Dhaka ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঘরবাড়ি-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে ‘ডাবল শিফট’ চালু করবে না সরকার কারাভোগ শেষে ভারত থেকে দেশে ফিরল দুই কিশোরী গোপালগঞ্জে কনসার্টে শেখ হাসিনার পক্ষে স্লোগান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আয়োজক গ্রেফতার কালীগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অনলাইন নিরাপত্তায় সচেতনতা বাড়াতে জাবিতে কর্মশালা কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বিদিশা সিদ্দিক দুই মাসে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৭.৬৭ শতাংশ আগামীতে হজের খরচ আরও কমানো হবে: সংসদে ধর্মমন্ত্রী নওগাঁয় কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের কঠোর হুঁশিয়ারি

পাংশায় ইউপি চেয়ারম্যানের গুদাম থেকে ১৩৪ বস্তা ত্রাণের চাল জব্দ, আটক ১

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৮:১২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২০
  • / 602

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর পাংশায় রোববার দুপুরে যশাই ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমানের ব্যক্তিগত গুদাম থেকে ১৩৪ বস্তা ত্রাণের চাল জব্দ করা হয়েছে। এসময় আব্দুর রাজ্জাক নামে একজনকে আটক করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমানের দাবি করেছেন কাবিখার কাজ তার মনমতো না হওয়ায় উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ না করে তিনি তার গুদামে রেখেছিলেন। ইউএনও বলছেন, জব্দকৃত চাল কীসের তা এখনও নিরুপন করা যায়নি।
জানা গেছে, পাংশা পৌর এলাকার বাশআরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমানের গুদাম থেকে ১৩৪ বস্তা চাল জব্দ করে পুলিশ। এসময় গুদামের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা আব্দুর রাজ্জাককে আটক করা হয়।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, জব্দকৃত চালগুলো সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় খাদ্যবান্ধব সহায়তার চাল। তবে সেগুলি জিআর, টিআর, কাবিখা বা ১০ টাকা কেজির চাল তা এখনও নিরুপন করা সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে পাংশা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলার তদন্ত শেষে বিষয়টি জানা যাবে।
পাংশা থানার ওসি মোহাম্মদ আহসানউল্লাহ জানান, চালগুলো যশাই ইউনিয়নের পক্ষে বরাদ্দ করা চাল। একজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। এবিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
যশাই ইউপি চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, জব্দকৃতচালগুলো কাব্খিার চাল। গত ২৯/৩/২০ ইং তারিখে আমি কাবিখার চার টন ডিও করেছিলাম। ওখানে চার টান চালই আছে। এই চালের অনুকূলে চরলক্ষীপুর বীরু মন্ডলের ঘাট হতে কামালের বাড়ি পর্যন্ত কাবিখার কাজ করার কথা ছিল। কিছু কাজ করা হয়েছে। শ্রমিকদের সাথে মেটানো ছিল আমার লেবেল পর্যন্ত কাজ করতে পারলে চার টন চাল দিয়ে দেয়া হবে। তারা সেই লেবেল পর্যন্ত কাজ করতে পারে নাই। এর মধ্যে বৃষ্টি নেমে গেল। করোনা ভাইরাস চলে এলো। কাজ সম্পন্ন না করতে পারায় চালগুলো আমার নিজের গুদামে রেখে দেই। কাবিখার চাল না হলে আমি ব্যক্তিগত গোডাউনে রাখতাম না।
কাজের মেয়াদ শেষ হলেও কেন চালগুলো গুদামে ছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমার মনের মত কাজ না হওয়ায় চালগুলো দেয়া হয়নি। তাদের সাথে আমার বাকবিতন্ডা চলছে। এর মধ্যে করোনা ভাইরাস চলে এলো।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

পাংশায় ইউপি চেয়ারম্যানের গুদাম থেকে ১৩৪ বস্তা ত্রাণের চাল জব্দ, আটক ১

প্রকাশের সময় : ০৮:১২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২০

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ীর পাংশায় রোববার দুপুরে যশাই ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমানের ব্যক্তিগত গুদাম থেকে ১৩৪ বস্তা ত্রাণের চাল জব্দ করা হয়েছে। এসময় আব্দুর রাজ্জাক নামে একজনকে আটক করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমানের দাবি করেছেন কাবিখার কাজ তার মনমতো না হওয়ায় উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ না করে তিনি তার গুদামে রেখেছিলেন। ইউএনও বলছেন, জব্দকৃত চাল কীসের তা এখনও নিরুপন করা যায়নি।
জানা গেছে, পাংশা পৌর এলাকার বাশআরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমানের গুদাম থেকে ১৩৪ বস্তা চাল জব্দ করে পুলিশ। এসময় গুদামের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা আব্দুর রাজ্জাককে আটক করা হয়।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, জব্দকৃত চালগুলো সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় খাদ্যবান্ধব সহায়তার চাল। তবে সেগুলি জিআর, টিআর, কাবিখা বা ১০ টাকা কেজির চাল তা এখনও নিরুপন করা সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে পাংশা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলার তদন্ত শেষে বিষয়টি জানা যাবে।
পাংশা থানার ওসি মোহাম্মদ আহসানউল্লাহ জানান, চালগুলো যশাই ইউনিয়নের পক্ষে বরাদ্দ করা চাল। একজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। এবিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
যশাই ইউপি চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, জব্দকৃতচালগুলো কাব্খিার চাল। গত ২৯/৩/২০ ইং তারিখে আমি কাবিখার চার টন ডিও করেছিলাম। ওখানে চার টান চালই আছে। এই চালের অনুকূলে চরলক্ষীপুর বীরু মন্ডলের ঘাট হতে কামালের বাড়ি পর্যন্ত কাবিখার কাজ করার কথা ছিল। কিছু কাজ করা হয়েছে। শ্রমিকদের সাথে মেটানো ছিল আমার লেবেল পর্যন্ত কাজ করতে পারলে চার টন চাল দিয়ে দেয়া হবে। তারা সেই লেবেল পর্যন্ত কাজ করতে পারে নাই। এর মধ্যে বৃষ্টি নেমে গেল। করোনা ভাইরাস চলে এলো। কাজ সম্পন্ন না করতে পারায় চালগুলো আমার নিজের গুদামে রেখে দেই। কাবিখার চাল না হলে আমি ব্যক্তিগত গোডাউনে রাখতাম না।
কাজের মেয়াদ শেষ হলেও কেন চালগুলো গুদামে ছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমার মনের মত কাজ না হওয়ায় চালগুলো দেয়া হয়নি। তাদের সাথে আমার বাকবিতন্ডা চলছে। এর মধ্যে করোনা ভাইরাস চলে এলো।