Dhaka 6:32 pm, Friday, 3 February 2023

গোয়ালন্দে পরকীয়া সন্দেহে যুবককে মারধর, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : 05:59:23 pm, Monday, 13 July 2020
  • / 1380 জন সংবাদটি পড়েছেন

 

জনতার আদালত অনলাইন : গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পরকীয়া প্রেম সন্দেহে মো. সাহিন খান (৩৪) নামের এক যুবককে মারপিট করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাতে ঢাকায় তার মৃত্যু হয়েছে। সে উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ছিদ্দিক কাজীর পাড়া গ্রামের মৃত রহমান খানের ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত শাহিন খানের ঘরে দুই স্ত্রী রয়েছে। এলাকার এক তরুণীর সাথে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এমনটি সন্দেহ করে তরুণীর পরিবার। গত ২৯ জুন সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় সাহিন খানের সাথে তরুণীর পরিবারের বাকবিতন্ডা হয়। পরদিন ৩০ জুন মঙ্গলবার দিবাগত রাতে শাহিন খানকে তার বাড়ী হতে ডেকে এনে বাড়ীর পাশে রাস্তার উপর মারপিট করে। এতে সাহিন পাকা রাস্তার উপর পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এসময় তার চিৎকারে বাড়ীর লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে বাড়ীতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করে।

গত ২ জুলাই বৃহস্পতিবার সাহিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখান থেকে গুরুতর অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে গত ১০ জুলাই শুক্রবার তাকে ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাত ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে মারামারি ওই ঘটনায় নিহত সাহিন খানের মামা ছোবাহান মোল্লা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আশিকুর রহমান জানান, ইতিপূর্বে মারামারি ঘটনায় যে মামলাটি হয়েছে ওই মামলাই হত্যা মামলা হিসেবে গণ্য হবে। ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়ছে। নিহত সাহিনের লাশ ঢাকায় ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

গোয়ালন্দে পরকীয়া সন্দেহে যুবককে মারধর, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

প্রকাশের সময় : 05:59:23 pm, Monday, 13 July 2020

 

জনতার আদালত অনলাইন : গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পরকীয়া প্রেম সন্দেহে মো. সাহিন খান (৩৪) নামের এক যুবককে মারপিট করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাতে ঢাকায় তার মৃত্যু হয়েছে। সে উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ছিদ্দিক কাজীর পাড়া গ্রামের মৃত রহমান খানের ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত শাহিন খানের ঘরে দুই স্ত্রী রয়েছে। এলাকার এক তরুণীর সাথে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এমনটি সন্দেহ করে তরুণীর পরিবার। গত ২৯ জুন সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় সাহিন খানের সাথে তরুণীর পরিবারের বাকবিতন্ডা হয়। পরদিন ৩০ জুন মঙ্গলবার দিবাগত রাতে শাহিন খানকে তার বাড়ী হতে ডেকে এনে বাড়ীর পাশে রাস্তার উপর মারপিট করে। এতে সাহিন পাকা রাস্তার উপর পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এসময় তার চিৎকারে বাড়ীর লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে বাড়ীতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করে।

গত ২ জুলাই বৃহস্পতিবার সাহিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে তাকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখান থেকে গুরুতর অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে গত ১০ জুলাই শুক্রবার তাকে ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাত ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে মারামারি ওই ঘটনায় নিহত সাহিন খানের মামা ছোবাহান মোল্লা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে।

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আশিকুর রহমান জানান, ইতিপূর্বে মারামারি ঘটনায় যে মামলাটি হয়েছে ওই মামলাই হত্যা মামলা হিসেবে গণ্য হবে। ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়ছে। নিহত সাহিনের লাশ ঢাকায় ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।