেম মন্ডলের স্ত্রী।

জানা গেছে, সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য শুক্রবার সকালে পাংশা সর্দার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত মা ও শিশু ডায়াবেটিকস ক্লিনিকে হাসি বেগমকে ভর্তি করা হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তার পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। আকতার হোসেন নামে একজন ডাক্তার তার অপারেশন করেছিলেন। রাত সাতটার দিকে ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মারা যান হাসি বেগম। হাসি বেগমের মৃত্যুর খবর পেয়ে রোগীর স্বজনরা ছুটে আসেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ক্লিনিকের লোকজন পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পাংশা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্লিনিকের কাউকে না পেয়ে ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ করে দেন। সদ্যজাত পুত্র সন্তানটি সুস্থ আছে বলে জানা গেছে।

হাসি বেগমের স্বামী আবুল কাশেম জানান, সিজারিয়ান অপারশেনের কিছুক্ষণ পর তার স্ত্রীর অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকে। সে সময় তার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ক্লিনিকের কাউকে ডেকেও পাননি।

পাংশা থানার ওসি শাহাদত হোসেন জানান, প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় রোগীর স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে উঠেছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু সেখানে ক্লিনিকের কাউকে পাওয়া যায়নি। একারণে নিরাপত্তার স্বার্থে ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ করে চাবিটি স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর জিম্মায় রেখে আসা হয়েছে। এখন পর্যন্ত  ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

মা ও শিশু ডায়াবেটিকস ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল ইসলামের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে এক ব্যক্তি ফোন রিসিভ করে জানান, ফোন চার্জে রেখে তিনি বাইরে গেছেন। তার নাম জানতে চাইলে মিজান বলে জানান। আজিজুল ইসলামের সঙ্গে কী সম্পর্ক জানতে চাইলে জানান, কিছুই হয়না।