Dhaka ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
যুদ্ধের খরচ জোগাতে পর্নোগ্রাফিকে বৈধ করার কথা ভাবছে ইউক্রেন জাবিতে মাঠ সংস্কারের কাজ শেষের আগেই টাকা উত্তোলনের অভিযোগ আমরা জাতীয় পার্টির মতো পোষা বিরোধী দল হবো না: সারজিস অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল জব্বার ভূঞাসহ পাঁচ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, কালুখালীর প্রশাসনিক কর্মকর্তা বদলি কাজে-কর্মে স্মরণীয় ইউএনও মুস্তাফিজুর, বিদায়ে আবেগঘন পরিবেশ কালীগঞ্জে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় ক্লিনিক সিলগালা, জরিমানা ১ লাখ নিয়ন্ত্রণে আসছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, শনাক্তে থাকবে কিউআর কোড: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাংশায় ইসলামী চক্ষু হাসপাতালের নতুন ভিশন সেন্টার উদ্বোধন এক উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের ভোট একসঙ্গে

মাজবাড়িতে ব্যবসায়ী রবিউল হত্যার ঘটনায় মামলা, ইউসুফ মেম্বারের ২ ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৩

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২০
  • / 872

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা মাজবাড়ি ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া গ্রামে বেকারী ব্যবসায়ী রবিউল বিশ্বাস হত্যার ঘটনায় কালুখালী থানায় মামলা হয়েছে। রোববার নিহতের স্ত্রী শাবানা আকতার বাদী হয়ে  পাঁচজনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত  আরও করেয়কজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলো রফিক মন্ডল, ইলিয়াস মন্ডল, রাকিব মন্ডল, ইসলাম খা ও মোসলেম খা। এদের সবার  বাড়ি একই গ্রামে।

হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এরা হলো এজাহারভুক্ত রাকিব, সন্দেহভাজন রাসেল ও সোহেল। সন্দেহভাজন  দুজন কালুখালীর মোহনপুর এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা ইউসুফ মেম্বারের ছেলে।

 এছাড়া বেতবাড়িয়া গ্রামে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে  রাখার ঘটনায় কালুখালী থানার এসআই সোহাগ সাহা বাদী হয়ে আরও একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায়  অজ্ঞাতনামা  দুই শতাধিক মানুষকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকান্ড, পুলিশের উপর  হামলার ঘটনায়  রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মো. সালাউদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে রোববার দুপুরে ঢাকা রেঞ্জের  অতিরিক্ত ডিআইজি জিহাদুল কবির পিপিএম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে নিহতের স্ত্রী ও শিশু সন্তানদের সান্ত¡না দিয়ে ঘটনার সঠিক তদন্ত ও হত্যাকারীদের  গ্রেপ্তারের আশ্বাস  দেন।

সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, মারামারির একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলার পর পুলিশ এজাহারভুক্ত একজনসহ সন্দেহভাজন আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর  করা হয়েছে। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের প্রত্য্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব তার সবটুকুই করা হবে। আমরা আমাদের  মেধা, প্রজ্ঞা ও দক্ষতার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করব। তিনজন এতিম শিশুর মুখের দিকে তাকিয়ে তাদের কথা দিয়েছি তারা তাদের পিতার হত্যার বিচার পাবে। প্রত্যেকটি বিষয় আলোচনা পর্যালোচনা করব। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করব। এঘটনার সাথে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তারাও রেহাই পাাবেনা। যার যতটুকু সম্পৃক্ততা সে ততটুকুই সাজা পাবে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে  অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহম্মদ সালাউদ্দিন, পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার লাবীব  আব্দুল্লাহ।

কালুখালী থানা সূত্র জানায়, পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রাতেই নিহতের লাশ দাফন সম্পন্ন হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মাজবাড়িতে ব্যবসায়ী রবিউল হত্যার ঘটনায় মামলা, ইউসুফ মেম্বারের ২ ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২০

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা মাজবাড়ি ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া গ্রামে বেকারী ব্যবসায়ী রবিউল বিশ্বাস হত্যার ঘটনায় কালুখালী থানায় মামলা হয়েছে। রোববার নিহতের স্ত্রী শাবানা আকতার বাদী হয়ে  পাঁচজনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত  আরও করেয়কজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলো রফিক মন্ডল, ইলিয়াস মন্ডল, রাকিব মন্ডল, ইসলাম খা ও মোসলেম খা। এদের সবার  বাড়ি একই গ্রামে।

হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এরা হলো এজাহারভুক্ত রাকিব, সন্দেহভাজন রাসেল ও সোহেল। সন্দেহভাজন  দুজন কালুখালীর মোহনপুর এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা ইউসুফ মেম্বারের ছেলে।

 এছাড়া বেতবাড়িয়া গ্রামে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে  রাখার ঘটনায় কালুখালী থানার এসআই সোহাগ সাহা বাদী হয়ে আরও একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায়  অজ্ঞাতনামা  দুই শতাধিক মানুষকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকান্ড, পুলিশের উপর  হামলার ঘটনায়  রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মো. সালাউদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে রোববার দুপুরে ঢাকা রেঞ্জের  অতিরিক্ত ডিআইজি জিহাদুল কবির পিপিএম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ভুক্তভোগীর বাড়িতে গিয়ে নিহতের স্ত্রী ও শিশু সন্তানদের সান্ত¡না দিয়ে ঘটনার সঠিক তদন্ত ও হত্যাকারীদের  গ্রেপ্তারের আশ্বাস  দেন।

সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, মারামারির একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলার পর পুলিশ এজাহারভুক্ত একজনসহ সন্দেহভাজন আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর  করা হয়েছে। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের প্রত্য্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব তার সবটুকুই করা হবে। আমরা আমাদের  মেধা, প্রজ্ঞা ও দক্ষতার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করব। তিনজন এতিম শিশুর মুখের দিকে তাকিয়ে তাদের কথা দিয়েছি তারা তাদের পিতার হত্যার বিচার পাবে। প্রত্যেকটি বিষয় আলোচনা পর্যালোচনা করব। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করব। এঘটনার সাথে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তারাও রেহাই পাাবেনা। যার যতটুকু সম্পৃক্ততা সে ততটুকুই সাজা পাবে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে  অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহম্মদ সালাউদ্দিন, পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার লাবীব  আব্দুল্লাহ।

কালুখালী থানা সূত্র জানায়, পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রাতেই নিহতের লাশ দাফন সম্পন্ন হয়।