Dhaka ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বালিয়াকান্দিতে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ স্কুল পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রী

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২০
  • / ১৩৬৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

জনতার আদালত অনলাইন ॥ গত চার দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে স্কুল পড়–য়া দুই ছাত্র-ছাত্রী। বিষয়টি প্রেমঘটিত না অন্য কিছু তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও পুলিশ ঘটনাটিকে প্রেমঘটিত বলেই মনে করছে। আর এধরণের অপরিণত প্রেমকে কিছুতেই প্রশ্রয় দেয়া যাবেনা বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইউএনও। ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা এলাকায়।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার থেকে তারা নিখোঁজ রয়েছে। বালিয়াকান্দি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রের বাড়ি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের অভয়নগর গ্রামে। চলতি বছরে এসএসসি পাশ করা ছাত্রীর বাড়ি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের হোগলাডাঙ্গি গ্রামে।

নিখোঁজ ছাত্রীর দাদা আকবর আলী জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর অনেক জায়গায় তার নাতনীকে খুঁজেছেন। কিন্তু কোথাও পাননি। তার নাতনী সাথে নিখোঁজ শিহাবের পরিবারের সাথেও তারা কথা বলেছেন। তারা আশ্বস্ত করেছে তার নাতনীকে ফিরিয়ে দেবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত দেয়নি। বিষয়টি বালিয়য়াকান্দি থানাকেও অবগত করা হয়েছে। যখন দুপক্ষের আলাপ আলোচনা হয় তখন পুলিশ উপস্থিত ছিল। তিনি বলেন, ছেলে মেয়ের দুজনেরই বয়স কম। তাদের বিয়ের কথা আমরা ভাবতেই পারছিনা।

অপর নিখোঁজ শিহাবের মামার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ব্যস্ত আছি বলে ফোন বিচ্ছিন্ন করে দেন।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, এই অপরিণত প্রেমকে কিছুতেই স্বীকার করা যায়না। ওরা দুজনেই অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক। পুরো জীবন তাদের সামনে পড়ে আছে। দুজনেই পড়াশোনা করে অনেক দূর যেতে পারে। কিন্তু যদি বিয়ে হয়ে যায় তাহলে দুজনের ভবিষ্যই অন্ধকার। কারণ, তারা শারীরিক ও মানসিক  কোনো দিক দিয়েই উপযুক্ত  হয়ে ওঠেনি। এ অবস্থায় এপ্রেমকে স্বীকার করা হবে নিজের পায়ে কুড়াল মারার শামিল।

বালিয়াকান্দি থানার ওসি একেএম আজমল হুদা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এবিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে বিষয়টি প্রেমঘটিত এটা শতভাগ নিশ্চিত।

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্ময়কর্তা একেএম হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে যদি প্রেমঘটিত হয়ে থাকে তাহলে তা প্রশ্রয় দেয়ার কোনো যুক্তি নেই। আগে ছেলে মেয়ে দুটিকে উদ্ধার করা দরকার। তারপর তাদের পরিবারের হেফাজতে দেয়া হবে। কোনোভাবেই বিষয়টিকে আর এগুতে দেয়া যাবেনা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বালিয়াকান্দিতে ৪ দিন ধরে নিখোঁজ স্কুল পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রী

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২০

জনতার আদালত অনলাইন ॥ গত চার দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে স্কুল পড়–য়া দুই ছাত্র-ছাত্রী। বিষয়টি প্রেমঘটিত না অন্য কিছু তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও পুলিশ ঘটনাটিকে প্রেমঘটিত বলেই মনে করছে। আর এধরণের অপরিণত প্রেমকে কিছুতেই প্রশ্রয় দেয়া যাবেনা বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইউএনও। ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা এলাকায়।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার থেকে তারা নিখোঁজ রয়েছে। বালিয়াকান্দি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রের বাড়ি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের অভয়নগর গ্রামে। চলতি বছরে এসএসসি পাশ করা ছাত্রীর বাড়ি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের হোগলাডাঙ্গি গ্রামে।

নিখোঁজ ছাত্রীর দাদা আকবর আলী জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর অনেক জায়গায় তার নাতনীকে খুঁজেছেন। কিন্তু কোথাও পাননি। তার নাতনী সাথে নিখোঁজ শিহাবের পরিবারের সাথেও তারা কথা বলেছেন। তারা আশ্বস্ত করেছে তার নাতনীকে ফিরিয়ে দেবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত দেয়নি। বিষয়টি বালিয়য়াকান্দি থানাকেও অবগত করা হয়েছে। যখন দুপক্ষের আলাপ আলোচনা হয় তখন পুলিশ উপস্থিত ছিল। তিনি বলেন, ছেলে মেয়ের দুজনেরই বয়স কম। তাদের বিয়ের কথা আমরা ভাবতেই পারছিনা।

অপর নিখোঁজ শিহাবের মামার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ব্যস্ত আছি বলে ফোন বিচ্ছিন্ন করে দেন।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, এই অপরিণত প্রেমকে কিছুতেই স্বীকার করা যায়না। ওরা দুজনেই অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক। পুরো জীবন তাদের সামনে পড়ে আছে। দুজনেই পড়াশোনা করে অনেক দূর যেতে পারে। কিন্তু যদি বিয়ে হয়ে যায় তাহলে দুজনের ভবিষ্যই অন্ধকার। কারণ, তারা শারীরিক ও মানসিক  কোনো দিক দিয়েই উপযুক্ত  হয়ে ওঠেনি। এ অবস্থায় এপ্রেমকে স্বীকার করা হবে নিজের পায়ে কুড়াল মারার শামিল।

বালিয়াকান্দি থানার ওসি একেএম আজমল হুদা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এবিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে বিষয়টি প্রেমঘটিত এটা শতভাগ নিশ্চিত।

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্ময়কর্তা একেএম হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে যদি প্রেমঘটিত হয়ে থাকে তাহলে তা প্রশ্রয় দেয়ার কোনো যুক্তি নেই। আগে ছেলে মেয়ে দুটিকে উদ্ধার করা দরকার। তারপর তাদের পরিবারের হেফাজতে দেয়া হবে। কোনোভাবেই বিষয়টিকে আর এগুতে দেয়া যাবেনা।