Dhaka ০২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
রামিসা হত্যার রায় তিন মাসের মধ্যে কার্যকর সম্ভব : আইনমন্ত্রী এবারের ঈদযাত্রায় ৪০২ জনের প্রাণহানি, আহত ১২৯৪: যাত্রী কল্যাণ সমিতি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় মাইলফলক : অ্যাটর্নি জেনারেল কোটচাঁদপুরে তেলবাহী মালগাড়ির তিন বগি লাইনচ্যুত, খুলনার সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবাইকে সচেতন হতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ট্রাম্প-মোজতবা বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ, যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে কড়া নিরাপত্তা জোরদার বিশ্বকাপ ঘিরে জুয়ার রমরমা, শঙ্কায় পরিবার ও সমাজ

রাজবাড়ীতে পদ্মার পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি বানভাসি মানুষের

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০
  • / 938

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীর পানি কমায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে  কমেনি বন্যার্ত মানুষের দুর্ভোগ। বন্যা কবলিত এলাকায় খাদ্য, পানীয় জল ও গোখাদ্যের সংকট রয়েছে। পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে জেলার চার উপজেলার ৬৫  হাজার মানুষ। কেউ কেউ আশ্রয় নিয়েছে  বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও উঁচু বেরি বাঁধে। বন্যার্ত এলাকায় দেখা দিয়েছে চর্মরোগসহ নানান অসুসখ বিসুখ।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রমতে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি ছয় সে.মি কমলেও এখনও বিপদসীমার  ৪৪ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে এক সে.মি কমে বিপদসীমার  ৯৪ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া দৌলতদিয়া পয়েন্টে কমেছে চার সে.মি। এখানে পদ্মা নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ১১৫ সে.মি উপরে রয়েছে। রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বন্যার্ত মানুষের জন্য ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীতে পদ্মার পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি বানভাসি মানুষের

প্রকাশের সময় : ০৯:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীর পানি কমায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে  কমেনি বন্যার্ত মানুষের দুর্ভোগ। বন্যা কবলিত এলাকায় খাদ্য, পানীয় জল ও গোখাদ্যের সংকট রয়েছে। পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে জেলার চার উপজেলার ৬৫  হাজার মানুষ। কেউ কেউ আশ্রয় নিয়েছে  বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও উঁচু বেরি বাঁধে। বন্যার্ত এলাকায় দেখা দিয়েছে চর্মরোগসহ নানান অসুসখ বিসুখ।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রমতে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি ছয় সে.মি কমলেও এখনও বিপদসীমার  ৪৪ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে এক সে.মি কমে বিপদসীমার  ৯৪ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া দৌলতদিয়া পয়েন্টে কমেছে চার সে.মি। এখানে পদ্মা নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ১১৫ সে.মি উপরে রয়েছে। রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বন্যার্ত মানুষের জন্য ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।