Dhaka ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্ত্রী হত্যার পর গ্রেপ্তারের ভয়ে ভর্তি হয়েছিল মানসিক হাসপাতালে

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ জানুয়ারী ২০২১
  • / ১২৯০ জন সংবাদটি পড়েছেন

জনতার আদালত অনলাইন॥ স্ত্রীকে হত্যার পর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের ভয়ে বিনয় কুমার বিশ^াস নামে এক ব্যক্তি ভর্তি হয়েছিল পাবনার একটি বেসরকারি মানসিক হাসপাতালে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। রাজবাড়ী সদর থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। সে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের কোলা গ্রামের মৃত সন্তোষ কুমার বিশ^াসের ছেলে। স্ত্রী দুর্গা রানী বালাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে গত ২৭ ডিসেম্বর তারিখে বিনয় কুমার বিশ^াস ও তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই সুভাষ বালা।

 মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা  ও রাজবাড়ী  সদর থানার এসআই কামরুজ্জামান শিকদার জানান, মামলার পর পুলিশ বিনয়কে গ্রেপ্তারের জন্য বেশ কয়েকবার অভিযান চালায়। কিন্তু পলাতক থাকায় গ্রেপ্তার করা যায়নি। পরে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে বিনয় পাবনায় আত্মগোপন করে আছে।বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সেখানে গিয়ে পাবনা সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় সুরমা নামে একটি বেসরকারি মানসিক হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের ভয়ে সেখানকার আত্মীয় স্বজনের সহায়তায় সে ওই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ইতিপূর্বে সে কখনই মানসিক রুগি ছিলনা। এধরণের কোনো রেকর্ডও নেই বিনয়ের।

তিনি আরও জানান, পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বিনয় জানিয়েছে, গত ২৬ ডিসেম্বর রাত ২টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী দুর্গা রানী বিনয়ের গায়ে হাত তোলে। এটি নিয়ে বিনয় ভীষণ ক্ষুব্ধ ছিল। পরদিন ২৭ ডিসেম্বর তারিখে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আবারও ঝগড়া লাগে। ওই সময় তার হাতে থাকা রড দিয়ে স্ত্রী দুর্গা রানীর মাথায় আঘাত করে। মাথা ফেটে রক্ত বের হতে থাকলে সে দৌড়ে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে রাজবাড়ীর আদালতে চালান করা হয়েছে।  মামলার অন্য দুই আসামি কৃষ্ণ ও বিষুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

স্ত্রী হত্যার পর গ্রেপ্তারের ভয়ে ভর্তি হয়েছিল মানসিক হাসপাতালে

প্রকাশের সময় : ০৭:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ জানুয়ারী ২০২১

জনতার আদালত অনলাইন॥ স্ত্রীকে হত্যার পর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের ভয়ে বিনয় কুমার বিশ^াস নামে এক ব্যক্তি ভর্তি হয়েছিল পাবনার একটি বেসরকারি মানসিক হাসপাতালে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। রাজবাড়ী সদর থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। সে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের কোলা গ্রামের মৃত সন্তোষ কুমার বিশ^াসের ছেলে। স্ত্রী দুর্গা রানী বালাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে গত ২৭ ডিসেম্বর তারিখে বিনয় কুমার বিশ^াস ও তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই সুভাষ বালা।

 মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা  ও রাজবাড়ী  সদর থানার এসআই কামরুজ্জামান শিকদার জানান, মামলার পর পুলিশ বিনয়কে গ্রেপ্তারের জন্য বেশ কয়েকবার অভিযান চালায়। কিন্তু পলাতক থাকায় গ্রেপ্তার করা যায়নি। পরে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে বিনয় পাবনায় আত্মগোপন করে আছে।বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সেখানে গিয়ে পাবনা সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় সুরমা নামে একটি বেসরকারি মানসিক হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের ভয়ে সেখানকার আত্মীয় স্বজনের সহায়তায় সে ওই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ইতিপূর্বে সে কখনই মানসিক রুগি ছিলনা। এধরণের কোনো রেকর্ডও নেই বিনয়ের।

তিনি আরও জানান, পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বিনয় জানিয়েছে, গত ২৬ ডিসেম্বর রাত ২টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী দুর্গা রানী বিনয়ের গায়ে হাত তোলে। এটি নিয়ে বিনয় ভীষণ ক্ষুব্ধ ছিল। পরদিন ২৭ ডিসেম্বর তারিখে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আবারও ঝগড়া লাগে। ওই সময় তার হাতে থাকা রড দিয়ে স্ত্রী দুর্গা রানীর মাথায় আঘাত করে। মাথা ফেটে রক্ত বের হতে থাকলে সে দৌড়ে পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে রাজবাড়ীর আদালতে চালান করা হয়েছে।  মামলার অন্য দুই আসামি কৃষ্ণ ও বিষুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।