Dhaka ০১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
জ্বালানি খাত অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সক্রিয় : প্রধানমন্ত্রী স্ত্রী মশা দমনে যুক্তরাষ্ট্রে ছাড়া হবে ৬ লাখ পুরুষ মশা ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চিকিৎসক সমাবেশ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আজ ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা জেআইসি পরিদর্শনে যাচ্ছেন ট্রাইব্যুনাল ভারত-চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিল পাস যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের বলাকা লাউঞ্জে আগুন সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা ট্রাম্পের ৪০ কোটি ডলারের ‘বলরুম প্রকল্প’ আটকে দিল আদালত শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইনের মুখোমুখি হতে হবে: রাশেদ খান ছাত্রদলের হামলায় চোয়াল ভেঙেছে জবি শিক্ষার্থীর, অস্ত্রোপচারের পরও কথা বলতে পারছেন না

জেলা পরিষদ সদস্য মজনুর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা, নারী ইউপি সদস্যকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:২০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / 1215

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ী জেলা পরিষদের সদস্য ও কালুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান মজনুর বিরুদ্ধে রাজবাড়ীর আদালতে আরেকটি মামলা হয়েছে। মদাপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য বিউটি প্রামাণিক বাদী হয়ে মারধর ও শ্লীলতাহানিসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে রোববার রাজবাড়ীর ২ নং আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মজনুসহ মোট নয়জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলো একেএম রোকনুজ্জামান, মঞ্জু শেখ. জিলাল মোল্লা, আবুল কাশেম, আরিফ ফকির, উজ্জ্বল প্রামানিক, লতিফ মহাজন ও শিহাব মহাজন। এদের বাড়ি মদাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে।

মামলায় বাদী অভিযোগ করেছেন, মদাপুর ইউনিয়নের সদস্যদের জোর  করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে আসামিরা গরীবের খয়রাতি  চাল আত্মসাৎ করে। তিনি এর প্রতিবাদ করায় তার উপর ক্ষিপ্ত হয়। তিনি ভয়ে তার এক আত্মীয় বাড়িতে আত্মগোপন করেন। ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার দিকে আসামিরা তার বসত বাড়িতে  গিয়ে তাকে খুঁজতে থাকে। আসামিরা তার বাড়ির দুই সদস্যকে ছুরির ভয় দেখিয়ে তার অবস্থান জানতে চায়। তারা না বলায় বাড়িঘর ভাংচুর করে এবং নগদ টাকা স্বর্ণালংকার লুট করে। এক পর্যায়ে আসামিরা তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রাত ১২টার দিকে মোড়ারিখোলায় তার অবস্থান করা বাড়িতে যায়। ৪ নং আসামি জিলাল তাকে ডাক দিলে তিনি ঘুম থেকে উঠে ঘর খুলে দেন। তখন সব আসামি ঘরে ঢুকে পড়ে। আসামিরা তাকে ও তার শিশু সন্তানকে ঘর থেকে  বাইরে নিয়ে যায়। ওই সময় ১ ও ৪ নং আসামি তার শিশু সন্তানকে গলা টিপে ধরে এবং বলে সাদা কাগজে সই না করলে তার সন্তানকে অপহরণ করে নিয়ে মেরে ফেলবে। বাধ্য হয়ে তিনি সাদা কাগজে সই করেন। তার কাছে সীল না থাকায় তাকে বেদম মারধরও করে। তার ব্লাউজের মধ্যে লুকানো মোবাইল ফোনটিও আসামিরা নিয়ে নেয়। এরপর আসামিরা বলে, তুমি স্বেচ্ছায় সই করেছো বলে রেকর্ড করে দাও। নাহলে দুইজনকেই মেরে ফেলবো। তিনি ভয়ে তাও করেন। এ বিষয়ে তিনি ওই সময় রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার ও কালুখালী থানায় অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু আসামি বিশেষ ব্যক্তির কাছের লোক হওয়ায় কোনো প্রতিকার পাননি। একারণে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

আদালতের বিচারক মামলাটি গ্রহণ করে তদন্তের জন্য কালুখালী থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জেলা পরিষদ সদস্য মজনুর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা, নারী ইউপি সদস্যকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৭:২০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ী জেলা পরিষদের সদস্য ও কালুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান মজনুর বিরুদ্ধে রাজবাড়ীর আদালতে আরেকটি মামলা হয়েছে। মদাপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য বিউটি প্রামাণিক বাদী হয়ে মারধর ও শ্লীলতাহানিসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে রোববার রাজবাড়ীর ২ নং আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মজনুসহ মোট নয়জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলো একেএম রোকনুজ্জামান, মঞ্জু শেখ. জিলাল মোল্লা, আবুল কাশেম, আরিফ ফকির, উজ্জ্বল প্রামানিক, লতিফ মহাজন ও শিহাব মহাজন। এদের বাড়ি মদাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে।

মামলায় বাদী অভিযোগ করেছেন, মদাপুর ইউনিয়নের সদস্যদের জোর  করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে আসামিরা গরীবের খয়রাতি  চাল আত্মসাৎ করে। তিনি এর প্রতিবাদ করায় তার উপর ক্ষিপ্ত হয়। তিনি ভয়ে তার এক আত্মীয় বাড়িতে আত্মগোপন করেন। ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টার দিকে আসামিরা তার বসত বাড়িতে  গিয়ে তাকে খুঁজতে থাকে। আসামিরা তার বাড়ির দুই সদস্যকে ছুরির ভয় দেখিয়ে তার অবস্থান জানতে চায়। তারা না বলায় বাড়িঘর ভাংচুর করে এবং নগদ টাকা স্বর্ণালংকার লুট করে। এক পর্যায়ে আসামিরা তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রাত ১২টার দিকে মোড়ারিখোলায় তার অবস্থান করা বাড়িতে যায়। ৪ নং আসামি জিলাল তাকে ডাক দিলে তিনি ঘুম থেকে উঠে ঘর খুলে দেন। তখন সব আসামি ঘরে ঢুকে পড়ে। আসামিরা তাকে ও তার শিশু সন্তানকে ঘর থেকে  বাইরে নিয়ে যায়। ওই সময় ১ ও ৪ নং আসামি তার শিশু সন্তানকে গলা টিপে ধরে এবং বলে সাদা কাগজে সই না করলে তার সন্তানকে অপহরণ করে নিয়ে মেরে ফেলবে। বাধ্য হয়ে তিনি সাদা কাগজে সই করেন। তার কাছে সীল না থাকায় তাকে বেদম মারধরও করে। তার ব্লাউজের মধ্যে লুকানো মোবাইল ফোনটিও আসামিরা নিয়ে নেয়। এরপর আসামিরা বলে, তুমি স্বেচ্ছায় সই করেছো বলে রেকর্ড করে দাও। নাহলে দুইজনকেই মেরে ফেলবো। তিনি ভয়ে তাও করেন। এ বিষয়ে তিনি ওই সময় রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার ও কালুখালী থানায় অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু আসামি বিশেষ ব্যক্তির কাছের লোক হওয়ায় কোনো প্রতিকার পাননি। একারণে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

আদালতের বিচারক মামলাটি গ্রহণ করে তদন্তের জন্য কালুখালী থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।